ঢাকা ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের Logo আগস্টে সারা দেশে শোডাউনের চিন্তা আ.লীগের, ২ ডজন কমিটি গঠন Logo ইরানে হিজাববিহীন গান গাওয়ার অপরাধে গায়িকাকে ৭৪ দোররা মারার নির্দেশ Logo মেসির বাবার মৃত্যুর খবর প্রচার করে চাকরি হারালেন উপস্থাপিকাসহ পুরো টিম Logo ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১০ Logo ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ চেয়ে নিজেই হার মানলেন ট্রাম্প Logo জোট ছাড়াই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি এনসিপির Logo জামায়াত এমপি শাহজাহান চৌধুরীকে গুলির পরিকল্পনা, পিএসের কলরেকর্ড ফাঁস

এসএসসি পরীক্ষার ‘প্রশ্ন ফাঁস’ নিয়ে যা জানা গেল

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৪৮:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

লতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামী ২১ এপ্রিল। এর আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘প্রশ্ন ফাঁস’ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

দুদিন আগে টিকটকে ‘Porishrom SSC School’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে এসএসসির ইংরেজি প্রথম পত্রের একটি প্রশ্নের চার পৃষ্ঠার ছবি পোস্ট করা হয়। ছবিতে ‘এসএসসি ২০২৬ ইংরেজি ১ম পত্র’ লেখা থাকায় অনেকেই এটিকে আসল প্রশ্নপত্র মনে করে মন্তব্য করতে শুরু করেন। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল পর্যন্ত পোস্টটি প্রায় ৩৪ লাখবার দেখা হয়েছে।

তবে যাচাই করে রিউমর স্ক্যানার জানিয়েছে, এটি কোনো বোর্ডের প্রশ্ন নয়। ‘উদ্ভাস একাডেমিক অ্যান্ড অ্যাডমিশন কেয়ার’ নামের একটি কোচিং সেন্টারের ফাইনাল মডেল টেস্টের প্রশ্নকে ‘ফাঁস’ দাবি করে ছড়ানো হয়েছে।

এদিকে, প্রশ্নফাঁস রোধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মুদ্রণ থেকে বিতরণ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। প্রশ্নপত্র ফয়েল প্যাক ও বিশেষ সিকিউরিটি খামে সংরক্ষণ করা হচ্ছে, যা একবার খোলার পর পুনরায় ব্যবহার করা সম্ভব নয়। পরীক্ষা শুরুর ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে নির্ধারিত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে খাম খোলা হবে।

শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুধু প্রশ্নফাঁস ঠেকানো নয়—পরীক্ষা নকলমুক্ত রাখতেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে আলোচিত টিকটক অ্যাকাউন্টটির কার্যক্রম নজরে এসেছে রিউমর স্ক্যানারের। প্রায় ৯ হাজার ফলোয়ারের এই অ্যাকাউন্টে গত মার্চ মাস থেকে নিয়মিত এসএসসি সংক্রান্ত পোস্ট দেওয়া হচ্ছিল।

যাচাই করে দেখা গেছে, ৭ এপ্রিল করা পাঁচটি পোস্টে ‘প্রশ্ন ফাঁস’ দাবি করা হলেও সেগুলোর চারটি ছিল বিভিন্ন স্কুলের গত বছরের টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন এবং একটি ছিল কোচিং সেন্টারের মডেল টেস্টের প্রশ্ন।

এছাড়া ৮ এপ্রিল আরও অন্তত সাতটি পোস্টে একইভাবে ভুয়া ‘প্রশ্ন ফাঁস’ দাবি ছড়ানো হয়েছে, যেগুলোতে আগের তুলনায় বেশি ভিউ এসেছে।

ফেসবুকে একই নাম ব্যবহার করে একাধিক পেজও পাওয়া গেছে, যেখানে একটি মোবাইল নম্বর দেওয়া রয়েছে। বিকাশে নম্বরটি যাচাই করে বিল্লাল মিয়া নামে এক ব্যক্তির তথ্য পাওয়া গেছে। তার একটি ফেসবুক প্রোফাইল থেকেও বিভিন্ন গ্রুপে এসব পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলের প্রচারণার প্রমাণ মিলেছে।

