ঢাকা ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার Logo শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাবিতে নবীনবরণ, ‘পাইলট প্রকল্প’ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার ইঙ্গিত Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের Logo আগস্টে সারা দেশে শোডাউনের চিন্তা আ.লীগের, ২ ডজন কমিটি গঠন Logo ইরানে হিজাববিহীন গান গাওয়ার অপরাধে গায়িকাকে ৭৪ দোররা মারার নির্দেশ Logo মেসির বাবার মৃত্যুর খবর প্রচার করে চাকরি হারালেন উপস্থাপিকাসহ পুরো টিম Logo ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১০ Logo ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ চেয়ে নিজেই হার মানলেন ট্রাম্প

অস্থায়ী গ্যালারিতেও উপচে পড়া দর্শক

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:২৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

এরআগে কখনও কানাডার মাটিতে বসেনি বিশ্বকাপ ফুটবল। সেই উন্মাদনা স্বাভাবিকভাবেই ছিল কানাডিয়ানদের মধ্যে। সেটির প্রকাশই পেয়েছে টরেন্টো স্টেডিয়ামে। ধারণক্ষমতা বাড়ানোর পরও কানায় কানায় পূর্ণ রয়েছে স্টেডিয়ামটির গ্যালারি।

শুক্রবার (১৩ জুন) রাত ১টায় বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার মুখোমুখি হয়েছে স্বাগতিক কানাডা। ১৭ হাজার অস্থায়ী আসন বাড়ানোর পরও লাল রঙে রঙিন হয়েছে টরেন্টো।

এবারের আসরে কানাডায় মোট ১৩টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ছয়টি ম্যাচ হবে টরন্টোতে, বাকি সাতটি ভ্যাঙ্কুভারে। কানাডা জাতীয় দলের গ্রুপ পর্বের শেষ দুটি ম্যাচও হবে ভ্যাঙ্কুভারে।

টরন্টোর এই স্টেডিয়ামটি লেক অন্টারিওর তীরে তৈরি। ২০০৭ সালে অনুষ্ঠিত ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এটি নির্মাণ করা হয়। একই বছরে মেজর লিগ সকারের নতুন দল হিসেবে যাত্রা শুরু করা টরন্টো এফসিরও এটি হয়ে ওঠে স্থায়ী ঠিকানা।

বিশ্বকাপ উপলক্ষে স্টেডিয়ামটির ধারণক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। উত্তর ও দক্ষিণ গ্যালারিতে খাড়া স্ক্যাফোল্ডিং কাঠামোর ওপর বসানো হয়েছে অতিরিক্ত ১৭ হাজার অস্থায়ী আসন। তবে উচ্চতাভীতি রয়েছে এমন দর্শকদের জন্য এই গ্যালারিতে বসা কিছুটা অস্বস্তিকর হতে পারে।

চলতি বছরের শুরুতে এমএলএস ম্যাচে এসব অস্থায়ী গ্যালারিতে বসা কয়েকজন সমর্থক জানান, বাতাসের গতি বেড়ে গেলে কাঠামোতে হালকা দুলুনির অনুভূতি তৈরি হয়। তবে আয়োজকদের দাবি, সব ধরনের নিরাপত্তা পরীক্ষা সম্পন্ন করেই দর্শকদের জন্য আসনগুলো উন্মুক্ত করা হয়েছে।

সব আয়োজন ফুরিয়েছে, কানায় কানায় পূর্ণ টরন্টো এখন ইতিহাসের পাতায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার

অস্থায়ী গ্যালারিতেও উপচে পড়া দর্শক

আপডেট সময় ০১:২৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

এরআগে কখনও কানাডার মাটিতে বসেনি বিশ্বকাপ ফুটবল। সেই উন্মাদনা স্বাভাবিকভাবেই ছিল কানাডিয়ানদের মধ্যে। সেটির প্রকাশই পেয়েছে টরেন্টো স্টেডিয়ামে। ধারণক্ষমতা বাড়ানোর পরও কানায় কানায় পূর্ণ রয়েছে স্টেডিয়ামটির গ্যালারি।

শুক্রবার (১৩ জুন) রাত ১টায় বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার মুখোমুখি হয়েছে স্বাগতিক কানাডা। ১৭ হাজার অস্থায়ী আসন বাড়ানোর পরও লাল রঙে রঙিন হয়েছে টরেন্টো।

এবারের আসরে কানাডায় মোট ১৩টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ছয়টি ম্যাচ হবে টরন্টোতে, বাকি সাতটি ভ্যাঙ্কুভারে। কানাডা জাতীয় দলের গ্রুপ পর্বের শেষ দুটি ম্যাচও হবে ভ্যাঙ্কুভারে।

টরন্টোর এই স্টেডিয়ামটি লেক অন্টারিওর তীরে তৈরি। ২০০৭ সালে অনুষ্ঠিত ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এটি নির্মাণ করা হয়। একই বছরে মেজর লিগ সকারের নতুন দল হিসেবে যাত্রা শুরু করা টরন্টো এফসিরও এটি হয়ে ওঠে স্থায়ী ঠিকানা।

বিশ্বকাপ উপলক্ষে স্টেডিয়ামটির ধারণক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। উত্তর ও দক্ষিণ গ্যালারিতে খাড়া স্ক্যাফোল্ডিং কাঠামোর ওপর বসানো হয়েছে অতিরিক্ত ১৭ হাজার অস্থায়ী আসন। তবে উচ্চতাভীতি রয়েছে এমন দর্শকদের জন্য এই গ্যালারিতে বসা কিছুটা অস্বস্তিকর হতে পারে।

চলতি বছরের শুরুতে এমএলএস ম্যাচে এসব অস্থায়ী গ্যালারিতে বসা কয়েকজন সমর্থক জানান, বাতাসের গতি বেড়ে গেলে কাঠামোতে হালকা দুলুনির অনুভূতি তৈরি হয়। তবে আয়োজকদের দাবি, সব ধরনের নিরাপত্তা পরীক্ষা সম্পন্ন করেই দর্শকদের জন্য আসনগুলো উন্মুক্ত করা হয়েছে।

সব আয়োজন ফুরিয়েছে, কানায় কানায় পূর্ণ টরন্টো এখন ইতিহাসের পাতায়।