ঢাকা ০৩:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের Logo আগস্টে সারা দেশে শোডাউনের চিন্তা আ.লীগের, ২ ডজন কমিটি গঠন Logo ইরানে হিজাববিহীন গান গাওয়ার অপরাধে গায়িকাকে ৭৪ দোররা মারার নির্দেশ Logo মেসির বাবার মৃত্যুর খবর প্রচার করে চাকরি হারালেন উপস্থাপিকাসহ পুরো টিম Logo ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১০ Logo ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ চেয়ে নিজেই হার মানলেন ট্রাম্প Logo জোট ছাড়াই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি এনসিপির Logo জামায়াত এমপি শাহজাহান চৌধুরীকে গুলির পরিকল্পনা, পিএসের কলরেকর্ড ফাঁস

ইরানে হিজাববিহীন গান গাওয়ার অপরাধে গায়িকাকে ৭৪ দোররা মারার নির্দেশ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:১২:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
২০২৪ সালে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে লাইভস্ট্রিম করা একটি কনসার্টে অংশ নেওয়ার অপরাধে ইরানি সংগীতশিল্পী পারাস্তু আহমাদি এবং সংগীতজ্ঞসহ তার প্রযোজনা দলের আট সদস্যকে ৭৪টি করে দোররা (চাবুক) মারার সাজা দেওয়া হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। খবর গার্ডিয়ানের।

আদালতের নথি অনুযায়ী, কোয়ম প্রদেশের একটি ফৌজদারি আদালত এই শিল্পীদের দোররা মারার পাশাপাশি দুই বছরের জন্য দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা এবং দুই বছরের জন্য যেকোনো ধরনের শৈল্পিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

ইন্টারনেট দুনিয়ায় ‘অশ্লীল ও অনৈতিক কনটেন্ট’ তৈরি এবং প্রকাশের মাধ্যমে জনশৃঙ্খলা ও শালীনতা ভঙ্গ করার অভিযোগে তাদের এই সাজা দেওয়া হয়।

যদিও ইরানের সরকারি বিচার বিভাগীয় সংবাদ সংস্থা এখনো এই রায় প্রকাশ করেনি, তবে অধিকারকর্মী ও আইনজীবীরা—যারা এই নথিগুলো পর্যালোচনা করেছেন—জানিয়েছেন যে, সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়া শিল্পীদের গ্রেফতার এবং আইনি প্রক্রিয়ার এই ধরনটি মূলত সাংস্কৃতিক ভিন্নমতকে দমন করার একটি বিস্তৃত প্রচেষ্টার অংশ।

হিজাব ছাড়া দেশাত্মবোধক গান গেয়ে ভাইরাল

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে, ২৯ বছর বয়সি এই গায়িকা হিজাব ছাড়া একটি লাইভ পারফরম্যান্সে অংশ নিয়েছিলেন। সেখানে তিনি ‘আজ খুনে জাভানানে ভাতান’ (স্বদেশের যুবকদের রক্ত থেকে) নামক একটি দেশাত্মবোধক গান গেয়েছিলেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়।

ভিডিওটি প্রকাশের পরপরই তাকে এবং তার সঙ্গে থাকা বেশ কয়েকজন সংগীতশিল্পীকে কিছু সময়ের জন্য আটক করা হয়েছিল, যদিও পরে তারা মুক্তি পান। তবে পরবর্তীতে কর্তৃপক্ষ ভিডিওটি প্রকাশের অপরাধে একটি আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করে। ইউটিউবে ইতোমধ্যে ভিডিওটি লাখ লাখ বার দেখা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ‘সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস ইন ইরান’-এর অ্যাডভোকেসি ডিরেক্টর বাহার ঘান্দেহারি বলেন, ‘শুধুমাত্র গান গাওয়া এবং হিজাব ছাড়া উপস্থিত হওয়ার জন্য পারাস্তুকে ৭৪টি দোররা মারার এই শাস্তি একটি নির্মম অনুস্মারক। এটি প্রমাণ করে যে, বিশ্বমঞ্চে নিজেদের ভাবমূর্তি উন্নত করার জন্য ইরানি কর্তৃপক্ষের নানামুখী যুদ্ধকালীন প্রচারণা সত্ত্বেও দেশটির মানবাধিকার পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি।’

তিনি আরও যোগ করেন, ইরানের সরকারি প্রচারণার ছবি এবং বাস্তব জীবনে শিল্পীদের ওপর এই নির্যাতনের ঘটনাটি মূলত শাসনব্যবস্থার ‘প্রচারণা এবং বাস্তবতার মধ্যকার বিশাল ব্যবধানকে’ মুখোশহীন করে দেয়।

ইরানি অ্যাক্টিভিস্টদের আইনি পরামর্শ প্রদানকারী সংস্থা ‘দাদবান’-এর একজন মানবাধিকার আইনজীবী মইন খাজায়েলি বলেন, এই রায়ের কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘ইরানের ফৌজদারি আইনে নারীদের গান গাওয়া, সংগীত পরিবেশন করা এবং সংগীত তৈরি বা প্রচার করাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়নি। ফলে, এই ধরনের কর্মকাণ্ডকে কোনোভাবেই ‘অশ্লীল কনটেন্ট তৈরি, বিতরণ বা প্রকাশ’ হিসেবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ নেই।’

