ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের Logo আগস্টে সারা দেশে শোডাউনের চিন্তা আ.লীগের, ২ ডজন কমিটি গঠন Logo ইরানে হিজাববিহীন গান গাওয়ার অপরাধে গায়িকাকে ৭৪ দোররা মারার নির্দেশ Logo মেসির বাবার মৃত্যুর খবর প্রচার করে চাকরি হারালেন উপস্থাপিকাসহ পুরো টিম Logo ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১০ Logo ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ চেয়ে নিজেই হার মানলেন ট্রাম্প Logo জোট ছাড়াই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি এনসিপির Logo জামায়াত এমপি শাহজাহান চৌধুরীকে গুলির পরিকল্পনা, পিএসের কলরেকর্ড ফাঁস

চট্টগ্রাম মিরসরাইয়ে ফেনী নদীতে টাস্কফোর্সের হানা: ১৪ বালু তোলার মেশিন ও ৫ হাজার ফুট পাইপ ধ্বংস।

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৪৩:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

জাহাঙ্গীর আলম বিশেষ প্রতিনিধি।

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের করেরহাটে ফেনী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার (৩০ মে) দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় টানা চার ঘণ্টার এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ১৪টি শ্যালো মেশিন ও প্রায় ৫ হাজার ফুট সরবরাহ পাইপ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
​আদালত সূত্রে জানা গেছে, করেরহাট ইউনিয়নের মোল্লারঘাট, অলিনগর থেকে লিচুতলা বাজার এবং পূর্ব অলিনগর এলাকায় সিন্ডিকেট করে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সেখানে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। এ সময় নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে পল্টুনে স্থাপিত ৮টি এবং নদীর পাড়ে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা আরও ৬টি শ্যালো মেশিন জব্দ করে ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়। এছাড়া বালু পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ পাইপ, পল্টুন ও ভাসমান ড্রামসহ বিভিন্ন অবকাঠামো বিনষ্ট করা হয়।
​অভিযানের নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আলাউদ্দিন কাদের। তাকে সহযোগিতা করেন করেরহাট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এবং জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের একটি চৌকস দল।
​অভিযান প্রসঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলাউদ্দিন কাদের বলেন, “অভিযান চালানো এলাকাগুলো অত্যন্ত দুর্গম। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা আগেই পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে বালু তোলার পুরো সেটআপ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ফেনী নদীর পরিবেশ ও সরকারি সম্পদ রক্ষায় আমাদের এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ

চট্টগ্রাম মিরসরাইয়ে ফেনী নদীতে টাস্কফোর্সের হানা: ১৪ বালু তোলার মেশিন ও ৫ হাজার ফুট পাইপ ধ্বংস।

আপডেট সময় ১০:৪৩:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

জাহাঙ্গীর আলম বিশেষ প্রতিনিধি।

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের করেরহাটে ফেনী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার (৩০ মে) দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় টানা চার ঘণ্টার এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ১৪টি শ্যালো মেশিন ও প্রায় ৫ হাজার ফুট সরবরাহ পাইপ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
​আদালত সূত্রে জানা গেছে, করেরহাট ইউনিয়নের মোল্লারঘাট, অলিনগর থেকে লিচুতলা বাজার এবং পূর্ব অলিনগর এলাকায় সিন্ডিকেট করে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সেখানে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। এ সময় নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে পল্টুনে স্থাপিত ৮টি এবং নদীর পাড়ে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা আরও ৬টি শ্যালো মেশিন জব্দ করে ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়। এছাড়া বালু পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ পাইপ, পল্টুন ও ভাসমান ড্রামসহ বিভিন্ন অবকাঠামো বিনষ্ট করা হয়।
​অভিযানের নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আলাউদ্দিন কাদের। তাকে সহযোগিতা করেন করেরহাট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এবং জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের একটি চৌকস দল।
​অভিযান প্রসঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলাউদ্দিন কাদের বলেন, “অভিযান চালানো এলাকাগুলো অত্যন্ত দুর্গম। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা আগেই পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে বালু তোলার পুরো সেটআপ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ফেনী নদীর পরিবেশ ও সরকারি সম্পদ রক্ষায় আমাদের এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”