ঢাকা ১২:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

মানবপাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে: ডিসি ফরিদা খানম

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:২০:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেছেন, মানবপাচার শুধু একটি অপরাধ নয়, এটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ভয়াবহ রূপ এবং সমাজের নিরাপত্তা ও মানবিক মূল্যবোধের জন্য একটি গুরুতর হুমকি।

তিনি বলেন, মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে সরকার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম ও সাধারণ জনগণকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

সোমবার (১৫ জুন) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে জেলা পর্যায়ের কর্মশালা’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফরিদা খানম বলেন, উন্নত জীবনের আশায় অনেক মানুষ দালাল চক্রের প্রলোভনে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ পথে বিদেশ গমনের চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে সমুদ্রপথে অনিয়মিত অভিবাসনের প্রবণতা উদ্বেগজনক। এতে অনেকেই জীবন হারাচ্ছেন, নিখোঁজ হচ্ছেন কিংবা বিদেশে গিয়ে শোষণ ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও বৈধ অভিবাসন মানুষের অধিকার হলেও অবৈধ অভিবাসন মানুষকে চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেয়। তাই মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়া এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, মানবপাচার প্রতিরোধ কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব নয়। এ জন্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় নেতা এবং গণমাধ্যমসহ সব অংশীজনের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে নিরাপদ অভিবাসন সম্পর্কে সচেতন করতে হবে এবং দালাল চক্রের অপতৎপরতা সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

ফরিদা খানম বলেন, মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে সরকার বিভিন্ন আইন, নীতি ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তবে এসব উদ্যোগের কার্যকর বাস্তবায়নে স্থানীয় পর্যায়ে আরও সমন্বিত কার্যক্রম, তথ্য বিনিময় এবং জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের অভিজ্ঞতা, মতামত ও সুপারিশ মানবপাচার প্রতিরোধে কার্যকর করণীয় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

মানবপাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে: ডিসি ফরিদা খানম

আপডেট সময় ০১:২০:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেছেন, মানবপাচার শুধু একটি অপরাধ নয়, এটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ভয়াবহ রূপ এবং সমাজের নিরাপত্তা ও মানবিক মূল্যবোধের জন্য একটি গুরুতর হুমকি।

তিনি বলেন, মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে সরকার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম ও সাধারণ জনগণকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

সোমবার (১৫ জুন) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে জেলা পর্যায়ের কর্মশালা’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফরিদা খানম বলেন, উন্নত জীবনের আশায় অনেক মানুষ দালাল চক্রের প্রলোভনে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ পথে বিদেশ গমনের চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে সমুদ্রপথে অনিয়মিত অভিবাসনের প্রবণতা উদ্বেগজনক। এতে অনেকেই জীবন হারাচ্ছেন, নিখোঁজ হচ্ছেন কিংবা বিদেশে গিয়ে শোষণ ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও বৈধ অভিবাসন মানুষের অধিকার হলেও অবৈধ অভিবাসন মানুষকে চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেয়। তাই মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়া এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, মানবপাচার প্রতিরোধ কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব নয়। এ জন্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় নেতা এবং গণমাধ্যমসহ সব অংশীজনের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে নিরাপদ অভিবাসন সম্পর্কে সচেতন করতে হবে এবং দালাল চক্রের অপতৎপরতা সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

ফরিদা খানম বলেন, মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে সরকার বিভিন্ন আইন, নীতি ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তবে এসব উদ্যোগের কার্যকর বাস্তবায়নে স্থানীয় পর্যায়ে আরও সমন্বিত কার্যক্রম, তথ্য বিনিময় এবং জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের অভিজ্ঞতা, মতামত ও সুপারিশ মানবপাচার প্রতিরোধে কার্যকর করণীয় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।