তিনি আরও বলেন, শিল্পীদের ওপর এই চাবুক মারার নির্দেশ কেবল অভ্যন্তরীণ ফৌজদারি আইনের বিষয় নয়, এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনেরও লঙ্ঘন। কারণ বহু মানবাধিকার সংস্থা দোররা মারাকে বৈধ শাস্তি হিসেবে দেখে না, বরং একে নির্যাতন এবং অমানবিক আচরণ হিসেবে গণ্য করে।

ইরানি শিল্পীদের জন্য এই রায়টি অপ্রত্যাশিত না হলেও, এটি দেশটির ভেতর সাংস্কৃতিক দমন-পীড়ন আরও বৃদ্ধির আশঙ্কাকে গভীর করেছে।

ইরানি-ব্রিটিশ অভিনেতা নাজানিন বোনিয়াদি বলেন, ‘হিজাব ছাড়া প্রকাশ্যে গান গাওয়ার মতো একটি সাধারণ কাজের জন্য পারাস্তু আহমাদিকে দোররা মারার এই সাজা একটি কঠোর বার্তা। ওয়াশিংটনে ইরানের ‘নতুন শাসনব্যবস্থা’ নিয়ে যতই আলোচনা হোক না কেন, ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের নিপীড়নমূলক ব্যবস্থা আসলে অপরিবর্তিতই রয়ে গেছে।’

অন্যদিকে, ইরানি অভিনেতা সেতারেহ মালেকি (যিনি মোহাম্মদ রাসুলফের অস্কার-মনোনীত চলচ্চিত্র ‘দ্য সিড অব দ্য স্যাক্রেড ফিগ’-এ অভিনয়ের পর নির্বাসনে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন) জানান, এই পারফরম্যান্সটি তার মনে এক গভীর আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

তিনি দ্য গার্ডিয়ানকে বলেন, ‘যখন আমি পারাস্তু আহমাদির কনসার্টের ভিডিওটি দেখেছিলাম, এটি আমার মধ্যে প্রতিরোধের চেতনাকে আবার জাগিয়ে তুলেছিল। আমি দিনের পর দিন বারবার ভিডিওটি দেখতাম এবং পারাস্তুর জন্য ভীষণ গর্ববোধ করতাম।’

মালেকি আরও যোগ করেন, ‘ভবিষ্যতে কী ধরনের পরিণতি হতে পারে তা জানা সত্ত্বেও, একজন নারী হিসেবে বেঁচে থাকার, গান গাওয়ার এবং নিজের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার অধিকার ছাড়তে তিনি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। ইরানি নারীরা অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই কখনো বন্ধ করে না, একটি মুহূর্তের জন্যও নয়—এবং এটি সত্যিই অসাধারণ।’

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ

ইরানে হিজাববিহীন গান গাওয়ার অপরাধে গায়িকাকে ৭৪ দোররা মারার নির্দেশ

আপডেট সময় ০২:১২:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
২০২৪ সালে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে লাইভস্ট্রিম করা একটি কনসার্টে অংশ নেওয়ার অপরাধে ইরানি সংগীতশিল্পী পারাস্তু আহমাদি এবং সংগীতজ্ঞসহ তার প্রযোজনা দলের আট সদস্যকে ৭৪টি করে দোররা (চাবুক) মারার সাজা দেওয়া হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। খবর গার্ডিয়ানের।

আদালতের নথি অনুযায়ী, কোয়ম প্রদেশের একটি ফৌজদারি আদালত এই শিল্পীদের দোররা মারার পাশাপাশি দুই বছরের জন্য দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা এবং দুই বছরের জন্য যেকোনো ধরনের শৈল্পিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

ইন্টারনেট দুনিয়ায় ‘অশ্লীল ও অনৈতিক কনটেন্ট’ তৈরি এবং প্রকাশের মাধ্যমে জনশৃঙ্খলা ও শালীনতা ভঙ্গ করার অভিযোগে তাদের এই সাজা দেওয়া হয়।

যদিও ইরানের সরকারি বিচার বিভাগীয় সংবাদ সংস্থা এখনো এই রায় প্রকাশ করেনি, তবে অধিকারকর্মী ও আইনজীবীরা—যারা এই নথিগুলো পর্যালোচনা করেছেন—জানিয়েছেন যে, সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়া শিল্পীদের গ্রেফতার এবং আইনি প্রক্রিয়ার এই ধরনটি মূলত সাংস্কৃতিক ভিন্নমতকে দমন করার একটি বিস্তৃত প্রচেষ্টার অংশ।

হিজাব ছাড়া দেশাত্মবোধক গান গেয়ে ভাইরাল

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে, ২৯ বছর বয়সি এই গায়িকা হিজাব ছাড়া একটি লাইভ পারফরম্যান্সে অংশ নিয়েছিলেন। সেখানে তিনি ‘আজ খুনে জাভানানে ভাতান’ (স্বদেশের যুবকদের রক্ত থেকে) নামক একটি দেশাত্মবোধক গান গেয়েছিলেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়।

