ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের Logo আগস্টে সারা দেশে শোডাউনের চিন্তা আ.লীগের, ২ ডজন কমিটি গঠন Logo ইরানে হিজাববিহীন গান গাওয়ার অপরাধে গায়িকাকে ৭৪ দোররা মারার নির্দেশ Logo মেসির বাবার মৃত্যুর খবর প্রচার করে চাকরি হারালেন উপস্থাপিকাসহ পুরো টিম Logo ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১০ Logo ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ চেয়ে নিজেই হার মানলেন ট্রাম্প Logo জোট ছাড়াই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি এনসিপির Logo জামায়াত এমপি শাহজাহান চৌধুরীকে গুলির পরিকল্পনা, পিএসের কলরেকর্ড ফাঁস

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘ডাকাতের গ্রাম’ থেকে মানুষের জনপদ হয়ে উঠছে: মির্জা গালিব

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:১৬:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৮৭ বার পড়া হয়েছে

প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন ‘ডাকাতের গ্রাম’ থেকে মানুষের জনপদ হয়ে উঠছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব।

সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজের ফেরিফয়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে ওই মন্তব্য করে ঢাবি ছাত্রশিবিরের এই সাবেক সভাপতি।

মুহূর্তেই ভাইরাল হওয়া ওই পোস্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই ছাত্র বলেন-

‘ইসলামোফোবিক সেকুলাররা বলতে চাইতেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটা মাদ্রাসা হয়ে উঠতেছে।

আসলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘ডাকাতদের গ্রাম’ থেকে মানুষের জনপদ হয়ে উঠতেছে।

বাঙালি মুসলমান কৃষকের সন্তানদের জনপদ, যাদের পূর্বপুরুষরা ১৯১১ সালে ‘বঙ্গভঙ্গ রদ’ হওয়ার কারণে মনে কষ্ট পেয়েছিল।

ব্রিটিশ আর কলকাতার কলোনিয়াল হ্যাংওভার কাটাইয়া এই জেনারেশান এখন ঘরে ফেরা শুরু করছে। সামনে ঈদের দিন আসবে ইনশাল্লাহ।’

এর আগে গত ১৯ সেপ্টেম্বর দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘ইসলাম বাংলাদেশের মানুষের জন্য শুধু ধর্মই নয়, এটি এই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের আত্মপরিচয়ও। সাধারণত একটি দেশ বা জাতি কিছু কমন পরিচয়ের মাধ্যমে একটা কালেক্টিভ আইডেন্টিটি গড়ে তোলে। আমাদের ক্ষেত্রে বাংলা ভাষা আর ইসলাম ধর্ম হলো সেই কমন বৈশিষ্ট্য’।

মির্জা গালিব লেখেন, ‘আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক আধিপত্যের বিপরীতে আমরা যদি আমাদের স্বাতন্ত্র্য, স্বাধীনতা, ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে চাই, তাহলে এই বৈশিষ্ট্যগুলো আমাদের সংরক্ষণ করতে হবে। ইসলামী শিক্ষার প্রশ্ন তাই একই সাথে ধর্মীয় প্রশ্ন, সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রশ্ন এবং আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্ন।

আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমরা যদি আমাদের সন্তানদের সঠিক ইসলামী শিক্ষা, ইসলামী ইতিহাস এবং বিশেষ করে এই ভূখণ্ডের মুসলিম শাসনের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস না শিখাই— তাহলে দীর্ঘমেয়াদে আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়বে’।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘ডাকাতের গ্রাম’ থেকে মানুষের জনপদ হয়ে উঠছে: মির্জা গালিব

আপডেট সময় ১২:১৬:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন ‘ডাকাতের গ্রাম’ থেকে মানুষের জনপদ হয়ে উঠছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব।

সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজের ফেরিফয়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে ওই মন্তব্য করে ঢাবি ছাত্রশিবিরের এই সাবেক সভাপতি।

মুহূর্তেই ভাইরাল হওয়া ওই পোস্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই ছাত্র বলেন-

‘ইসলামোফোবিক সেকুলাররা বলতে চাইতেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটা মাদ্রাসা হয়ে উঠতেছে।

আসলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘ডাকাতদের গ্রাম’ থেকে মানুষের জনপদ হয়ে উঠতেছে।

বাঙালি মুসলমান কৃষকের সন্তানদের জনপদ, যাদের পূর্বপুরুষরা ১৯১১ সালে ‘বঙ্গভঙ্গ রদ’ হওয়ার কারণে মনে কষ্ট পেয়েছিল।

ব্রিটিশ আর কলকাতার কলোনিয়াল হ্যাংওভার কাটাইয়া এই জেনারেশান এখন ঘরে ফেরা শুরু করছে। সামনে ঈদের দিন আসবে ইনশাল্লাহ।’

এর আগে গত ১৯ সেপ্টেম্বর দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘ইসলাম বাংলাদেশের মানুষের জন্য শুধু ধর্মই নয়, এটি এই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের আত্মপরিচয়ও। সাধারণত একটি দেশ বা জাতি কিছু কমন পরিচয়ের মাধ্যমে একটা কালেক্টিভ আইডেন্টিটি গড়ে তোলে। আমাদের ক্ষেত্রে বাংলা ভাষা আর ইসলাম ধর্ম হলো সেই কমন বৈশিষ্ট্য’।

মির্জা গালিব লেখেন, ‘আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক আধিপত্যের বিপরীতে আমরা যদি আমাদের স্বাতন্ত্র্য, স্বাধীনতা, ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে চাই, তাহলে এই বৈশিষ্ট্যগুলো আমাদের সংরক্ষণ করতে হবে। ইসলামী শিক্ষার প্রশ্ন তাই একই সাথে ধর্মীয় প্রশ্ন, সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রশ্ন এবং আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্ন।

আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমরা যদি আমাদের সন্তানদের সঠিক ইসলামী শিক্ষা, ইসলামী ইতিহাস এবং বিশেষ করে এই ভূখণ্ডের মুসলিম শাসনের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস না শিখাই— তাহলে দীর্ঘমেয়াদে আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়বে’।