ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জুলাই সনদকে দলীয় ইশতেহারে রূপ দিয়ে বিএনপি কলুষিত করেছে: নাহিদ ইসলাম Logo অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্সি হলো একটি বিপজ্জনক পেশা: ট্রাম্প Logo অ্যামেরিকায় চার বছরের মধ্যে জ্বালানির দাম সর্বোচ্চ Logo ‘খুব দ্রুতই আমরা এমন এক অস্ত্র দেখাবো, যা শত্রুরা সবচেয়ে বেশি ভয় পায়’ Logo ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও ইলেকট্রিক বাসে সাজবে রাজধানী Logo গুপ্ত হত্যার রাজনীতি থেকে বের হতে পারেনি জামায়াত-শিবির: বুলু Logo ‘তোমরা কেমন আছো, পড়ালেখা করছো তো?’: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী Logo ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় কত, জানাল পেন্টাগন Logo পটুয়াখালীতে বজ্রাঘাতে ৪ জনের মৃত্যু, প্রাণ গেল অন্তত ২৯ গরুর Logo রীতি মেনে পেছনের আসনে বসলেন প্রধানমন্ত্রী

শিবির কর্মীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:১৩:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় সাহাবুল ইসলাম (২৮) নামে এক শিবির কর্মী আহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে উপজেলার হাটশেরপুর ইউনিয়নের হাসনাপাড়া গ্রামে তাকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। পরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বগুড়া-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭১ হাজার ৪৪০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. শাহাবুদ্দিন পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৯৫৯ ভোট। নির্বাচনে সাহাবুল ইসলাম দলের প্রার্থী শাহাবুদ্দিনের ভোট করেছেন।

আহত সাহাবুল ইসলাম হাটশেরপুর ইউনিয়নের নিজবলাইল গ্রামের হাফিজ প্রামাণিকের ছেলে। ভোটকেন্দ্রে ধানের শীষের কর্মীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার জেরে তাকে পেটানো হয়েছে বলে দাবি জামায়াতের।

স্বজনরা জানিয়েছেন, জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. শাহাবুদ্দিনের পক্ষে কাজ করেন সাহাবুল। এ নিয়ে আগে থেকেই তার সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল প্রতিপক্ষ ধানের শীষের কর্মী-সমর্থকদের। গত ১০ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষের কর্মীরা সাহাবুলের ওপর হামলা চালিয়ে মানিব্যাগ ও কিছু জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেন। এ ব্যাপারে সারিয়াকান্দি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তিনি। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট কেন্দ্রে স্লিপ বিতরণের সময় সাহাবুলের সঙ্গে ধানের শীষের কর্মীদের বাগবিতণ্ডা হয়। এরপর থেকে সাহাবুল আত্মগোপনে ছিলেন। শুক্রবার হাসনাপাড়া গ্রামে খালার বাড়িতে বেড়াতে যান। সন্ধ্যার দিকে বাঁধের ওপর একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় ধানের শীষের লোকজন তার ওপর হামলা চালান।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানিয়েছেন, নিজবলাইল গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে সৌমিক (১৮), মৃত জাহিদুল ইসলামের ছেলে সোহাগের (২২) নেতৃত্বে বিএনপির ৮-১০ জন কর্মী রড দিয়ে তাকে পেটালে মাথা ফেটে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সারিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে শনিবার সকালে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারিয়াকান্দি উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি কাজী জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনের দিন বেশ কিছু কেন্দ্রে আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা করেছেন বিএনপির কর্মীরা। শিবির কর্মী সাহাবুলের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সেইসঙ্গে হামলাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানাই।’

তবে হামলার কথা অস্বীকার করে হাটশেরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীন রেজা বলেন, ‘সাহাবুলের ওপর হামলাকারীরা বিএনপির কেউ নয়। তাদের দলীয় সংশ্লিষ্টতা পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ফ ম আসাদুজ্জামান বলেন, ‘শিবির কর্মীর ওপর হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হলেও শনিবার বিকাল পর্যন্ত কেউ থানায় আসেননি। মামলা হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

জুলাই সনদকে দলীয় ইশতেহারে রূপ দিয়ে বিএনপি কলুষিত করেছে: নাহিদ ইসলাম

শিবির কর্মীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে

আপডেট সময় ০৭:১৩:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় সাহাবুল ইসলাম (২৮) নামে এক শিবির কর্মী আহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে উপজেলার হাটশেরপুর ইউনিয়নের হাসনাপাড়া গ্রামে তাকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। পরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বগুড়া-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭১ হাজার ৪৪০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. শাহাবুদ্দিন পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৯৫৯ ভোট। নির্বাচনে সাহাবুল ইসলাম দলের প্রার্থী শাহাবুদ্দিনের ভোট করেছেন।

আহত সাহাবুল ইসলাম হাটশেরপুর ইউনিয়নের নিজবলাইল গ্রামের হাফিজ প্রামাণিকের ছেলে। ভোটকেন্দ্রে ধানের শীষের কর্মীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার জেরে তাকে পেটানো হয়েছে বলে দাবি জামায়াতের।

স্বজনরা জানিয়েছেন, জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. শাহাবুদ্দিনের পক্ষে কাজ করেন সাহাবুল। এ নিয়ে আগে থেকেই তার সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল প্রতিপক্ষ ধানের শীষের কর্মী-সমর্থকদের। গত ১০ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষের কর্মীরা সাহাবুলের ওপর হামলা চালিয়ে মানিব্যাগ ও কিছু জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেন। এ ব্যাপারে সারিয়াকান্দি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তিনি। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট কেন্দ্রে স্লিপ বিতরণের সময় সাহাবুলের সঙ্গে ধানের শীষের কর্মীদের বাগবিতণ্ডা হয়। এরপর থেকে সাহাবুল আত্মগোপনে ছিলেন। শুক্রবার হাসনাপাড়া গ্রামে খালার বাড়িতে বেড়াতে যান। সন্ধ্যার দিকে বাঁধের ওপর একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় ধানের শীষের লোকজন তার ওপর হামলা চালান।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানিয়েছেন, নিজবলাইল গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে সৌমিক (১৮), মৃত জাহিদুল ইসলামের ছেলে সোহাগের (২২) নেতৃত্বে বিএনপির ৮-১০ জন কর্মী রড দিয়ে তাকে পেটালে মাথা ফেটে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সারিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে শনিবার সকালে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারিয়াকান্দি উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি কাজী জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনের দিন বেশ কিছু কেন্দ্রে আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা করেছেন বিএনপির কর্মীরা। শিবির কর্মী সাহাবুলের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সেইসঙ্গে হামলাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানাই।’

তবে হামলার কথা অস্বীকার করে হাটশেরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীন রেজা বলেন, ‘সাহাবুলের ওপর হামলাকারীরা বিএনপির কেউ নয়। তাদের দলীয় সংশ্লিষ্টতা পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ফ ম আসাদুজ্জামান বলেন, ‘শিবির কর্মীর ওপর হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হলেও শনিবার বিকাল পর্যন্ত কেউ থানায় আসেননি। মামলা হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481