ফ্যাক্ট-চেক অনুযায়ী, সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো এসব ‘প্রশ্ন ফাঁস’ দাবির কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ

এসএসসি পরীক্ষার ‘প্রশ্ন ফাঁস’ নিয়ে যা জানা গেল

আপডেট সময় ০৪:৪৮:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

লতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামী ২১ এপ্রিল। এর আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘প্রশ্ন ফাঁস’ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

দুদিন আগে টিকটকে ‘Porishrom SSC School’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে এসএসসির ইংরেজি প্রথম পত্রের একটি প্রশ্নের চার পৃষ্ঠার ছবি পোস্ট করা হয়। ছবিতে ‘এসএসসি ২০২৬ ইংরেজি ১ম পত্র’ লেখা থাকায় অনেকেই এটিকে আসল প্রশ্নপত্র মনে করে মন্তব্য করতে শুরু করেন। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল পর্যন্ত পোস্টটি প্রায় ৩৪ লাখবার দেখা হয়েছে।

তবে যাচাই করে রিউমর স্ক্যানার জানিয়েছে, এটি কোনো বোর্ডের প্রশ্ন নয়। ‘উদ্ভাস একাডেমিক অ্যান্ড অ্যাডমিশন কেয়ার’ নামের একটি কোচিং সেন্টারের ফাইনাল মডেল টেস্টের প্রশ্নকে ‘ফাঁস’ দাবি করে ছড়ানো হয়েছে।

এদিকে, প্রশ্নফাঁস রোধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মুদ্রণ থেকে বিতরণ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। প্রশ্নপত্র ফয়েল প্যাক ও বিশেষ সিকিউরিটি খামে সংরক্ষণ করা হচ্ছে, যা একবার খোলার পর পুনরায় ব্যবহার করা সম্ভব নয়। পরীক্ষা শুরুর ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে নির্ধারিত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে খাম খোলা হবে।

শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুধু প্রশ্নফাঁস ঠেকানো নয়—পরীক্ষা নকলমুক্ত রাখতেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে আলোচিত টিকটক অ্যাকাউন্টটির কার্যক্রম নজরে এসেছে রিউমর স্ক্যানারের। প্রায় ৯ হাজার ফলোয়ারের এই অ্যাকাউন্টে গত মার্চ মাস থেকে নিয়মিত এসএসসি সংক্রান্ত পোস্ট দেওয়া হচ্ছিল।

যাচাই করে দেখা গেছে, ৭ এপ্রিল করা পাঁচটি পোস্টে ‘প্রশ্ন ফাঁস’ দাবি করা হলেও সেগুলোর চারটি ছিল বিভিন্ন স্কুলের গত বছরের টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন এবং একটি ছিল কোচিং সেন্টারের মডেল টেস্টের প্রশ্ন।

এছাড়া ৮ এপ্রিল আরও অন্তত সাতটি পোস্টে একইভাবে ভুয়া ‘প্রশ্ন ফাঁস’ দাবি ছড়ানো হয়েছে, যেগুলোতে আগের তুলনায় বেশি ভিউ এসেছে।

ফেসবুকে একই নাম ব্যবহার করে একাধিক পেজও পাওয়া গেছে, যেখানে একটি মোবাইল নম্বর দেওয়া রয়েছে। বিকাশে নম্বরটি যাচাই করে বিল্লাল মিয়া নামে এক ব্যক্তির তথ্য পাওয়া গেছে। তার একটি ফেসবুক প্রোফাইল থেকেও বিভিন্ন গ্রুপে এসব পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলের প্রচারণার প্রমাণ মিলেছে।

ফ্যাক্ট-চেক অনুযায়ী, সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো এসব ‘প্রশ্ন ফাঁস’ দাবির কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।