ঢাকা ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও ইলেকট্রিক বাসে সাজবে রাজধানী Logo গুপ্ত হত্যার রাজনীতি থেকে বের হতে পারেনি জামায়াত-শিবির: বুলু Logo ‘তোমরা কেমন আছো, পড়ালেখা করছো তো?’: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী Logo ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় কত, জানাল পেন্টাগন Logo পটুয়াখালীতে বজ্রাঘাতে ৪ জনের মৃত্যু, প্রাণ গেল অন্তত ২৯ গরুর Logo রীতি মেনে পেছনের আসনে বসলেন প্রধানমন্ত্রী Logo কালবৈশাখীর তাণ্ডব টেকনাফে— উপড়ে গেছে গাছ, কৃষিতে ব্যাপক ক্ষতি Logo সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী Logo অধিবেশন চলাকালে অসুস্থ হওয়া জামায়াত এমপি’র খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo বিএনপি কীভাবে মুক্তিযুদ্ধের দল হয়? প্রশ্ন জামায়াত নেতা আজহারের

মালয়েশিয়ায় দুই হাজার অভিবাসী গ্রেফতার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৫৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

হত্যা, ছিনতাই, দাঙ্গা ও বাসাবাড়িতে চুরিসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধে সেলাংগর অঙ্গরাজ্যে চলতি বছর বিদেশি নাগরিকদের জড়িত থাকার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।

সেলাংগর পুলিশ জানায়, চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে মোট ১,৯৩১ জন বিদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগের বছর একই অঙ্গরাজ্যে অপরাধে জড়িত থাকার কারণে ২,৯৪৩ জন বিদেশিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

সেলাংগর পুলিশের প্রধান দাতুক শাজেলি কাহার জানান, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে অনেককে ইতোমধ্যে আদালতে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধ অনুযায়ী সাজা দেওয়া হয়েছে। তবে পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে যাদের বিরুদ্ধে মামলা করা সম্ভব হয়নি, তাদের মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগে (জেআইএম) হস্তান্তর করা হয়েছে। ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি হারিয়ান মেট্রোকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সেলাংগরে আটক অধিকাংশ বিদেশি নাগরিকই আসিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দেশের বাসিন্দা। তিনি আরও বলেন, শিল্পাঞ্চলসমৃদ্ধ রাজ্য হওয়ায় সেলাংগর কেবল স্থানীয় শ্রমিকদের নয়, বিদেশি শ্রমিকদেরও বড় কেন্দ্র। ফলে জনঘনত্ব বাড়ছে এবং এর সঙ্গে অপরাধ ও সামাজিক সংঘাতের ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।

তবে শাজেলি কাহার মনে করেন, সরকার নির্ধারিত বৈধ প্রক্রিয়ায় ও সম্পূর্ণ কাগজপত্রসহ বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ দিলে এ ধরনের অপরাধ অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। তিনি বলেন, বৈধ নথিপত্র থাকা শ্রমিকদের পরিচয় শনাক্ত করা সহজ হয় এবং কোনো ঘটনা ঘটলে তদন্ত ও নজরদারিও কার্যকরভাবে করা যায়।

অবৈধভাবে প্রবেশ করা ও নথিবিহীন শ্রমিকদের কোনো রেকর্ড না থাকায় তারা অপরাধে জড়ানোর সুযোগ পায় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য তাদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে স্থানীয় সমাজও ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে তিনি সতর্ক করেন।

এছাড়া তিনি স্থানীয় জনগণ ও কমিউনিটিকে অবৈধ শ্রমিক নিয়োগকারী মালিকদের বিষয়ে পুলিশ, ইমিগ্রেশন বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে অবহিত করার আহ্বান জানান। সমাজের মানুষকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কর্তৃপক্ষের ‘চোখ ও কান’ হিসেবে ভূমিকা রাখারও আহ্বান জানান তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও ইলেকট্রিক বাসে সাজবে রাজধানী

মালয়েশিয়ায় দুই হাজার অভিবাসী গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৬:৫৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

হত্যা, ছিনতাই, দাঙ্গা ও বাসাবাড়িতে চুরিসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধে সেলাংগর অঙ্গরাজ্যে চলতি বছর বিদেশি নাগরিকদের জড়িত থাকার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।

সেলাংগর পুলিশ জানায়, চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে মোট ১,৯৩১ জন বিদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগের বছর একই অঙ্গরাজ্যে অপরাধে জড়িত থাকার কারণে ২,৯৪৩ জন বিদেশিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

সেলাংগর পুলিশের প্রধান দাতুক শাজেলি কাহার জানান, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে অনেককে ইতোমধ্যে আদালতে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধ অনুযায়ী সাজা দেওয়া হয়েছে। তবে পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে যাদের বিরুদ্ধে মামলা করা সম্ভব হয়নি, তাদের মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগে (জেআইএম) হস্তান্তর করা হয়েছে। ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি হারিয়ান মেট্রোকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সেলাংগরে আটক অধিকাংশ বিদেশি নাগরিকই আসিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দেশের বাসিন্দা। তিনি আরও বলেন, শিল্পাঞ্চলসমৃদ্ধ রাজ্য হওয়ায় সেলাংগর কেবল স্থানীয় শ্রমিকদের নয়, বিদেশি শ্রমিকদেরও বড় কেন্দ্র। ফলে জনঘনত্ব বাড়ছে এবং এর সঙ্গে অপরাধ ও সামাজিক সংঘাতের ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।

তবে শাজেলি কাহার মনে করেন, সরকার নির্ধারিত বৈধ প্রক্রিয়ায় ও সম্পূর্ণ কাগজপত্রসহ বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ দিলে এ ধরনের অপরাধ অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। তিনি বলেন, বৈধ নথিপত্র থাকা শ্রমিকদের পরিচয় শনাক্ত করা সহজ হয় এবং কোনো ঘটনা ঘটলে তদন্ত ও নজরদারিও কার্যকরভাবে করা যায়।

অবৈধভাবে প্রবেশ করা ও নথিবিহীন শ্রমিকদের কোনো রেকর্ড না থাকায় তারা অপরাধে জড়ানোর সুযোগ পায় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য তাদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে স্থানীয় সমাজও ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে তিনি সতর্ক করেন।

এছাড়া তিনি স্থানীয় জনগণ ও কমিউনিটিকে অবৈধ শ্রমিক নিয়োগকারী মালিকদের বিষয়ে পুলিশ, ইমিগ্রেশন বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে অবহিত করার আহ্বান জানান। সমাজের মানুষকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কর্তৃপক্ষের ‘চোখ ও কান’ হিসেবে ভূমিকা রাখারও আহ্বান জানান তিনি।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481