ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রক্তের দাগ না শুকাতেই ফ্যাসিবাদী চক্র আবারও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে: টুকু Logo পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর ১০ বিডিআর সদস্যকে হত্যা করে জিয়াউল: দেহরক্ষীর সাক্ষ্য Logo আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যেকোনো কর্মসূচি প্রতিহতের ঘোষণা র‍্যাবের Logo ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে ছিল জিয়াউলের কিলিং নেটওয়ার্ক: চিফ প্রসিকিউটর Logo টানা ৪০ দিন জামাতে নামাজ আদায় করে সাইকেল পেল ৯ শিশু-কিশোর Logo ইন্সপেক্টরকে ঝুলিয়ে পেটানোর বক্তব্যের জেরে কেএমপির অতিরিক্ত কমিশনার রাশিদুল প্রত্যাহার Logo আলোচনা ব্যর্থ হলে হরমুজে টোল বসাবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প Logo ‘ইসলামপন্থিদের রাজনৈতিক বিজয়ে শক্তিশালী মিডিয়া কাঠামো গড়ে তুলতে হবে’ Logo আজ মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী Logo যুক্তরাজ্যে আইনি ঝামেলায় পড়তে পারেন হাসনাত আবদুল্লাহ!

মরণফাঁদ হয়ে উঠছে সাবওয়ে সার্ফিং

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:০১:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
  • ৭৬ বার পড়া হয়েছে

বিপজ্জনক এ খেলায় মেতে উঠে গত ৭ বছরে প্রাণ হারিয়েছে ১৮ জন।

নিউ ইয়র্ক সিটিতে মরণফাঁদ হয়ে উঠছে সাবওয়ে ট্রেনের ছাদে সার্ফিং।

বিপজ্জনক এ খেলায় মেতে উঠে গত ৭ বছরে প্রাণ হারিয়েছে ১৮ জন।

এমন বাস্তবতায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাবওয়ে সার্ফিংয়ে মৃত্যুর উল্লেখযোগ্য কারণ অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের অসচেতনতা এবং স্কুলে কাউন্সেলিংয়ের অভাব।

নিউ ইয়র্ক সিটির জীবনযাত্রায় ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে সাবওয়ে। প্রতিদিন প্রায় ৫০ লাখ মানুষ যাতায়াত করেন ভূগর্ভস্থ এ ট্রেনে, তবে এই গতিশীলতার মাঝেই লুকিয়ে আছে কিছু খারাপ খবর।

ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রতি বছর কিছু সিটিবাসীর প্রাণ যাচ্ছে। এসব দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মধ্যে রয়েছে ট্রেনের ধাক্কা, প্ল্যাটফর্ম থেকে পড়ে যাওয়া, রেল বিদ্যুৎ, সাবওয়ে সার্ফিং ও আত্মহত্যা।

মেট্রোপলিটন ট্রান্সপোর্টেশন অথরিটি-এমটিএর তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সাবওয়েতে দুর্ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে।

২০০৩ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণ যায় ২১১ জনের, তবে এর মধ্যে ১১১ জনই আত্মহত্যা করেন।

২০২১ সালে মেট্রোরেল দুর্ঘটনায় নিহত হন ৭৭ জন এবং ২০২২ সালে তা ৮৮ জনে গিয়ে দাঁড়ায়।

এসব দুর্ঘটনার ৪৮ ভাগই আত্মহত্যা এবং ৩৩ ভাগ ঘটেছে অসাবধানতা, মানসিক অস্থিরতার কারণে।

বর্তমানে নতুন এক ঝুঁকিপূর্ণ খেলার নাম সাবওয়ে সার্ফিং। ট্রেনের ওপরে উঠে ভিডিও বানানোর বিপজ্জনক এ প্রবণতা বাড়ছে কিশোর-কিশোরী ও তরুণ-তরুণীদের মধ্যে।

নিউ ইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের নিরাপত্তা কমিটি ও এমটিএ রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৯ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত সাবওয়েতে সার্ফিং করতে গিয়ে নিউ ইয়র্ক সিটিতে প্রাণ হারায় প্রায় ১৮ জন।

এর মধ্যে ২০১৯ থেকে ২০২২ পর্যন্ত পাঁচজন, ২০২৩ সালে পাঁচজন, ২০২৪ সালে ছয়জন ও সবশেষ ২০২৫ সালের চলতি মাসে সাবওয়ে সার্ফিং করতে গিয়ে সিটিতে প্রাণ হারায় ২ কিশোরী।

এসব দুর্ঘটনার শিকার বেশির ভাগেরই বয়স ১৮ বছরের মধ্যে।

কিশোর-কিশোরী বা তরুণরা সোশ্যাল মিডিয়ার ‘চ্যালেঞ্জ’ গ্রহণ করে কিংবা ‘ভিউ’ বাড়ানোর লোভে বিপদকে ডেকে আনছে। প্রতিদিন ট্রেনে ও প্ল্যাটফর্মে সতর্কবার্তা দিয়েও আটকানো যাচ্ছে না মৃত্যু নিয়ে এ খেলা।

