ঢাকা ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo তিন বছরে প্রায় ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে : বিজিএমইএ Logo হরমুজ প্রণালি বন্ধে সার সরবরাহে ধস, বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকটের শঙ্কা Logo পুলিশসহ জরুরি সেবায় থাকছে না জ্বালানি রেশনিং: প্রধানমন্ত্রী Logo সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করতে চাই: হাসনাত আবদুল্লাহ Logo সন্ত্রাসবাদ-জঙ্গি ইস্যুতে বিশ্বাসযোগ্য ও বস্তুনিষ্ঠ পদক্ষেপ নিতে হবে: গাজী আতাউর রহমান Logo বিক্ষোভে উত্তাল ভারতের মণিপুর: পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত অন্তত ৩০ Logo আইভীকে নতুন মামলায় গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ Logo সমালোচনা করলে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে: হাসনাত আবদুল্লাহ Logo প্রধান তথ্য কর্মকর্তা হলেন সিনিয়র সাংবাদিক আবদাল আহমেদ Logo ঢাকা দক্ষিণ এনসিপির আহ্বায়ক ইসহাক, সদস্য সচিব শাহরিয়ার

লাল নাকি সাদা— কোন রঙের ডিম বেশি উপকারী?

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:০০:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

আমরা অনেকেই মনে করি, লাল খোসার ডিম বেশি পুষ্টিকর বা দেশি মুরগির ডিম। আবার কেউ কেউ মনে করি, সাদা ডিমেই সেরা। কিন্তু এ দুই ধরনের ডিমের খোসার রঙের পার্থক্য সত্ত্বেও পুষ্টিগুণে কি সত্যিই কোনো তারতম্য আছে?

ডিম প্রোটিনের এক চমৎকার উৎস, যা প্রায় সব বাড়িতেই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকে। আর বাজারে সাধারণত দুই ধরনের ডিম পাওয়া যায়— একটি হচ্ছে লাল খোসার ডিম (বাদামি), অন্যটি সাদা খোসার ডিম।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন ধরনের ডিম বেশি পুষ্টিকর—

ডিমের খোসার রং ডিম পাড়া মুরগির জাতের ওপর নির্ভর করে থাকে। লাল/বাদামি ডিম সাধারণত রোড আইল্যান্ড রেড বা প্লিমথ রকের মতো বড় ও লালচে পালকযুক্ত মুরগি থেকে আসে। আর সাদা ডিম হোয়াইট লেগহর্নের মতো সাদা পালকযুক্ত মুরগি থেকে আসে। এদের খোসার রঙে ভিন্নতা থাকলেও এটি ডিমের পুষ্টিগুণ বা স্বাদের ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না। খোসার রং শুধু মুরগির জেনেটিক বৈশিষ্ট্য মাত্র।

এ বিষষে চিকিৎসাবিজ্ঞান ও খাদ্য বিশেষজ্ঞরা একমত যে, ডিমের খোসার রঙের সঙ্গে তার পুষ্টিগুণের কোনো সম্পর্ক নেই। সাদা ও লাল উভয় ডিমেই একই পরিমাণে প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন এবং মিনারেল থাকে। উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রায় ৬-৭ গ্রাম প্রোটিন, ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি১২, সেলেনিয়াম এবং কোলিন পাওয়া যায়। স্বাদের পার্থক্য যদি অনুভূত হয়, তবে তা মুরগির খাদ্যাভ্যাস, তার বয়স এবং ডিমটি কতটা টাটকা—এর ওপর নির্ভর করে, খোসার রঙের ওপর নয়। অনেক সময় বাদামী ডিমের খোসা সাদা ডিমের চেয়ে সামান্য পুরু মনে হতে পারে, তবে এটিও মুরগির বয়স এবং ডায়েটের ওপর নির্ভর করে, রঙের ওপর নয়।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে— লাল ডিম কেন বেশি দাম? কারণ লাল খোসার ডিম অনেক সময় সাদা ডিমের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হয়। এর প্রধান কারণ হচ্ছে— যেসব মুরগি লাল ডিম পাড়ে, তারা সাধারণত আকারে বড় হয় এবং বেশি খাবার খায়। ফলে ডিম উৎপাদনের খরচ বেড়ে যায়। আর কিছু ক্রেতার মধ্যে এই প্রচলিত বিশ্বাস রয়েছে যে, লাল ডিম বেশি স্বাস্থ্যকর, যার কারণে চাহিদা ও মূল্য বাড়ে।

