ঢাকা ০১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ইন্সপেক্টরকে ঝুলিয়ে পেটানোর বক্তব্যের জেরে কেএমপির অতিরিক্ত কমিশনার রাশিদুল প্রত্যাহার Logo আলোচনা ব্যর্থ হলে হরমুজে টোল বসাবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প Logo ‘ইসলামপন্থিদের রাজনৈতিক বিজয়ে শক্তিশালী মিডিয়া কাঠামো গড়ে তুলতে হবে’ Logo আজ মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী Logo যুক্তরাজ্যে আইনি ঝামেলায় পড়তে পারেন হাসনাত আবদুল্লাহ! Logo মেসির সতীর্থ হচ্ছেন ব্রাজিলের তারকা মিডফিল্ডার Logo শীর্ষস্থান দখলের লড়াইয়ে মুখোমুখি জার্মানি-আইভরি কোস্ট Logo তথ্য ফাঁস করলে ইন্সপেক্টরকে গাছে ঝুলাইয়া পে/টাব: পুলিশ কমিশনারের ভিডিও ভাইরাল Logo হরমুজ বন্ধের ঘোষণায় লেবাননে হামলা বন্ধের নির্দেশ নেতানিয়াহুর Logo পানিসম্পদমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে ‘কটূক্তি’, ২০ দিন ধরে কারাগারে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা

ইন্সপেক্টরকে ঝুলিয়ে পেটানোর বক্তব্যের জেরে কেএমপির অতিরিক্ত কমিশনার রাশিদুল প্রত্যাহার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:২৪:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

ইন্সপেক্টরকে ঝুলিয়ে পেটানোর বক্তব্যের জেরে কেএমপির অতিরিক্ত কমিশনার রাশিদুল প্রত্যাহার
খুলনা: খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকায় সংযুক্ত করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখা থেকে ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে আগামী ২১ জুন ঢাকায় রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

আদেশে বলা হয়, মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান (বিপিএম-সেবা, পিপিএম বার), অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, কেএমপি, খুলনা বর্তমান কর্মস্থল থেকে দায়িত্বভার অর্পণ করে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে যোগ দেবেন।

পুলিশের কেউ যদি গোপন তথ্য ফাঁস করেন তাহলে তাকেও শাস্তির আওতায় আনার কথা বলার ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় রাশিদুল হাসান খাকে প্রত্যাহার করা হয়।

তার এই বক্তব্যের ২৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
সেখানে তাকে বলতে শোনা যায়, “দারোগা বা ইন্সপেক্টরকে বলার পর কোনো ইনফরমেশন যদি ফাঁস হয়, আমি মুসলমান হিসেবে কথা দিচ্ছি, আমি ইন্সপেক্টরকে ঝুলায় দেব, আপনারা পিটায় মারবেন।

আপনারা গোপন তথ্য দেবেন, আল্লাহ ছাড়া কেউ জানলে আমি কথা দিচ্ছি গাছের সঙ্গে ঝুলাইয়া পিটাব।”
রাশিদুল হাসান খান গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) নগরীর লবণচরা থানার মহিরবাড়ি খালপাড় এলাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করার সময় এ বক্তব্য দেন।

তবে ভিডিওটি শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ায়।
জানা গেছে, গত মঙ্গলবার নগরীর লবণচরা থানার মহিরবাড়ি খালপাড় এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে পুলিশের এক মতবিনিময় সভায় এ বক্তব্য দেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটি সন্ত্রাস, অস্ত্রধারী গ্রুপের তৎপরতা এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে আলোচিত। স্থানীয়দের অভিযোগ, অপরাধীদের ভয়ে অনেকেই পুলিশের কাছে তথ্য দিতে বা অভিযোগ জানাতে সাহস পান না।

সভায় উপস্থিত কয়েকজন বাসিন্দা পুলিশের কাছে তথ্য দেয়ার পর তা গোপন না থাকার আশঙ্কার কথা তুলে ধরেন। তাদের মতে, তথ্যদাতার পরিচয় প্রকাশ হয়ে যাওয়ার ভয় অনেককে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতা করতে নিরুৎসাহিত করে।

