ঢাকা ০২:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রথমার্ধ শেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র Logo পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার Logo শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাবিতে নবীনবরণ, ‘পাইলট প্রকল্প’ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার ইঙ্গিত Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের Logo আগস্টে সারা দেশে শোডাউনের চিন্তা আ.লীগের, ২ ডজন কমিটি গঠন Logo ইরানে হিজাববিহীন গান গাওয়ার অপরাধে গায়িকাকে ৭৪ দোররা মারার নির্দেশ Logo মেসির বাবার মৃত্যুর খবর প্রচার করে চাকরি হারালেন উপস্থাপিকাসহ পুরো টিম Logo ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১০

সমালোচকরা এখন বুঝতে পারছেন, আমাদের প্রণীত আইনগুলো ভালো ছিল: আসিফ নজরুল প্রকাশ:

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৩৭:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারে প্রণয়ন করা আইনগুলো ভালো ছিল বলে সমালোচকরা এখন বুঝতে পারছেন– এমন মন্তব্য করেছেন ওই সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। সোমবার (৬ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

আসিফ নজরুল লেখেন, আমরা একের পর এক উচ্চাভিলাষী আইন করে যাচ্ছিলাম। মানবাধিকার কমিশন, গুম, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়, উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগ, দুদক আইন ছিল এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি। বলেছিলাম এগুলোই প্রকৃত সংস্কারমূলক আইন।

তিনি লিখেছেন, অনেকে তখন ‘কোথায় সংস্কার, কোথায় সংস্কার’ বা ‘সরকার তো কিছুই করছে না ’বলে আমাদের নাকচ করেছেন। কেউ কেউ ‘অধ্যাদেশের সরকার’ বলে ব্যঙ্গ করেছেন। দু–একজন পণ্ডিত এমন কথাও বলেছে, এসব করে কী লাভ! এসব তো করবে নির্বাচিত সরকার!

আসিফ নজরুল লিখেছেন, এখন এটা ভেবে ভালো লাগছে যে, আমাদের বন্ধু ও সমালোচকরা বুঝতে পারছেন, আমাদের প্রণীত আইনগুলো আসলেও ভালো ছিল এবং এসব করে রাখা দরকার ছিল। পুরো দেশ এখন সোচ্চার হচ্ছে এই আইনগুলো রাখার দাবি নিয়ে।

সাবেক আইন উপদেষ্টা লিখেছেন, আমরা এই আইনগুলো প্রণয়ন করতে অনেক কষ্ট করেছি। আইন মন্ত্রণালয়ের তুখোড় মেধাবীদের নিয়ে গড়া একটা টিম দিনরাত কাজ করেছে। আমরা রিসার্চ করেছি, নিজেরা বসে নিয়মিত আলোচনা করেছি, অন্যদের পরামর্শ নিয়েছি, বারবার ড্রাফট পরিমার্জনা করেছি। এছাড়া, সরকারের ভেতর নানা প্রতিকূলতার সাথেও নিরন্তর লড়াই করেছি। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় আইন প্রণয়ন করার জন্য আমাকে পদত্যাগের হুমকি পর্যন্ত দিতে হয়েছিল।

তিনি লিখেছেন, আমাদের এতো কষ্ট বৃথা যাবে না বলে বিশ্বাস করি। মানুষ বলতে শুরু করেছে এ সবই প্রকৃত সংস্কার, এসব অধ্যাদেশ রাখতে হবে। আমার মনে হয় না এসব আইন থেকে পিছিয়ে পড়া কারও পক্ষে সম্ভব হবে এখন।

আসিফ নজরুল লিখেছেন, আমাদের অন্যান্য কয়েকজন উপদেষ্টাও আইনগত সংস্কারের জন্য কাজ করেছেন। রাজস্ব, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, তথ্য প্রযুক্তি ও পরিবেশ বিষয় ভালো কিছু অধ্যাদেশ হয়েছে। আশা করি আমরা সবাই এসব আইন রাখার বিষয়েও সচেতন থাকবো।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রথমার্ধ শেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র

সমালোচকরা এখন বুঝতে পারছেন, আমাদের প্রণীত আইনগুলো ভালো ছিল: আসিফ নজরুল প্রকাশ:

আপডেট সময় ০২:৩৭:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারে প্রণয়ন করা আইনগুলো ভালো ছিল বলে সমালোচকরা এখন বুঝতে পারছেন– এমন মন্তব্য করেছেন ওই সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। সোমবার (৬ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

আসিফ নজরুল লেখেন, আমরা একের পর এক উচ্চাভিলাষী আইন করে যাচ্ছিলাম। মানবাধিকার কমিশন, গুম, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়, উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগ, দুদক আইন ছিল এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি। বলেছিলাম এগুলোই প্রকৃত সংস্কারমূলক আইন।

তিনি লিখেছেন, অনেকে তখন ‘কোথায় সংস্কার, কোথায় সংস্কার’ বা ‘সরকার তো কিছুই করছে না ’বলে আমাদের নাকচ করেছেন। কেউ কেউ ‘অধ্যাদেশের সরকার’ বলে ব্যঙ্গ করেছেন। দু–একজন পণ্ডিত এমন কথাও বলেছে, এসব করে কী লাভ! এসব তো করবে নির্বাচিত সরকার!

আসিফ নজরুল লিখেছেন, এখন এটা ভেবে ভালো লাগছে যে, আমাদের বন্ধু ও সমালোচকরা বুঝতে পারছেন, আমাদের প্রণীত আইনগুলো আসলেও ভালো ছিল এবং এসব করে রাখা দরকার ছিল। পুরো দেশ এখন সোচ্চার হচ্ছে এই আইনগুলো রাখার দাবি নিয়ে।

সাবেক আইন উপদেষ্টা লিখেছেন, আমরা এই আইনগুলো প্রণয়ন করতে অনেক কষ্ট করেছি। আইন মন্ত্রণালয়ের তুখোড় মেধাবীদের নিয়ে গড়া একটা টিম দিনরাত কাজ করেছে। আমরা রিসার্চ করেছি, নিজেরা বসে নিয়মিত আলোচনা করেছি, অন্যদের পরামর্শ নিয়েছি, বারবার ড্রাফট পরিমার্জনা করেছি। এছাড়া, সরকারের ভেতর নানা প্রতিকূলতার সাথেও নিরন্তর লড়াই করেছি। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় আইন প্রণয়ন করার জন্য আমাকে পদত্যাগের হুমকি পর্যন্ত দিতে হয়েছিল।

তিনি লিখেছেন, আমাদের এতো কষ্ট বৃথা যাবে না বলে বিশ্বাস করি। মানুষ বলতে শুরু করেছে এ সবই প্রকৃত সংস্কার, এসব অধ্যাদেশ রাখতে হবে। আমার মনে হয় না এসব আইন থেকে পিছিয়ে পড়া কারও পক্ষে সম্ভব হবে এখন।

আসিফ নজরুল লিখেছেন, আমাদের অন্যান্য কয়েকজন উপদেষ্টাও আইনগত সংস্কারের জন্য কাজ করেছেন। রাজস্ব, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, তথ্য প্রযুক্তি ও পরিবেশ বিষয় ভালো কিছু অধ্যাদেশ হয়েছে। আশা করি আমরা সবাই এসব আইন রাখার বিষয়েও সচেতন থাকবো।