এককথায় লাল খোসার ডিম কিংবা সাদা খোসার ডিম— কোনোটাই একটির চেয়ে অন্যটি বেশি উপকারী নয়। স্বাস্থ্য সচেতনতার ক্ষেত্রে ডিমের রং না দেখে, সেটি টাটকা কিনা এবং মুরগিকে কী খাওয়ানো হচ্ছে, সেদিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

তিন বছরে প্রায় ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে : বিজিএমইএ

লাল নাকি সাদা— কোন রঙের ডিম বেশি উপকারী?

আপডেট সময় ১১:০০:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

আমরা অনেকেই মনে করি, লাল খোসার ডিম বেশি পুষ্টিকর বা দেশি মুরগির ডিম। আবার কেউ কেউ মনে করি, সাদা ডিমেই সেরা। কিন্তু এ দুই ধরনের ডিমের খোসার রঙের পার্থক্য সত্ত্বেও পুষ্টিগুণে কি সত্যিই কোনো তারতম্য আছে?

ডিম প্রোটিনের এক চমৎকার উৎস, যা প্রায় সব বাড়িতেই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকে। আর বাজারে সাধারণত দুই ধরনের ডিম পাওয়া যায়— একটি হচ্ছে লাল খোসার ডিম (বাদামি), অন্যটি সাদা খোসার ডিম।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন ধরনের ডিম বেশি পুষ্টিকর—

ডিমের খোসার রং ডিম পাড়া মুরগির জাতের ওপর নির্ভর করে থাকে। লাল/বাদামি ডিম সাধারণত রোড আইল্যান্ড রেড বা প্লিমথ রকের মতো বড় ও লালচে পালকযুক্ত মুরগি থেকে আসে। আর সাদা ডিম হোয়াইট লেগহর্নের মতো সাদা পালকযুক্ত মুরগি থেকে আসে। এদের খোসার রঙে ভিন্নতা থাকলেও এটি ডিমের পুষ্টিগুণ বা স্বাদের ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না। খোসার রং শুধু মুরগির জেনেটিক বৈশিষ্ট্য মাত্র।

এ বিষষে চিকিৎসাবিজ্ঞান ও খাদ্য বিশেষজ্ঞরা একমত যে, ডিমের খোসার রঙের সঙ্গে তার পুষ্টিগুণের কোনো সম্পর্ক নেই। সাদা ও লাল উভয় ডিমেই একই পরিমাণে প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন এবং মিনারেল থাকে। উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রায় ৬-৭ গ্রাম প্রোটিন, ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি১২, সেলেনিয়াম এবং কোলিন পাওয়া যায়। স্বাদের পার্থক্য যদি অনুভূত হয়, তবে তা মুরগির খাদ্যাভ্যাস, তার বয়স এবং ডিমটি কতটা টাটকা—এর ওপর নির্ভর করে, খোসার রঙের ওপর নয়। অনেক সময় বাদামী ডিমের খোসা সাদা ডিমের চেয়ে সামান্য পুরু মনে হতে পারে, তবে এটিও মুরগির বয়স এবং ডায়েটের ওপর নির্ভর করে, রঙের ওপর নয়।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে— লাল ডিম কেন বেশি দাম? কারণ লাল খোসার ডিম অনেক সময় সাদা ডিমের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হয়। এর প্রধান কারণ হচ্ছে— যেসব মুরগি লাল ডিম পাড়ে, তারা সাধারণত আকারে বড় হয় এবং বেশি খাবার খায়। ফলে ডিম উৎপাদনের খরচ বেড়ে যায়। আর কিছু ক্রেতার মধ্যে এই প্রচলিত বিশ্বাস রয়েছে যে, লাল ডিম বেশি স্বাস্থ্যকর, যার কারণে চাহিদা ও মূল্য বাড়ে।

এককথায় লাল খোসার ডিম কিংবা সাদা খোসার ডিম— কোনোটাই একটির চেয়ে অন্যটি বেশি উপকারী নয়। স্বাস্থ্য সচেতনতার ক্ষেত্রে ডিমের রং না দেখে, সেটি টাটকা কিনা এবং মুরগিকে কী খাওয়ানো হচ্ছে, সেদিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481