এ সময় পুলিশ কর্মকর্তারা স্থানীয়দের অপরাধ দমনে সহযোগিতার আহ্বান জানান। আলোচনার একপর্যায়ে তথ্য ফাঁসের অভিযোগ প্রসঙ্গে ক্ষোভ ও উদ্বেগের কথা উঠে আসে। এর জবাবে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রাশিদুল হাসান খান তথ্যদাতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে দৃঢ় আশ্বাস দেন এবং কোনো কর্মকর্তা তথ্য ফাঁসের সঙ্গে জড়িত প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান।

এ বিষয়ে রাশিদুল হাসান খান বলেন, ‘খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে অনেক মানুষের মধ্যে তথ্য গোপন থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। সেই উদ্বেগ দূর করতে তিনি বক্তব্য দিয়েছেন।

তার ভাষ্য, বক্তব্যের একটি সংক্ষিপ্ত অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে, ফলে পুরো প্রেক্ষাপট অনেকের কাছে স্পষ্ট হয়নি। তিনি মূলত বোঝাতে চেয়েছেন, কোনো পুলিশ সদস্য যদি তথ্যদাতার পরিচয় প্রকাশ করে বা দায়িত্বে অবহেলা করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে উদ্বেগ জানিয়ে শনিবার বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন একটি বিবৃতি দিয়েছে।

বিবৃতিতে লবনচরা থানার বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন মনে করে, পুলিশ বাহিনীর সব সদস্য ও কর্মকর্তার বক্তব্যে সর্বদা পেশাদারিত্ব, সংযম এবং প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যবোধের প্রতিফলন থাকা বাঞ্ছনীয়। জনসম্মুখে প্রদত্ত যেকোনো বক্তব্য এমন হওয়া উচিত, যা বাহিনীর মর্যাদা, শৃঙ্খলা ও জনগণের আস্থাকে আরও সুদৃঢ় করে।

এতে বলা হয়, বিগত সময়ের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বাংলাদেশ পুলিশ পেশাদারিত্ব, ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে জনসেবা প্রদানের মাধ্যমে জনগণের আস্থা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এ প্রেক্ষাপটে বাহিনীর সদস্যদের মনোবল, পেশাগত নিরাপত্তা ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে আমরা মনে করি।

বিবৃতিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত উক্ত বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যদের মধ্যে নানামুখী প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়েছে। অনেক সদস্য বিষয়টিকে সংবেদনশীল হিসেবে বিবেচনা করে তাদের উদ্বেগ ও মতামত প্রকাশ করেছেন।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলার বিষয় থাকলে তা প্রচলিত আইন, বিভাগীয় বিধি-বিধান ও সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। এ ধরনের বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়াই সর্বোত্তম ও গ্রহণযোগ্য পন্থা।

দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলার বিষয় থাকলে তা প্রচলিত আইন, বিভাগীয় বিধি-বিধান ও সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। এ ধরনের বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়াই সর্বোত্তম ও গ্রহণযোগ্য পন্থা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ইন্সপেক্টরকে ঝুলিয়ে পেটানোর বক্তব্যের জেরে কেএমপির অতিরিক্ত কমিশনার রাশিদুল প্রত্যাহার

ইন্সপেক্টরকে ঝুলিয়ে পেটানোর বক্তব্যের জেরে কেএমপির অতিরিক্ত কমিশনার রাশিদুল প্রত্যাহার

আপডেট সময় ০১:২৪:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

ইন্সপেক্টরকে ঝুলিয়ে পেটানোর বক্তব্যের জেরে কেএমপির অতিরিক্ত কমিশনার রাশিদুল প্রত্যাহার
খুলনা: খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকায় সংযুক্ত করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখা থেকে ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে আগামী ২১ জুন ঢাকায় রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

আদেশে বলা হয়, মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান (বিপিএম-সেবা, পিপিএম বার), অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, কেএমপি, খুলনা বর্তমান কর্মস্থল থেকে দায়িত্বভার অর্পণ করে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে যোগ দেবেন।

পুলিশের কেউ যদি গোপন তথ্য ফাঁস করেন তাহলে তাকেও শাস্তির আওতায় আনার কথা বলার ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় রাশিদুল হাসান খাকে প্রত্যাহার করা হয়।

তার এই বক্তব্যের ২৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
সেখানে তাকে বলতে শোনা যায়, “দারোগা বা ইন্সপেক্টরকে বলার পর কোনো ইনফরমেশন যদি ফাঁস হয়, আমি মুসলমান হিসেবে কথা দিচ্ছি, আমি ইন্সপেক্টরকে ঝুলায় দেব, আপনারা পিটায় মারবেন।

