ঢাকা ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

চট্টগ্রাম মিরসরাইয়ে ফেনী নদীতে টাস্কফোর্সের হানা: ১৪ বালু তোলার মেশিন ও ৫ হাজার ফুট পাইপ ধ্বংস।

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৪৩:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

জাহাঙ্গীর আলম বিশেষ প্রতিনিধি।

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের করেরহাটে ফেনী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার (৩০ মে) দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় টানা চার ঘণ্টার এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ১৪টি শ্যালো মেশিন ও প্রায় ৫ হাজার ফুট সরবরাহ পাইপ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
​আদালত সূত্রে জানা গেছে, করেরহাট ইউনিয়নের মোল্লারঘাট, অলিনগর থেকে লিচুতলা বাজার এবং পূর্ব অলিনগর এলাকায় সিন্ডিকেট করে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সেখানে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। এ সময় নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে পল্টুনে স্থাপিত ৮টি এবং নদীর পাড়ে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা আরও ৬টি শ্যালো মেশিন জব্দ করে ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়। এছাড়া বালু পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ পাইপ, পল্টুন ও ভাসমান ড্রামসহ বিভিন্ন অবকাঠামো বিনষ্ট করা হয়।
​অভিযানের নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আলাউদ্দিন কাদের। তাকে সহযোগিতা করেন করেরহাট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এবং জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের একটি চৌকস দল।
​অভিযান প্রসঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলাউদ্দিন কাদের বলেন, “অভিযান চালানো এলাকাগুলো অত্যন্ত দুর্গম। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা আগেই পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে বালু তোলার পুরো সেটআপ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ফেনী নদীর পরিবেশ ও সরকারি সম্পদ রক্ষায় আমাদের এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

চট্টগ্রাম মিরসরাইয়ে ফেনী নদীতে টাস্কফোর্সের হানা: ১৪ বালু তোলার মেশিন ও ৫ হাজার ফুট পাইপ ধ্বংস।

আপডেট সময় ১০:৪৩:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

জাহাঙ্গীর আলম বিশেষ প্রতিনিধি।

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের করেরহাটে ফেনী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার (৩০ মে) দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় টানা চার ঘণ্টার এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ১৪টি শ্যালো মেশিন ও প্রায় ৫ হাজার ফুট সরবরাহ পাইপ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
​আদালত সূত্রে জানা গেছে, করেরহাট ইউনিয়নের মোল্লারঘাট, অলিনগর থেকে লিচুতলা বাজার এবং পূর্ব অলিনগর এলাকায় সিন্ডিকেট করে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সেখানে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। এ সময় নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে পল্টুনে স্থাপিত ৮টি এবং নদীর পাড়ে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা আরও ৬টি শ্যালো মেশিন জব্দ করে ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়। এছাড়া বালু পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ পাইপ, পল্টুন ও ভাসমান ড্রামসহ বিভিন্ন অবকাঠামো বিনষ্ট করা হয়।
​অভিযানের নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আলাউদ্দিন কাদের। তাকে সহযোগিতা করেন করেরহাট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এবং জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের একটি চৌকস দল।
​অভিযান প্রসঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলাউদ্দিন কাদের বলেন, “অভিযান চালানো এলাকাগুলো অত্যন্ত দুর্গম। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা আগেই পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে বালু তোলার পুরো সেটআপ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ফেনী নদীর পরিবেশ ও সরকারি সম্পদ রক্ষায় আমাদের এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”