ঢাকা ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

বিজ্ঞানীদের কৃত্রিম ফুসফুস প্রযুক্তি মডেল উদ্ভাবন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:২৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৪৯ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাজ্যের ফ্রান্সিস ক্রিক ইনস্টিটিউটের গবেষকরা ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় প্রথমবার এমন এক উন্নত ‘লাং-অন-এ-চিপ’ বা কৃত্রিম ফুসফুস প্রযুক্তি মডেল উদ্ভাবন করেছেন, যা একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তির স্টেম সেল থেকে তৈরি। এই মডেল বিজ্ঞানীদের যক্ষ্মাসহ বিভিন্ন শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণে একজন ব্যক্তির ফুসফুস কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায় তা গভীরভাবে অধ্যয়নের সুযোগ দিচ্ছে।

ড. ম্যাক্স গুতেরেসের নেতৃত্বে পরিচালিত এ গবেষণা চিকিৎসার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট রোগীর কোষ ব্যবহার করে তার জন্য কোন অ্যান্টিবায়োটিক বা চিকিৎসা সবচেয়ে কার্যকর হবে, তা পরীক্ষা করা সম্ভব হবে।

পূর্বের মডেলগুলোতে বিভিন্ন ব্যক্তির কোষের মিশ্রণ ব্যবহার করা হতো; কিন্তু নতুন এই মডেলে শুধুমাত্র একজন ডোনারের স্টেম সেল থেকে ফুসফুসের অ্যালভিওলার এবং রক্তনালীর কোষ তৈরি করা হয়েছে, ফলে এটি ওই ব্যক্তির ফুসফুসের একটি নিখুঁত ক্ষুদ্র সংস্করণ হিসেবে কাজ করে।

‘লাং-অন-এ-চিপ’ মানুষের ফুসফুসের মতো ত্রিমাত্রিক গতিতে সংকুচিত ও প্রসারিত হতে পারে, যা শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়াকে হুবহু নকল করে।

গবেষকরা এই চিপটিকে যক্ষ্মা জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত করে দেখতে পান যে, সংক্রমণের মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে ফুসফুসের সুরক্ষা প্রাচীর ভেঙে যায়। এর মাধ্যমে যক্ষ্মা রোগের শুরুর দিকের লক্ষণহীন পর্যায়গুলো প্রথমবারের মতো সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে।

পাশাপাশি এটি অন্য প্রাণীর ওপর ওষুধের ট্রায়াল বা পরীক্ষা চালানোর প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে আনবে এবং আরও কার্যকরি ফলাফল প্রদান করবে।

গবেষণাটি ভবিষ্যতে ইনফ্লুয়েঞ্জা, কোভিড-১৯ এবং ফুসফুসের ক্যান্সারের মতো জটিল রোগগুলোর চিকিৎসায় সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

বিজ্ঞানীদের কৃত্রিম ফুসফুস প্রযুক্তি মডেল উদ্ভাবন

আপডেট সময় ০১:২৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাজ্যের ফ্রান্সিস ক্রিক ইনস্টিটিউটের গবেষকরা ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় প্রথমবার এমন এক উন্নত ‘লাং-অন-এ-চিপ’ বা কৃত্রিম ফুসফুস প্রযুক্তি মডেল উদ্ভাবন করেছেন, যা একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তির স্টেম সেল থেকে তৈরি। এই মডেল বিজ্ঞানীদের যক্ষ্মাসহ বিভিন্ন শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণে একজন ব্যক্তির ফুসফুস কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায় তা গভীরভাবে অধ্যয়নের সুযোগ দিচ্ছে।

ড. ম্যাক্স গুতেরেসের নেতৃত্বে পরিচালিত এ গবেষণা চিকিৎসার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট রোগীর কোষ ব্যবহার করে তার জন্য কোন অ্যান্টিবায়োটিক বা চিকিৎসা সবচেয়ে কার্যকর হবে, তা পরীক্ষা করা সম্ভব হবে।

পূর্বের মডেলগুলোতে বিভিন্ন ব্যক্তির কোষের মিশ্রণ ব্যবহার করা হতো; কিন্তু নতুন এই মডেলে শুধুমাত্র একজন ডোনারের স্টেম সেল থেকে ফুসফুসের অ্যালভিওলার এবং রক্তনালীর কোষ তৈরি করা হয়েছে, ফলে এটি ওই ব্যক্তির ফুসফুসের একটি নিখুঁত ক্ষুদ্র সংস্করণ হিসেবে কাজ করে।

‘লাং-অন-এ-চিপ’ মানুষের ফুসফুসের মতো ত্রিমাত্রিক গতিতে সংকুচিত ও প্রসারিত হতে পারে, যা শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়াকে হুবহু নকল করে।

গবেষকরা এই চিপটিকে যক্ষ্মা জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত করে দেখতে পান যে, সংক্রমণের মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে ফুসফুসের সুরক্ষা প্রাচীর ভেঙে যায়। এর মাধ্যমে যক্ষ্মা রোগের শুরুর দিকের লক্ষণহীন পর্যায়গুলো প্রথমবারের মতো সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে।

পাশাপাশি এটি অন্য প্রাণীর ওপর ওষুধের ট্রায়াল বা পরীক্ষা চালানোর প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে আনবে এবং আরও কার্যকরি ফলাফল প্রদান করবে।

গবেষণাটি ভবিষ্যতে ইনফ্লুয়েঞ্জা, কোভিড-১৯ এবং ফুসফুসের ক্যান্সারের মতো জটিল রোগগুলোর চিকিৎসায় সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।