ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার Logo শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাবিতে নবীনবরণ, ‘পাইলট প্রকল্প’ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার ইঙ্গিত Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের Logo আগস্টে সারা দেশে শোডাউনের চিন্তা আ.লীগের, ২ ডজন কমিটি গঠন Logo ইরানে হিজাববিহীন গান গাওয়ার অপরাধে গায়িকাকে ৭৪ দোররা মারার নির্দেশ Logo মেসির বাবার মৃত্যুর খবর প্রচার করে চাকরি হারালেন উপস্থাপিকাসহ পুরো টিম Logo ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১০ Logo ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ চেয়ে নিজেই হার মানলেন ট্রাম্প

ফেসবুকের ‘কিশোর অ্যাকাউন্ট’ বিশ্বজুড়ে সক্রিয় করছে মেটা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:২৫:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৯৩ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বব্যাপী কিশোর-কিশোরীদের জন্য ফেসবুক ও মেসেঞ্জারে অতিরিক্ত সুরক্ষাসহ তথাকথিত ‘কিশোর অ্যাকাউন্ট’ সক্রিয় করছে মেটা। এর আগে প্রধান ইংরেজিভাষী দেশগুলোতে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। খবর এএফপির।
ব্লগ পোস্টে মেটা জানিয়েছে, তারা ইতোমধ্যে ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও মেসেঞ্জার জুড়ে লাখ লাখ কিশোর-কিশোরীকে এই ‘টিন অ্যাকাউন্টের’ আওতায় এনেছে। এখন ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের জন্য তা বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত করা হচ্ছে।
মেটার কিশোর অ্যাকাউন্টগুলো ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে, যা নিম্নলিখিত সুবিধাগুলো প্রদান করবে—
অতিরিক্ত সুরক্ষা সেটিংস, বিষয়বস্তু সীমাবদ্ধতা, পিতামাতার নিয়ন্ত্রণ।

এই নতুন ব্যবস্থাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে বাবা-মায়েরা নিশ্চিত হতে পারেন যে তাদের সন্তানেরা অনলাইনে সুরক্ষিত আছে। এর মাধ্যমে বাচ্চারা কার সঙ্গে কথা বলছে বা কী দেখছে, তা সীমাবদ্ধ করা যাবে। তারা যেন উপযোগী কন্টেন্টে সময় দেয়, সেটা নিশ্চিত করা যাবে।

উল্লেখ্য, ১৬ বছরের কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য পিতামাতার সম্মতি ছাড়া এই সুরক্ষার সীমা অপসারণ করা যাবে না।
এই ‘কিশোর অ্যাকাউন্ট’ ব্যবস্থাটি গত বছর প্রথম ইনস্টাগ্রামে চালু করা হয়েছিল। কোম্পানিটি এপ্রিলে জানায়, তারা এটিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও ব্রিটেনে ফেসবুক এবং মেসেঞ্জারেও প্রসারিত করেছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কিশোর-কিশোরীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বিষয়টি বেশ উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। বলা হচ্ছে, অল্পবয়সীরা কিছু প্ল্যাটফর্মে স্ক্রিনের দিকে অতিরিক্ত সময় কাটাচ্ছে ও তাদের মধ্যে সংযমের অভাব দেখা যাচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার

ফেসবুকের ‘কিশোর অ্যাকাউন্ট’ বিশ্বজুড়ে সক্রিয় করছে মেটা

আপডেট সময় ০৯:২৫:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিশ্বব্যাপী কিশোর-কিশোরীদের জন্য ফেসবুক ও মেসেঞ্জারে অতিরিক্ত সুরক্ষাসহ তথাকথিত ‘কিশোর অ্যাকাউন্ট’ সক্রিয় করছে মেটা। এর আগে প্রধান ইংরেজিভাষী দেশগুলোতে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। খবর এএফপির।
ব্লগ পোস্টে মেটা জানিয়েছে, তারা ইতোমধ্যে ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও মেসেঞ্জার জুড়ে লাখ লাখ কিশোর-কিশোরীকে এই ‘টিন অ্যাকাউন্টের’ আওতায় এনেছে। এখন ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের জন্য তা বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত করা হচ্ছে।
মেটার কিশোর অ্যাকাউন্টগুলো ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে, যা নিম্নলিখিত সুবিধাগুলো প্রদান করবে—
অতিরিক্ত সুরক্ষা সেটিংস, বিষয়বস্তু সীমাবদ্ধতা, পিতামাতার নিয়ন্ত্রণ।

এই নতুন ব্যবস্থাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে বাবা-মায়েরা নিশ্চিত হতে পারেন যে তাদের সন্তানেরা অনলাইনে সুরক্ষিত আছে। এর মাধ্যমে বাচ্চারা কার সঙ্গে কথা বলছে বা কী দেখছে, তা সীমাবদ্ধ করা যাবে। তারা যেন উপযোগী কন্টেন্টে সময় দেয়, সেটা নিশ্চিত করা যাবে।

উল্লেখ্য, ১৬ বছরের কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য পিতামাতার সম্মতি ছাড়া এই সুরক্ষার সীমা অপসারণ করা যাবে না।
এই ‘কিশোর অ্যাকাউন্ট’ ব্যবস্থাটি গত বছর প্রথম ইনস্টাগ্রামে চালু করা হয়েছিল। কোম্পানিটি এপ্রিলে জানায়, তারা এটিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও ব্রিটেনে ফেসবুক এবং মেসেঞ্জারেও প্রসারিত করেছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কিশোর-কিশোরীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বিষয়টি বেশ উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। বলা হচ্ছে, অল্পবয়সীরা কিছু প্ল্যাটফর্মে স্ক্রিনের দিকে অতিরিক্ত সময় কাটাচ্ছে ও তাদের মধ্যে সংযমের অভাব দেখা যাচ্ছে।