ঢাকা ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

লেবাননের ভবিষ্যৎ নিয়ে ফ্রান্সের গভীর আগ্রহের কারণ কী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৩২:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • ৫১ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত ১৬ এপ্রিল ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে বৈরিতা অবসানের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও, লেবাননে দৈনিক হামলা ও সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। চলমান এই সংঘাতে এ পর্যন্ত তিন হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন ১০ লক্ষাধিক বাসিন্দা।

মধ্যপ্রাচ্যের এই চরম সংকটময় পরিস্থিতিতে লেবাননের রাজনীতি ও কূটনীতিতে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে ফ্রান্স।

সম্প্রতি বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে ইসরাইলের সম্ভাব্য বিমান হামলা ঠেকাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের পর, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ তার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। বিশ্লেষকদের মতে, ম্যাক্রোঁর এই কূটনৈতিক তৎপরতা প্রমাণ করে যে প্যারিস এখনো লেবাননের সংকট সমাধানে এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টা গঠনে একটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে চায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লেবাননে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক আধিপত্য বা অতিরিক্ত প্রভাব বিস্তার নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন ফ্রান্স। মূলত নিজেদের পুরোনো ঔপনিবেশিক ঐতিহ্য ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে লেবাননকে একটি কৌশলগত ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করে প্যারিস। এখন লেবাননে আমেরিকার ক্রমবর্ধমান প্রভাবের কারণে ফ্রান্স সেখানে নিজেদের অবস্থান পুনর্প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।

বর্তমানে লেবাননে নিযুক্ত জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন বাহিনীর (ইউনিফিল) ভবিষ্যৎ যখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে, তখন স্বাভাবিকভাবেই ওই অঞ্চলে ফ্রান্সের প্রভাব দিন দিন কমছে। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের ঐতিহাসিক ও কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে এবং প্রভাবের অবক্ষয় রোধ করতে ফ্রান্স এখন নতুন কোনো উপায়ের সন্ধান করছে, যার ফলেই লেবাননের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্যারিসের এই গভীর আগ্রহ ও তৎপরতা।

সূত্র: আল-জাজিরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

লেবাননের ভবিষ্যৎ নিয়ে ফ্রান্সের গভীর আগ্রহের কারণ কী

আপডেট সময় ০২:৩২:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত ১৬ এপ্রিল ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে বৈরিতা অবসানের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও, লেবাননে দৈনিক হামলা ও সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। চলমান এই সংঘাতে এ পর্যন্ত তিন হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন ১০ লক্ষাধিক বাসিন্দা।

মধ্যপ্রাচ্যের এই চরম সংকটময় পরিস্থিতিতে লেবাননের রাজনীতি ও কূটনীতিতে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে ফ্রান্স।

সম্প্রতি বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে ইসরাইলের সম্ভাব্য বিমান হামলা ঠেকাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের পর, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ তার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। বিশ্লেষকদের মতে, ম্যাক্রোঁর এই কূটনৈতিক তৎপরতা প্রমাণ করে যে প্যারিস এখনো লেবাননের সংকট সমাধানে এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টা গঠনে একটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে চায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লেবাননে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক আধিপত্য বা অতিরিক্ত প্রভাব বিস্তার নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন ফ্রান্স। মূলত নিজেদের পুরোনো ঔপনিবেশিক ঐতিহ্য ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে লেবাননকে একটি কৌশলগত ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করে প্যারিস। এখন লেবাননে আমেরিকার ক্রমবর্ধমান প্রভাবের কারণে ফ্রান্স সেখানে নিজেদের অবস্থান পুনর্প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।

বর্তমানে লেবাননে নিযুক্ত জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন বাহিনীর (ইউনিফিল) ভবিষ্যৎ যখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে, তখন স্বাভাবিকভাবেই ওই অঞ্চলে ফ্রান্সের প্রভাব দিন দিন কমছে। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের ঐতিহাসিক ও কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে এবং প্রভাবের অবক্ষয় রোধ করতে ফ্রান্স এখন নতুন কোনো উপায়ের সন্ধান করছে, যার ফলেই লেবাননের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্যারিসের এই গভীর আগ্রহ ও তৎপরতা।

সূত্র: আল-জাজিরা।