চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট ও আমদানি নিষিদ্ধ বিউটি ক্রিম জব্দ করা হয়েছে। আবুধাবি থেকে আসা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট থেকে গতকাল শুক্রবার (১২ জুন) সকালে এসব অবৈধ পণ্য উদ্ধার করেন দায়িত্বরত কর্মকর্তারা।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার তিন যাত্রীকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
বিমানবন্দর ও কাস্টমস সূত্র জানায়, শুক্রবার সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে আবুধাবি থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস-৩৫০ ফ্লাইটটি শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণ করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস, কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ দল বিমানবন্দরে নজরদারি বাড়ায়। পরে ওই ফ্লাইটের তিন যাত্রীর লাগেজ তল্লাশি করে ৬৪৭ কার্টন বিদেশি সিগারেট এবং ২৪০ পিস আমদানি নিষিদ্ধ বিউটি ক্রিম উদ্ধার করা হয়।
পণ্য চোরাচালানে জড়িত ওই তিন যাত্রী হলেন— চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার আবুল কালাম, বাঁশখালীর হাসান মিয়া এবং রাউজানের মোহাম্মদ হাসান।
কাস্টমস কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, জব্দ করা ৬৪৭ কার্টন সিগারেট থেকে সরকারের প্রায় ১২ লাখ ৯৪ হাজার টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। উদ্ধারকৃত মালামাল বিভাগীয় স্মারক (ডিএম) মূল্যে জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
শুক্রবার রাতে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন:
“আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য দেশে প্রবেশ রোধ এবং রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে চালানো যেকোনো চোরাচালান প্রতিরোধে বিমানবন্দরে সমন্বিত নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম ঠেকাতে আমাদের অভিযান ও কঠোর তদারকি আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।”
এ বিষয়ে কাস্টমস আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
জাহাঙ্গীর আলম,প্রতিনিধি

নিজস্ব সংবাদ : 


