ভিডিওটি প্রকাশের পরপরই তাকে এবং তার সঙ্গে থাকা বেশ কয়েকজন সংগীতশিল্পীকে কিছু সময়ের জন্য আটক করা হয়েছিল, যদিও পরে তারা মুক্তি পান। তবে পরবর্তীতে কর্তৃপক্ষ ভিডিওটি প্রকাশের অপরাধে একটি আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করে। ইউটিউবে ইতোমধ্যে ভিডিওটি লাখ লাখ বার দেখা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ‘সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস ইন ইরান’-এর অ্যাডভোকেসি ডিরেক্টর বাহার ঘান্দেহারি বলেন, ‘শুধুমাত্র গান গাওয়া এবং হিজাব ছাড়া উপস্থিত হওয়ার জন্য পারাস্তুকে ৭৪টি দোররা মারার এই শাস্তি একটি নির্মম অনুস্মারক। এটি প্রমাণ করে যে, বিশ্বমঞ্চে নিজেদের ভাবমূর্তি উন্নত করার জন্য ইরানি কর্তৃপক্ষের নানামুখী যুদ্ধকালীন প্রচারণা সত্ত্বেও দেশটির মানবাধিকার পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি।’

তিনি আরও যোগ করেন, ইরানের সরকারি প্রচারণার ছবি এবং বাস্তব জীবনে শিল্পীদের ওপর এই নির্যাতনের ঘটনাটি মূলত শাসনব্যবস্থার ‘প্রচারণা এবং বাস্তবতার মধ্যকার বিশাল ব্যবধানকে’ মুখোশহীন করে দেয়।

ইরানি অ্যাক্টিভিস্টদের আইনি পরামর্শ প্রদানকারী সংস্থা ‘দাদবান’-এর একজন মানবাধিকার আইনজীবী মইন খাজায়েলি বলেন, এই রায়ের কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘ইরানের ফৌজদারি আইনে নারীদের গান গাওয়া, সংগীত পরিবেশন করা এবং সংগীত তৈরি বা প্রচার করাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়নি। ফলে, এই ধরনের কর্মকাণ্ডকে কোনোভাবেই ‘অশ্লীল কনটেন্ট তৈরি, বিতরণ বা প্রকাশ’ হিসেবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ নেই।’

তিনি আরও বলেন, শিল্পীদের ওপর এই চাবুক মারার নির্দেশ কেবল অভ্যন্তরীণ ফৌজদারি আইনের বিষয় নয়, এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনেরও লঙ্ঘন। কারণ বহু মানবাধিকার সংস্থা দোররা মারাকে বৈধ শাস্তি হিসেবে দেখে না, বরং একে নির্যাতন এবং অমানবিক আচরণ হিসেবে গণ্য করে।

ইরানি শিল্পীদের জন্য এই রায়টি অপ্রত্যাশিত না হলেও, এটি দেশটির ভেতর সাংস্কৃতিক দমন-পীড়ন আরও বৃদ্ধির আশঙ্কাকে গভীর করেছে।

ইরানি-ব্রিটিশ অভিনেতা নাজানিন বোনিয়াদি বলেন, ‘হিজাব ছাড়া প্রকাশ্যে গান গাওয়ার মতো একটি সাধারণ কাজের জন্য পারাস্তু আহমাদিকে দোররা মারার এই সাজা একটি কঠোর বার্তা। ওয়াশিংটনে ইরানের ‘নতুন শাসনব্যবস্থা’ নিয়ে যতই আলোচনা হোক না কেন, ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের নিপীড়নমূলক ব্যবস্থা আসলে অপরিবর্তিতই রয়ে গেছে।’

অন্যদিকে, ইরানি অভিনেতা সেতারেহ মালেকি (যিনি মোহাম্মদ রাসুলফের অস্কার-মনোনীত চলচ্চিত্র ‘দ্য সিড অব দ্য স্যাক্রেড ফিগ’-এ অভিনয়ের পর নির্বাসনে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন) জানান, এই পারফরম্যান্সটি তার মনে এক গভীর আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

তিনি দ্য গার্ডিয়ানকে বলেন, ‘যখন আমি পারাস্তু আহমাদির কনসার্টের ভিডিওটি দেখেছিলাম, এটি আমার মধ্যে প্রতিরোধের চেতনাকে আবার জাগিয়ে তুলেছিল। আমি দিনের পর দিন বারবার ভিডিওটি দেখতাম এবং পারাস্তুর জন্য ভীষণ গর্ববোধ করতাম।’

মালেকি আরও যোগ করেন, ‘ভবিষ্যতে কী ধরনের পরিণতি হতে পারে তা জানা সত্ত্বেও, একজন নারী হিসেবে বেঁচে থাকার, গান গাওয়ার এবং নিজের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার অধিকার ছাড়তে তিনি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। ইরানি নারীরা অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই কখনো বন্ধ করে না, একটি মুহূর্তের জন্যও নয়—এবং এটি সত্যিই অসাধারণ।’

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান