ঢাকা ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

মালয়েশিয়ায় দুই হাজার অভিবাসী গ্রেফতার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৫৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৮২ বার পড়া হয়েছে

হত্যা, ছিনতাই, দাঙ্গা ও বাসাবাড়িতে চুরিসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধে সেলাংগর অঙ্গরাজ্যে চলতি বছর বিদেশি নাগরিকদের জড়িত থাকার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।

সেলাংগর পুলিশ জানায়, চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে মোট ১,৯৩১ জন বিদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগের বছর একই অঙ্গরাজ্যে অপরাধে জড়িত থাকার কারণে ২,৯৪৩ জন বিদেশিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

সেলাংগর পুলিশের প্রধান দাতুক শাজেলি কাহার জানান, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে অনেককে ইতোমধ্যে আদালতে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধ অনুযায়ী সাজা দেওয়া হয়েছে। তবে পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে যাদের বিরুদ্ধে মামলা করা সম্ভব হয়নি, তাদের মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগে (জেআইএম) হস্তান্তর করা হয়েছে। ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি হারিয়ান মেট্রোকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সেলাংগরে আটক অধিকাংশ বিদেশি নাগরিকই আসিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দেশের বাসিন্দা। তিনি আরও বলেন, শিল্পাঞ্চলসমৃদ্ধ রাজ্য হওয়ায় সেলাংগর কেবল স্থানীয় শ্রমিকদের নয়, বিদেশি শ্রমিকদেরও বড় কেন্দ্র। ফলে জনঘনত্ব বাড়ছে এবং এর সঙ্গে অপরাধ ও সামাজিক সংঘাতের ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।

তবে শাজেলি কাহার মনে করেন, সরকার নির্ধারিত বৈধ প্রক্রিয়ায় ও সম্পূর্ণ কাগজপত্রসহ বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ দিলে এ ধরনের অপরাধ অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। তিনি বলেন, বৈধ নথিপত্র থাকা শ্রমিকদের পরিচয় শনাক্ত করা সহজ হয় এবং কোনো ঘটনা ঘটলে তদন্ত ও নজরদারিও কার্যকরভাবে করা যায়।

অবৈধভাবে প্রবেশ করা ও নথিবিহীন শ্রমিকদের কোনো রেকর্ড না থাকায় তারা অপরাধে জড়ানোর সুযোগ পায় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য তাদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে স্থানীয় সমাজও ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে তিনি সতর্ক করেন।

এছাড়া তিনি স্থানীয় জনগণ ও কমিউনিটিকে অবৈধ শ্রমিক নিয়োগকারী মালিকদের বিষয়ে পুলিশ, ইমিগ্রেশন বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে অবহিত করার আহ্বান জানান। সমাজের মানুষকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কর্তৃপক্ষের ‘চোখ ও কান’ হিসেবে ভূমিকা রাখারও আহ্বান জানান তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

মালয়েশিয়ায় দুই হাজার অভিবাসী গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৬:৫৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

হত্যা, ছিনতাই, দাঙ্গা ও বাসাবাড়িতে চুরিসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধে সেলাংগর অঙ্গরাজ্যে চলতি বছর বিদেশি নাগরিকদের জড়িত থাকার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।

সেলাংগর পুলিশ জানায়, চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে মোট ১,৯৩১ জন বিদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগের বছর একই অঙ্গরাজ্যে অপরাধে জড়িত থাকার কারণে ২,৯৪৩ জন বিদেশিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

সেলাংগর পুলিশের প্রধান দাতুক শাজেলি কাহার জানান, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে অনেককে ইতোমধ্যে আদালতে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধ অনুযায়ী সাজা দেওয়া হয়েছে। তবে পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে যাদের বিরুদ্ধে মামলা করা সম্ভব হয়নি, তাদের মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগে (জেআইএম) হস্তান্তর করা হয়েছে। ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি হারিয়ান মেট্রোকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সেলাংগরে আটক অধিকাংশ বিদেশি নাগরিকই আসিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দেশের বাসিন্দা। তিনি আরও বলেন, শিল্পাঞ্চলসমৃদ্ধ রাজ্য হওয়ায় সেলাংগর কেবল স্থানীয় শ্রমিকদের নয়, বিদেশি শ্রমিকদেরও বড় কেন্দ্র। ফলে জনঘনত্ব বাড়ছে এবং এর সঙ্গে অপরাধ ও সামাজিক সংঘাতের ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।

তবে শাজেলি কাহার মনে করেন, সরকার নির্ধারিত বৈধ প্রক্রিয়ায় ও সম্পূর্ণ কাগজপত্রসহ বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ দিলে এ ধরনের অপরাধ অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। তিনি বলেন, বৈধ নথিপত্র থাকা শ্রমিকদের পরিচয় শনাক্ত করা সহজ হয় এবং কোনো ঘটনা ঘটলে তদন্ত ও নজরদারিও কার্যকরভাবে করা যায়।

অবৈধভাবে প্রবেশ করা ও নথিবিহীন শ্রমিকদের কোনো রেকর্ড না থাকায় তারা অপরাধে জড়ানোর সুযোগ পায় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য তাদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে স্থানীয় সমাজও ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে তিনি সতর্ক করেন।

এছাড়া তিনি স্থানীয় জনগণ ও কমিউনিটিকে অবৈধ শ্রমিক নিয়োগকারী মালিকদের বিষয়ে পুলিশ, ইমিগ্রেশন বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে অবহিত করার আহ্বান জানান। সমাজের মানুষকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কর্তৃপক্ষের ‘চোখ ও কান’ হিসেবে ভূমিকা রাখারও আহ্বান জানান তিনি।