বিপজ্জনক এ খেলা রোধে স্কুল ও অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে বলে মনে করেন সিটি এডুকেশনাল পলিসির চেয়ারম্যান শামসুল হক।

সেভেন ট্রেনসহ ছাদে ওঠা যায় এমন ট্রেনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও বাড়ানোর তাগিদ দেন তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

রক্তের দাগ না শুকাতেই ফ্যাসিবাদী চক্র আবারও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে: টুকু

মরণফাঁদ হয়ে উঠছে সাবওয়ে সার্ফিং

আপডেট সময় ১০:০১:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

বিপজ্জনক এ খেলায় মেতে উঠে গত ৭ বছরে প্রাণ হারিয়েছে ১৮ জন।

নিউ ইয়র্ক সিটিতে মরণফাঁদ হয়ে উঠছে সাবওয়ে ট্রেনের ছাদে সার্ফিং।

বিপজ্জনক এ খেলায় মেতে উঠে গত ৭ বছরে প্রাণ হারিয়েছে ১৮ জন।

এমন বাস্তবতায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাবওয়ে সার্ফিংয়ে মৃত্যুর উল্লেখযোগ্য কারণ অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের অসচেতনতা এবং স্কুলে কাউন্সেলিংয়ের অভাব।

নিউ ইয়র্ক সিটির জীবনযাত্রায় ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে সাবওয়ে। প্রতিদিন প্রায় ৫০ লাখ মানুষ যাতায়াত করেন ভূগর্ভস্থ এ ট্রেনে, তবে এই গতিশীলতার মাঝেই লুকিয়ে আছে কিছু খারাপ খবর।

ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রতি বছর কিছু সিটিবাসীর প্রাণ যাচ্ছে। এসব দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মধ্যে রয়েছে ট্রেনের ধাক্কা, প্ল্যাটফর্ম থেকে পড়ে যাওয়া, রেল বিদ্যুৎ, সাবওয়ে সার্ফিং ও আত্মহত্যা।

মেট্রোপলিটন ট্রান্সপোর্টেশন অথরিটি-এমটিএর তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সাবওয়েতে দুর্ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে।

২০০৩ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণ যায় ২১১ জনের, তবে এর মধ্যে ১১১ জনই আত্মহত্যা করেন।

২০২১ সালে মেট্রোরেল দুর্ঘটনায় নিহত হন ৭৭ জন এবং ২০২২ সালে তা ৮৮ জনে গিয়ে দাঁড়ায়।

এসব দুর্ঘটনার ৪৮ ভাগই আত্মহত্যা এবং ৩৩ ভাগ ঘটেছে অসাবধানতা, মানসিক অস্থিরতার কারণে।

বর্তমানে নতুন এক ঝুঁকিপূর্ণ খেলার নাম সাবওয়ে সার্ফিং। ট্রেনের ওপরে উঠে ভিডিও বানানোর বিপজ্জনক এ প্রবণতা বাড়ছে কিশোর-কিশোরী ও তরুণ-তরুণীদের মধ্যে।

নিউ ইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের নিরাপত্তা কমিটি ও এমটিএ রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৯ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত সাবওয়েতে সার্ফিং করতে গিয়ে নিউ ইয়র্ক সিটিতে প্রাণ হারায় প্রায় ১৮ জন।

এর মধ্যে ২০১৯ থেকে ২০২২ পর্যন্ত পাঁচজন, ২০২৩ সালে পাঁচজন, ২০২৪ সালে ছয়জন ও সবশেষ ২০২৫ সালের চলতি মাসে সাবওয়ে সার্ফিং করতে গিয়ে সিটিতে প্রাণ হারায় ২ কিশোরী।

এসব দুর্ঘটনার শিকার বেশির ভাগেরই বয়স ১৮ বছরের মধ্যে।

কিশোর-কিশোরী বা তরুণরা সোশ্যাল মিডিয়ার ‘চ্যালেঞ্জ’ গ্রহণ করে কিংবা ‘ভিউ’ বাড়ানোর লোভে বিপদকে ডেকে আনছে। প্রতিদিন ট্রেনে ও প্ল্যাটফর্মে সতর্কবার্তা দিয়েও আটকানো যাচ্ছে না মৃত্যু নিয়ে এ খেলা।

বিপজ্জনক এ খেলা রোধে স্কুল ও অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে বলে মনে করেন সিটি এডুকেশনাল পলিসির চেয়ারম্যান শামসুল হক।

সেভেন ট্রেনসহ ছাদে ওঠা যায় এমন ট্রেনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও বাড়ানোর তাগিদ দেন তিনি।