বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন বলেছেন, দেশে সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বলে কিছু নেই—সবাই বাংলাদেশি। ভাষা, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির দিক থেকে আমরা এক ও অভিন্ন। রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক সব ক্ষেত্রে সমান অধিকার ভোগ করবে। বিএনপি কোনো ধরনের সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘু বিভাজনে বিশ্বাস করে না এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর।
তিনি বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় থাকে, তখন সব ধর্মের মানুষ নির্বিঘ্নে নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারে। অতীতে বিভিন্ন সময়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনায় হামলা ও বাধা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
বৃহস্পতিবার (১৮জুন) রাতে দাউদকান্দি উপজেলা সদরে সাহাপাড়ায় শ্রী শ্রী গোপীনাথ জিউর আখড়া কেন্দ্রীয় মন্দিরে ব্রহ্মা পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বী পূজারী ও বিএনপি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
ড. খন্দকার মারুফ আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল। তিনি মসজিদ, মন্দির ও গির্জার ধর্মীয় নেতাদের জন্য মাসিক সম্মানী ভাতার ব্যবস্থা করেছেন এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়নে পর্যাপ্ত অনুদান বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।
তিনি দাবি করেন, বিগত সরকারের সময়ে দেশে অর্থনীতি ও গণতন্ত্রসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্ষতি হয়েছে। বর্তমান সময়ে তারেক রহমান উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন এবং কৃষক ও সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন, যা জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্বল্প সময়ের মধ্যেই ‘খাল খনন কর্মসূচি’, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও হেলথ কার্ড বিতরণ কর্মসূচি চালু এবং কৃষিঋণ মওকুফসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আগামী দিনে নিরাপদ, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক আদর্শে সবাইকে সামিল হওয়ার আহ্বান জানান।
মন্দির কমিটির সভাপতি অশোক সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দাউদকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম. এ. বারী, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পিটার চৌধুরী, বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কমিশনার ও মাহবুব হোসেন হিরণ, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক শরীফ চৌধুরী, দাউদকান্দি উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মো. রোমান খন্দকার এবং জাসাস নেতা মধু সরকার প্রমুখ।

নিজস্ব সংবাদ : 























