জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, প্রিয় মোহাম্মদপুরবাসী! আল্লামা মামুনুল হক বিগত ১৭ বছর কোনো ছোটখাটো খেলোয়াড় ছিলেন না। হাসিনার সঙ্গে তিনি টক্কর দিয়ে চলেছেন। আপনারা তাকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠিয়ে একটি সুন্দর সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সুযোগ দেবেন। তার হাতকে শক্তিশালী করবেন।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত ঢাকা-১৩ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী আল্লামা মামুনুল হকের সমর্থনে জাপান গার্ডেন সিটির সামনে সমাবেশ ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আল্লামা মামুনুল হক বলেন, আমি যদি আল্লাহর রহমতে আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে কথা দিচ্ছি আপনাদেরকে ইনসাফের বাংলাদেশ উপহার দেব। শহীদ শরীফ ওসমান হাদিসহ সকল হত্যাকাণ্ড এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিচার নিশ্চিতে সর্বাত্মক চেষ্টা করব।
তিনি বলেন, শহীদ শরীফ ওসমান হাদী যেই মিশন শুরু করেছিল, শাহাদাতের রক্ত দিয়ে বাংলাদেশসহ সারা পৃথিবীর মানুষের হৃদয়ে যে মিশন লিখে গিয়েছিল—সেই ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমরণ লড়াই চালিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ। ওসমান হাদীর ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমরাও লড়াই করব, প্রয়োজনে শহীদ হব, তবু ইনসাফের লড়াই ছাড়ব না।
সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা আশরাফুজ্জামান, মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, ডা. শাফিউর রহমান, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, মাওলানা তোফাজ্জল হুসাইন মিয়াজী, মাওলানা আনোয়ার হুসাইন রাজী, মাওলানা সানাউল্লাহ আমিনী, জুলাই বিপ্লবের আলোচিত কণ্ঠস্বর খান তালাত মাহমুদ রাফি।
সমাবেশ শেষে জাপান গার্ডেন সিটির সামনে থেকে একটি গণমিছিল হয়।
এতে হাজার হাজার জনতার অংশগ্রহণে মোহাম্মদপুরের অলিগলি রিকশা প্রতীকের স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। সাধারণ নাগরিকদের মাঝে আনন্দমুখর হিল্লোল উঠে, নারী ও শিশুরা উঠানে করিডোরে বের হয়ে এসে হাত নাড়িয়ে সমর্থন ব্যক্ত করেন। সবার চোখে-মুখে আনন্দের বহিঃপ্রকাশ দেখা যায়, সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব পেয়ে তারা উৎফুল্ল।
মিছিলটি জাপান গার্ডেন সিটি থেকে শুরু হয়ে আদাবর ও মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা প্রদক্ষিণ করে মোহাম্মদপুর তিন রাস্তার মোড়ে এসে শেষ হয়।

নিজস্ব সংবাদ : 






















