ঢাকা ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

প্রধান তথ্য কর্মকর্তা হলেন সিনিয়র সাংবাদিক আবদাল আহমেদ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৫০:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (পিআইও) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আমার দেশের নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ। সরকারের সচিব পদমর্যাদায় (গ্রেড-১) হিসেবে রবিবার (২৬ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অন্য যে কোনও পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছর মেয়াদে তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য অফিসার (গ্রেড-১) পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলো।

এতে আরও বলা হয়, এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে।

জাতীয় প্রেসক্লাবের দুবারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ ১৯৯২-৯৬ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপ-প্রেসসচিব (সরকারের উপ-সচিব পদমর্যদা) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি অনুসন্ধানী রিপোর্টের জন্য ১৯৮৯ সালে মর্যদাপূর্ণ ফিলিপস পুরস্কার, এসকাপ-এফইজেবি পুরষ্কার এবং ২০২৫ সালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির আজীবন সম্মাননা লাভ করেন।

পেশায় সাংবাদিক সৈয়দ আবদাল আহমদের জন্ম ১৯৬২ সালের ২৮ নভেম্বর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের নাসিরপুর গ্রামে। তবে তিনি সিলেটের হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও হবিগঞ্জের বৃন্দাবন সরকারি কলেজে পড়াশোনা করেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে বিএসসি অনার্স ও এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৮২ সালে দৈনিক বাংলায় বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করে এ পত্রিকায় ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। পরে দৈনিক আমার দেশ ছাড়াও কাজ করেছেন বাসস, দৈনিক জনকণ্ঠ, দৈনিক দিনকাল, সাপ্তাহিক বিচিত্রাসহ বিভিন্ন পত্রিকায়।

সৈয়দ আবদাল আহমদ ২০১১-২০১৫ সময়ে দুই মেয়াদে টানা পাঁচ বছর জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি বাংলা একাডেমির জীবন সদস্য। প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

বর্তমানে তিনি দৈনিক আমার দেশের নির্বাহী সম্পাদক ও কিশোর মাসিক টুনটুনির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক। তিনি ২০ টিরও বেশি বইয়ের লেখক। এর মধ্য উল্লেখযোগ্য হলো, নন্দিত নেত্রী খালেদা জিয়া (প্রথম জীবনীগ্রন্থ) বুড়িগঙ্গা তীরের রহস্যনগরী, কিংবদন্তির জিয়া, চিরকালের ছড়া কবিতা, মহান ভাষা আন্দোলন, জলবায়ু পরিবর্তন, নবীজি (সা.), গণতন্ত্রের সংগ্রাম, পড়শী বাড়ীর খোঁজখবর, জলচর আদুরে প্রাণী ডলফিন, পাঁচটি গণ আন্দোলন, প্যারিস আইফেল টাওয়ার মোনালিসা, টুনটুনির গল্প, বিজয় ও স্বাধীনতা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

প্রধান তথ্য কর্মকর্তা হলেন সিনিয়র সাংবাদিক আবদাল আহমেদ

আপডেট সময় ০৬:৫০:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (পিআইও) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আমার দেশের নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ। সরকারের সচিব পদমর্যাদায় (গ্রেড-১) হিসেবে রবিবার (২৬ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অন্য যে কোনও পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছর মেয়াদে তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য অফিসার (গ্রেড-১) পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলো।

এতে আরও বলা হয়, এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে।

জাতীয় প্রেসক্লাবের দুবারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ ১৯৯২-৯৬ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপ-প্রেসসচিব (সরকারের উপ-সচিব পদমর্যদা) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি অনুসন্ধানী রিপোর্টের জন্য ১৯৮৯ সালে মর্যদাপূর্ণ ফিলিপস পুরস্কার, এসকাপ-এফইজেবি পুরষ্কার এবং ২০২৫ সালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির আজীবন সম্মাননা লাভ করেন।

পেশায় সাংবাদিক সৈয়দ আবদাল আহমদের জন্ম ১৯৬২ সালের ২৮ নভেম্বর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের নাসিরপুর গ্রামে। তবে তিনি সিলেটের হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও হবিগঞ্জের বৃন্দাবন সরকারি কলেজে পড়াশোনা করেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে বিএসসি অনার্স ও এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৮২ সালে দৈনিক বাংলায় বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করে এ পত্রিকায় ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। পরে দৈনিক আমার দেশ ছাড়াও কাজ করেছেন বাসস, দৈনিক জনকণ্ঠ, দৈনিক দিনকাল, সাপ্তাহিক বিচিত্রাসহ বিভিন্ন পত্রিকায়।

সৈয়দ আবদাল আহমদ ২০১১-২০১৫ সময়ে দুই মেয়াদে টানা পাঁচ বছর জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি বাংলা একাডেমির জীবন সদস্য। প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

বর্তমানে তিনি দৈনিক আমার দেশের নির্বাহী সম্পাদক ও কিশোর মাসিক টুনটুনির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক। তিনি ২০ টিরও বেশি বইয়ের লেখক। এর মধ্য উল্লেখযোগ্য হলো, নন্দিত নেত্রী খালেদা জিয়া (প্রথম জীবনীগ্রন্থ) বুড়িগঙ্গা তীরের রহস্যনগরী, কিংবদন্তির জিয়া, চিরকালের ছড়া কবিতা, মহান ভাষা আন্দোলন, জলবায়ু পরিবর্তন, নবীজি (সা.), গণতন্ত্রের সংগ্রাম, পড়শী বাড়ীর খোঁজখবর, জলচর আদুরে প্রাণী ডলফিন, পাঁচটি গণ আন্দোলন, প্যারিস আইফেল টাওয়ার মোনালিসা, টুনটুনির গল্প, বিজয় ও স্বাধীনতা।