ঢাকা ১১:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ Logo ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে স্কুলছাত্রের মৃত্যু Logo মাদক ব্যবসা ছাড়ুন, না হলে এলাকা ছাড়ুন : এমপি আবু তালিব Logo ইরান সংঘাতে না জড়াতে চীনকে অনুরোধ করেছিলেন ট্রাম্প Logo প্রথমার্ধ শেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র Logo পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার Logo শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাবিতে নবীনবরণ, ‘পাইলট প্রকল্প’ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার ইঙ্গিত Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৫৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের ঘটনায় তেল-গ্যাস রপ্তানির প্রধান রুট হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা শনিবার (৬ জুন) এ তথ্য জানিয়েছে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে অননুমোদিত ট্যাংকার চলাচল নিয়ে উত্তেজনার পর কেশম ও সিরি দ্বীপে তাদের যোগাযোগ টাওয়ারে মার্কিন ড্রোন হামলা হয়। এর জবাবে ইরানের অ্যারোস্পেস ফোর্স কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর ৫ম ফ্লিটের সদর দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়।

আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, স্থানীয় সময় রাত সাড়ে একটার দিকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করে চারটি ট্যাংকার। নৌবাহিনীর সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে এবং কোনো সমন্বয় ছাড়াই তারা এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে একটি ট্যাংকারে হামলা চালিয়ে থামানো হয়। বাকি তিনটি জাহাজ ফিরে যায়।

এ ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে, রাত দুটার দিকে কেশম ও সিরি দ্বীপের আইআরজিসির দুটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ারে মার্কিন ড্রোন হামলা চালানো হয়। এর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ইরানি বাহিনী কুয়েত ও বাহরাইনের মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এ ধরনের আগ্রাসনমূলক তৎপরতা আবার ঘটলে ইরানের জবাব সীমিত থাকবে না। এর ফলে যদি হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করতে হয়, তাহলে তার দায়ভার পুরোপুরি মার্কিন-ইসরায়েল জোটকেই বহন করতে হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের

আপডেট সময় ০৬:৫৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের ঘটনায় তেল-গ্যাস রপ্তানির প্রধান রুট হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা শনিবার (৬ জুন) এ তথ্য জানিয়েছে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে অননুমোদিত ট্যাংকার চলাচল নিয়ে উত্তেজনার পর কেশম ও সিরি দ্বীপে তাদের যোগাযোগ টাওয়ারে মার্কিন ড্রোন হামলা হয়। এর জবাবে ইরানের অ্যারোস্পেস ফোর্স কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর ৫ম ফ্লিটের সদর দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়।

আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, স্থানীয় সময় রাত সাড়ে একটার দিকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করে চারটি ট্যাংকার। নৌবাহিনীর সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে এবং কোনো সমন্বয় ছাড়াই তারা এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে একটি ট্যাংকারে হামলা চালিয়ে থামানো হয়। বাকি তিনটি জাহাজ ফিরে যায়।

এ ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে, রাত দুটার দিকে কেশম ও সিরি দ্বীপের আইআরজিসির দুটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ারে মার্কিন ড্রোন হামলা চালানো হয়। এর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ইরানি বাহিনী কুয়েত ও বাহরাইনের মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এ ধরনের আগ্রাসনমূলক তৎপরতা আবার ঘটলে ইরানের জবাব সীমিত থাকবে না। এর ফলে যদি হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করতে হয়, তাহলে তার দায়ভার পুরোপুরি মার্কিন-ইসরায়েল জোটকেই বহন করতে হবে।