ঢাকা ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

পাকিস্তানের অভিযোগ প্রত্যাখান করল ভারত

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:১৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৯৩ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানে ইসলামাবাদের একটি মসজিদে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে অন্তত ৩১ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় ভারতকে দায়ী করেছে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। তবে ভারতের পক্ষ থেকে সেই দাবি নাকজ করা হয়েছে।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দেওয়া এক বিবৃতিতে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ভারতকে জড়ানোর বিষয়টিকে ‘ভিত্তিহীন’ বলেছে নয়াদিল্লি।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইসলামাবাদের মসজিদে সংঘটিত বোমা হামলা নিন্দনীয়। এতে যে প্রাণহানি ঘটেছে, তার জন্য ভারত শোক প্রকাশ করছে।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, হামলাকারী ‘মুসল্লিদের শেষ সারিতে’ বিস্ফোরণ ঘটায়। এসময় তিনি, ওই বোমা হামলাকারীর আফগানিস্তানে যাতায়াতের ইতিহাস ছিল এবং তিনি এই হামলার পেছনে প্রতিবেশী দেশ ভারতকে দায়ী করেন।

বিবৃতিতে সেই বিষয়টি উল্লেখ করে ভারত জানায়, পাকিস্তানের সব অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে নয়াদিল্লি। এসব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন ও অর্থহীন’ বলে আখ্যায়িত করে।

শুক্রবার ইসলামাবাদের একটি মসজিদের গেটে এক হামলাকারী প্রথমে গুলি চালায়, এরপর আত্মঘাতী বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে অন্তত ৩১ জন নিহত হন। এটি পাকিস্তানের রাজধানীতে গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ এ ধরনের হামলা।

বিস্ফোরণে আরও ১৭০ জনের বেশি মানুষ আহত হন। কর্মকর্তারা জানান, শহরের খাদিজাতুল কুবরা ইমামবাড়ার ভেতরে ঢোকার সময় নিরাপত্তারক্ষীরা হামলাকারীকে চ্যালেঞ্জ করলে সে বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।

ঘটনাস্থলের ছবিতে দেখা যায়, কার্পেট বিছানো মসজিদের ভেতরে রক্তাক্ত দেহ পড়ে আছে—চারপাশে ভাঙা কাচ, ধ্বংসাবশেষ এবং আতঙ্কিত মুসল্লিরা। আরও অনেক আহত মানুষ কম্পাউন্ডের বাগানে পড়ে ছিলেন, সাহায্যের জন্য আর্তনাদ করছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

পাকিস্তানের অভিযোগ প্রত্যাখান করল ভারত

আপডেট সময় ০২:১৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাকিস্তানে ইসলামাবাদের একটি মসজিদে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে অন্তত ৩১ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় ভারতকে দায়ী করেছে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। তবে ভারতের পক্ষ থেকে সেই দাবি নাকজ করা হয়েছে।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দেওয়া এক বিবৃতিতে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ভারতকে জড়ানোর বিষয়টিকে ‘ভিত্তিহীন’ বলেছে নয়াদিল্লি।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইসলামাবাদের মসজিদে সংঘটিত বোমা হামলা নিন্দনীয়। এতে যে প্রাণহানি ঘটেছে, তার জন্য ভারত শোক প্রকাশ করছে।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, হামলাকারী ‘মুসল্লিদের শেষ সারিতে’ বিস্ফোরণ ঘটায়। এসময় তিনি, ওই বোমা হামলাকারীর আফগানিস্তানে যাতায়াতের ইতিহাস ছিল এবং তিনি এই হামলার পেছনে প্রতিবেশী দেশ ভারতকে দায়ী করেন।

বিবৃতিতে সেই বিষয়টি উল্লেখ করে ভারত জানায়, পাকিস্তানের সব অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে নয়াদিল্লি। এসব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন ও অর্থহীন’ বলে আখ্যায়িত করে।

শুক্রবার ইসলামাবাদের একটি মসজিদের গেটে এক হামলাকারী প্রথমে গুলি চালায়, এরপর আত্মঘাতী বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে অন্তত ৩১ জন নিহত হন। এটি পাকিস্তানের রাজধানীতে গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ এ ধরনের হামলা।

বিস্ফোরণে আরও ১৭০ জনের বেশি মানুষ আহত হন। কর্মকর্তারা জানান, শহরের খাদিজাতুল কুবরা ইমামবাড়ার ভেতরে ঢোকার সময় নিরাপত্তারক্ষীরা হামলাকারীকে চ্যালেঞ্জ করলে সে বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।

ঘটনাস্থলের ছবিতে দেখা যায়, কার্পেট বিছানো মসজিদের ভেতরে রক্তাক্ত দেহ পড়ে আছে—চারপাশে ভাঙা কাচ, ধ্বংসাবশেষ এবং আতঙ্কিত মুসল্লিরা। আরও অনেক আহত মানুষ কম্পাউন্ডের বাগানে পড়ে ছিলেন, সাহায্যের জন্য আর্তনাদ করছিলেন।