ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo দুর্নীতি ‘ওয়ান ডিজিটে’ নামিয়ে আনার প্রত্যয় ভূমি প্রতিমন্ত্রীর Logo রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০০ শয্যায় উন্নীত করা জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের বিষয়েও মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় কাজ করছে: আযম খান Logo বিয়ের গহনা বহনে নিরাপত্তা দেবে পুলিশ: ডিবিপ্রধান Logo ‘এখন অন্তত মানুষ নির্ভয়ে কথা বলতে পারছে’ Logo বিজয় অর্জনে যুদ্ধ চালিয়ে যেতেই হবে: ইসরায়েলি নিরাপত্তামন্ত্রী Logo ইরানের ভয়াবহ হামলায় হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে জানালো ইসরায়েল Logo মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা শাহ আমানত বিমানবন্দরে ফ্লাইট বিপর্যয়, একদিনেই বাতিল ৭টি Logo জ্বালানি নিরাপত্তায় স্বস্তি: ২২ দিনে খালাস ২৫ জাহাজ, পথে আরও দুই Logo ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কীভাবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করছে, জরুরি তদন্তে ইসরায়েল

বিজ্ঞানীদের কৃত্রিম ফুসফুস প্রযুক্তি মডেল উদ্ভাবন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:২৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭৭ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাজ্যের ফ্রান্সিস ক্রিক ইনস্টিটিউটের গবেষকরা ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় প্রথমবার এমন এক উন্নত ‘লাং-অন-এ-চিপ’ বা কৃত্রিম ফুসফুস প্রযুক্তি মডেল উদ্ভাবন করেছেন, যা একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তির স্টেম সেল থেকে তৈরি। এই মডেল বিজ্ঞানীদের যক্ষ্মাসহ বিভিন্ন শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণে একজন ব্যক্তির ফুসফুস কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায় তা গভীরভাবে অধ্যয়নের সুযোগ দিচ্ছে।

ড. ম্যাক্স গুতেরেসের নেতৃত্বে পরিচালিত এ গবেষণা চিকিৎসার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট রোগীর কোষ ব্যবহার করে তার জন্য কোন অ্যান্টিবায়োটিক বা চিকিৎসা সবচেয়ে কার্যকর হবে, তা পরীক্ষা করা সম্ভব হবে।

পূর্বের মডেলগুলোতে বিভিন্ন ব্যক্তির কোষের মিশ্রণ ব্যবহার করা হতো; কিন্তু নতুন এই মডেলে শুধুমাত্র একজন ডোনারের স্টেম সেল থেকে ফুসফুসের অ্যালভিওলার এবং রক্তনালীর কোষ তৈরি করা হয়েছে, ফলে এটি ওই ব্যক্তির ফুসফুসের একটি নিখুঁত ক্ষুদ্র সংস্করণ হিসেবে কাজ করে।

‘লাং-অন-এ-চিপ’ মানুষের ফুসফুসের মতো ত্রিমাত্রিক গতিতে সংকুচিত ও প্রসারিত হতে পারে, যা শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়াকে হুবহু নকল করে।

গবেষকরা এই চিপটিকে যক্ষ্মা জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত করে দেখতে পান যে, সংক্রমণের মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে ফুসফুসের সুরক্ষা প্রাচীর ভেঙে যায়। এর মাধ্যমে যক্ষ্মা রোগের শুরুর দিকের লক্ষণহীন পর্যায়গুলো প্রথমবারের মতো সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে।

পাশাপাশি এটি অন্য প্রাণীর ওপর ওষুধের ট্রায়াল বা পরীক্ষা চালানোর প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে আনবে এবং আরও কার্যকরি ফলাফল প্রদান করবে।

গবেষণাটি ভবিষ্যতে ইনফ্লুয়েঞ্জা, কোভিড-১৯ এবং ফুসফুসের ক্যান্সারের মতো জটিল রোগগুলোর চিকিৎসায় সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্নীতি ‘ওয়ান ডিজিটে’ নামিয়ে আনার প্রত্যয় ভূমি প্রতিমন্ত্রীর

বিজ্ঞানীদের কৃত্রিম ফুসফুস প্রযুক্তি মডেল উদ্ভাবন

আপডেট সময় ০১:২৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাজ্যের ফ্রান্সিস ক্রিক ইনস্টিটিউটের গবেষকরা ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় প্রথমবার এমন এক উন্নত ‘লাং-অন-এ-চিপ’ বা কৃত্রিম ফুসফুস প্রযুক্তি মডেল উদ্ভাবন করেছেন, যা একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তির স্টেম সেল থেকে তৈরি। এই মডেল বিজ্ঞানীদের যক্ষ্মাসহ বিভিন্ন শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণে একজন ব্যক্তির ফুসফুস কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায় তা গভীরভাবে অধ্যয়নের সুযোগ দিচ্ছে।

ড. ম্যাক্স গুতেরেসের নেতৃত্বে পরিচালিত এ গবেষণা চিকিৎসার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট রোগীর কোষ ব্যবহার করে তার জন্য কোন অ্যান্টিবায়োটিক বা চিকিৎসা সবচেয়ে কার্যকর হবে, তা পরীক্ষা করা সম্ভব হবে।

পূর্বের মডেলগুলোতে বিভিন্ন ব্যক্তির কোষের মিশ্রণ ব্যবহার করা হতো; কিন্তু নতুন এই মডেলে শুধুমাত্র একজন ডোনারের স্টেম সেল থেকে ফুসফুসের অ্যালভিওলার এবং রক্তনালীর কোষ তৈরি করা হয়েছে, ফলে এটি ওই ব্যক্তির ফুসফুসের একটি নিখুঁত ক্ষুদ্র সংস্করণ হিসেবে কাজ করে।

‘লাং-অন-এ-চিপ’ মানুষের ফুসফুসের মতো ত্রিমাত্রিক গতিতে সংকুচিত ও প্রসারিত হতে পারে, যা শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়াকে হুবহু নকল করে।

গবেষকরা এই চিপটিকে যক্ষ্মা জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত করে দেখতে পান যে, সংক্রমণের মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে ফুসফুসের সুরক্ষা প্রাচীর ভেঙে যায়। এর মাধ্যমে যক্ষ্মা রোগের শুরুর দিকের লক্ষণহীন পর্যায়গুলো প্রথমবারের মতো সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে।

পাশাপাশি এটি অন্য প্রাণীর ওপর ওষুধের ট্রায়াল বা পরীক্ষা চালানোর প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে আনবে এবং আরও কার্যকরি ফলাফল প্রদান করবে।

গবেষণাটি ভবিষ্যতে ইনফ্লুয়েঞ্জা, কোভিড-১৯ এবং ফুসফুসের ক্যান্সারের মতো জটিল রোগগুলোর চিকিৎসায় সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481