আপনারা গোপন তথ্য দেবেন, আল্লাহ ছাড়া কেউ জানলে আমি কথা দিচ্ছি গাছের সঙ্গে ঝুলাইয়া পিটাব।”
রাশিদুল হাসান খান গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) নগরীর লবণচরা থানার মহিরবাড়ি খালপাড় এলাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করার সময় এ বক্তব্য দেন।

তবে ভিডিওটি শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ায়।
জানা গেছে, গত মঙ্গলবার নগরীর লবণচরা থানার মহিরবাড়ি খালপাড় এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে পুলিশের এক মতবিনিময় সভায় এ বক্তব্য দেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটি সন্ত্রাস, অস্ত্রধারী গ্রুপের তৎপরতা এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে আলোচিত। স্থানীয়দের অভিযোগ, অপরাধীদের ভয়ে অনেকেই পুলিশের কাছে তথ্য দিতে বা অভিযোগ জানাতে সাহস পান না।

সভায় উপস্থিত কয়েকজন বাসিন্দা পুলিশের কাছে তথ্য দেয়ার পর তা গোপন না থাকার আশঙ্কার কথা তুলে ধরেন। তাদের মতে, তথ্যদাতার পরিচয় প্রকাশ হয়ে যাওয়ার ভয় অনেককে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতা করতে নিরুৎসাহিত করে।

এ সময় পুলিশ কর্মকর্তারা স্থানীয়দের অপরাধ দমনে সহযোগিতার আহ্বান জানান। আলোচনার একপর্যায়ে তথ্য ফাঁসের অভিযোগ প্রসঙ্গে ক্ষোভ ও উদ্বেগের কথা উঠে আসে। এর জবাবে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রাশিদুল হাসান খান তথ্যদাতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে দৃঢ় আশ্বাস দেন এবং কোনো কর্মকর্তা তথ্য ফাঁসের সঙ্গে জড়িত প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান।

এ বিষয়ে রাশিদুল হাসান খান বলেন, ‘খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে অনেক মানুষের মধ্যে তথ্য গোপন থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। সেই উদ্বেগ দূর করতে তিনি বক্তব্য দিয়েছেন।

তার ভাষ্য, বক্তব্যের একটি সংক্ষিপ্ত অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে, ফলে পুরো প্রেক্ষাপট অনেকের কাছে স্পষ্ট হয়নি। তিনি মূলত বোঝাতে চেয়েছেন, কোনো পুলিশ সদস্য যদি তথ্যদাতার পরিচয় প্রকাশ করে বা দায়িত্বে অবহেলা করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে উদ্বেগ জানিয়ে শনিবার বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন একটি বিবৃতি দিয়েছে।

বিবৃতিতে লবনচরা থানার বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন মনে করে, পুলিশ বাহিনীর সব সদস্য ও কর্মকর্তার বক্তব্যে সর্বদা পেশাদারিত্ব, সংযম এবং প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যবোধের প্রতিফলন থাকা বাঞ্ছনীয়। জনসম্মুখে প্রদত্ত যেকোনো বক্তব্য এমন হওয়া উচিত, যা বাহিনীর মর্যাদা, শৃঙ্খলা ও জনগণের আস্থাকে আরও সুদৃঢ় করে।

এতে বলা হয়, বিগত সময়ের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বাংলাদেশ পুলিশ পেশাদারিত্ব, ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে জনসেবা প্রদানের মাধ্যমে জনগণের আস্থা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এ প্রেক্ষাপটে বাহিনীর সদস্যদের মনোবল, পেশাগত নিরাপত্তা ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে আমরা মনে করি।

বিবৃতিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত উক্ত বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যদের মধ্যে নানামুখী প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়েছে। অনেক সদস্য বিষয়টিকে সংবেদনশীল হিসেবে বিবেচনা করে তাদের উদ্বেগ ও মতামত প্রকাশ করেছেন।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলার বিষয় থাকলে তা প্রচলিত আইন, বিভাগীয় বিধি-বিধান ও সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। এ ধরনের বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়াই সর্বোত্তম ও গ্রহণযোগ্য পন্থা।

দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলার বিষয় থাকলে তা প্রচলিত আইন, বিভাগীয় বিধি-বিধান ও সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। এ ধরনের বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়াই সর্বোত্তম ও গ্রহণযোগ্য পন্থা।