ঢাকা ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও ইলেকট্রিক বাসে সাজবে রাজধানী Logo গুপ্ত হত্যার রাজনীতি থেকে বের হতে পারেনি জামায়াত-শিবির: বুলু Logo ‘তোমরা কেমন আছো, পড়ালেখা করছো তো?’: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী Logo ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় কত, জানাল পেন্টাগন Logo পটুয়াখালীতে বজ্রাঘাতে ৪ জনের মৃত্যু, প্রাণ গেল অন্তত ২৯ গরুর Logo রীতি মেনে পেছনের আসনে বসলেন প্রধানমন্ত্রী Logo কালবৈশাখীর তাণ্ডব টেকনাফে— উপড়ে গেছে গাছ, কৃষিতে ব্যাপক ক্ষতি Logo সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী Logo অধিবেশন চলাকালে অসুস্থ হওয়া জামায়াত এমপি’র খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo বিএনপি কীভাবে মুক্তিযুদ্ধের দল হয়? প্রশ্ন জামায়াত নেতা আজহারের

‘তোমরা কেমন আছো, পড়ালেখা করছো তো?’: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:১৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

তোমরা কেমন আছো? ঠিকমতো লেখাপড়া করছো তো? মনে রাখবে, লেখাপড়া করতেই হবে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এমন মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এখন থেকে আর নকল বা কোনো অনৈতিক পথ চলবে না। সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে পড়াশোনার কোনো বিকল্প নেই।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

মিলন বলেন, সত্য কখনো গোপন থাকে না এবং ইতিহাসের বড় পাপগুলো কখনো মুছে যায় না।কিছু পাপ আছে যার কোনো ক্ষমা হয় না। উত্তর একটাই-পাপ কখনো মুছে যায় না। সত্য হলো, এই জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পাপের ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৭১ সালে। ৫৪ বছর পরেও জাতি তা ভুলে যায়নি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আজকের দিনে কিছু কিছু পাপের কথা উঠলেই কোথাও কোথাও বিশেষ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। আমরা দেখেছি কারো কারো শরীরে জ্বালা ধরে। কিন্তু কেউ কেউ শুনতে না চাইলেও আমরা কি পাপের কথা ভুলে যাব? চাইলে কি সব ভুলে যায়? আমরা সবাই জানি কিছু পাপ আছে যার কোন ক্ষমা হয় না। যদিও না ক্ষতিগ্রস্তরা ক্ষমা না করে দেন। যেটা আমাদের পবিত্র কোরআন শরীফেও রয়েছে। আমরা বাস্তবতায় অনেক সময় অনেক কিছু মেনে নেই, অপেক্ষা করি, হজম করি এবং কম্প্রোমাইজ করি। কিন্তু তাই বলে পাপ কি কখনো মুছে যায়? উত্তর একটাই। পাপ কখনো মুছে যায় না। সত্যটা হলো এই জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পাপের ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৭১ সালে। ৫৪ বছর পরেও জাতি তা ভুলে যায়নি।

তিনি বলেন, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি আজকের এই মহান সংসদে আমরা এসছি সুতরাং এই পাপের কথা আমরা ভুলে যাব না বরং প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম আমরা এই পাপের কথা বলেই যাব।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে অতীতের যেকোনো সংসদের চেয়ে এই সংসদ ইউনিক এবং এক্সক্লুসিভ। মহান জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদের রক্তদানের মধ্য দিয়ে জনগণের ভোটের প্রতিনিধিত্বকারী এই সংসদ সৃষ্টি হয়েছে। এটি দেশের অত্যন্ত উচ্চমূল্যের একটি পার্লামেন্ট। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং পরবর্তীতে দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া এ দেশে শিক্ষা ও নারী শিক্ষার বিপ্লব এনেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ব্যবস্থায় আধুনিকায়নের ঘোষণা দিয়েছেন। আমাদের পরিকল্পনা হলো—ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব (One Teacher One Tab), ফ্রি ওয়াইফাই এবং মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম নিশ্চিত করা।’

তিনি আরও জানান, বিনামূল্যে স্কুলের ড্রেস, স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের উপবৃত্তি, প্রাথমিক শিক্ষায় মিড-ডে মিল এবং বৈষম্য নিরসনে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। ১৯৯২ সালে বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে যেমন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষায় পরিবর্তন এসেছিল, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও সেই পথেই জাতিকে এগিয়ে নিচ্ছেন।

মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উদ্ধৃতি দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ২৫শে ডিসেম্বর যখন দেশে এসেছিলেন, তখন বলেছিলেন—ইয়েস উই হ্যাভ আ প্ল্যান (Yes, we have a plan)। আমরা অর্থনৈতিক দুর্দশা কাটিয়ে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করব। ঘৃণা ও বিভাজনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ব। আমাদের সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যেতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘পাপের কথা উঠলে কারো কারো শরীরে জ্বালা ধরে। কিন্তু সত্য লুকানো যায় না। একাত্তরে যে পাপ করা হয়েছে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম আমরা সেই পাপের কথা বলে যাব। সেই ইতিহাস ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও ইলেকট্রিক বাসে সাজবে রাজধানী

‘তোমরা কেমন আছো, পড়ালেখা করছো তো?’: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:১৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

তোমরা কেমন আছো? ঠিকমতো লেখাপড়া করছো তো? মনে রাখবে, লেখাপড়া করতেই হবে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এমন মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এখন থেকে আর নকল বা কোনো অনৈতিক পথ চলবে না। সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে পড়াশোনার কোনো বিকল্প নেই।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

মিলন বলেন, সত্য কখনো গোপন থাকে না এবং ইতিহাসের বড় পাপগুলো কখনো মুছে যায় না।কিছু পাপ আছে যার কোনো ক্ষমা হয় না। উত্তর একটাই-পাপ কখনো মুছে যায় না। সত্য হলো, এই জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পাপের ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৭১ সালে। ৫৪ বছর পরেও জাতি তা ভুলে যায়নি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আজকের দিনে কিছু কিছু পাপের কথা উঠলেই কোথাও কোথাও বিশেষ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। আমরা দেখেছি কারো কারো শরীরে জ্বালা ধরে। কিন্তু কেউ কেউ শুনতে না চাইলেও আমরা কি পাপের কথা ভুলে যাব? চাইলে কি সব ভুলে যায়? আমরা সবাই জানি কিছু পাপ আছে যার কোন ক্ষমা হয় না। যদিও না ক্ষতিগ্রস্তরা ক্ষমা না করে দেন। যেটা আমাদের পবিত্র কোরআন শরীফেও রয়েছে। আমরা বাস্তবতায় অনেক সময় অনেক কিছু মেনে নেই, অপেক্ষা করি, হজম করি এবং কম্প্রোমাইজ করি। কিন্তু তাই বলে পাপ কি কখনো মুছে যায়? উত্তর একটাই। পাপ কখনো মুছে যায় না। সত্যটা হলো এই জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পাপের ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৭১ সালে। ৫৪ বছর পরেও জাতি তা ভুলে যায়নি।

তিনি বলেন, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি আজকের এই মহান সংসদে আমরা এসছি সুতরাং এই পাপের কথা আমরা ভুলে যাব না বরং প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম আমরা এই পাপের কথা বলেই যাব।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে অতীতের যেকোনো সংসদের চেয়ে এই সংসদ ইউনিক এবং এক্সক্লুসিভ। মহান জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদের রক্তদানের মধ্য দিয়ে জনগণের ভোটের প্রতিনিধিত্বকারী এই সংসদ সৃষ্টি হয়েছে। এটি দেশের অত্যন্ত উচ্চমূল্যের একটি পার্লামেন্ট। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং পরবর্তীতে দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া এ দেশে শিক্ষা ও নারী শিক্ষার বিপ্লব এনেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ব্যবস্থায় আধুনিকায়নের ঘোষণা দিয়েছেন। আমাদের পরিকল্পনা হলো—ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব (One Teacher One Tab), ফ্রি ওয়াইফাই এবং মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম নিশ্চিত করা।’

তিনি আরও জানান, বিনামূল্যে স্কুলের ড্রেস, স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের উপবৃত্তি, প্রাথমিক শিক্ষায় মিড-ডে মিল এবং বৈষম্য নিরসনে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। ১৯৯২ সালে বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে যেমন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষায় পরিবর্তন এসেছিল, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও সেই পথেই জাতিকে এগিয়ে নিচ্ছেন।

মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উদ্ধৃতি দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ২৫শে ডিসেম্বর যখন দেশে এসেছিলেন, তখন বলেছিলেন—ইয়েস উই হ্যাভ আ প্ল্যান (Yes, we have a plan)। আমরা অর্থনৈতিক দুর্দশা কাটিয়ে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করব। ঘৃণা ও বিভাজনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ব। আমাদের সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যেতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘পাপের কথা উঠলে কারো কারো শরীরে জ্বালা ধরে। কিন্তু সত্য লুকানো যায় না। একাত্তরে যে পাপ করা হয়েছে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম আমরা সেই পাপের কথা বলে যাব। সেই ইতিহাস ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই।’


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481