ঢাকা ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ড. ইউনূসকে রাজপথে নামতে বললেন নাহিদ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৪০:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদে আন্দোলনে যোগ দিতে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, অধ্যাদেশ বাতিলের বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই পরিস্থিতিতে ড. ইউনূসের নীরব থাকা উচিত নয়। তাঁরও রাজপথে নেমে আন্দোলনে অংশ নেওয়া উচিত। তা না হলে তাদের জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।

গতকাল শনিবার ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। নাহিদ বলেন, যারা অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বে ছিলেন ড. ইউনূস, আসিফ নজরুলসহ উপদেষ্টাদের দায়িত্ব নিতে হবে। তারা এই অধ্যাদেশগুলো করেছিলেন। এখন যে বাতিল হচ্ছে, এগুলো নিয়ে তাদের কথা বলতে হবে। ড. ইউনূসকে মুখ খুলতে হবে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, উপদেষ্টারা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিএনপির হাতে ক্ষমতা দিয়ে চলে গেছেন। এখন এই অধ্যাদেশগুলো বাতিল হয়ে যাবে। কোনো সংস্কার হবে না, অথচ তারা কোনো কথা বলবেন না, ক্যারিয়ারে ফিরে যাবেন–এটা হবে না। জনগণের কাঠগড়ায় তাদের দাঁড়াতে হবে।

তিনি বলেন, মানুষের রক্তের ওপর দিয়ে আমরা তাদের (অন্তর্বর্তী সরকার) হাতে ক্ষমতা দিয়েছিলাম। তারা আমাদের নিরাশ করেছেন। কিন্তু যতটুক অর্জন হয়েছে, সেই অর্জন ধরে রাখতে তাদেরও মাঠে নামতে হবে। ড. ইউনূসকেও তিনি রাজপথে বিক্ষোভে নামার আহ্বান জানান।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, সংস্কারকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে যা কিছু হচ্ছে, এটা অপ্রত্যাশিত নয়। এই রাজনীতি ৫ আগস্টের পর থেকে ঐকমত্য কমিশন থেকেই শুরু হয়েছে। ৫ আগস্টের পর দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল। আমরা চেয়েছিলাম নতুন সংবিধান। বিএনপি বলেছিল, তারা নির্বাচন চায়। তারা পুরোনো সবকিছুকে রেখেই নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চায়। আমরা বলেছিলাম, দেশের আমূল সংস্কার প্রয়োজন। এখন দেখা যাচ্ছে নির্বাচনের পর বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ আসন পাওয়ার পর আর কিছুকে তোয়াক্কা করছে না। তিনি বিএনপিকে সংস্কারবিরোধী দল হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

তিনি বলেন, গুম প্রতিরোধ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও সচিবালয় অধ্যাদেশ তারা বাতিল করছে। অথচ তাদের অনেক নেতাই গুমের শিকার হয়েছেন। এই গুমের অধ্যাদেশও তারা বাতিল করে দিতে চাচ্ছেন। এই অধ্যাদেশ আইনে পরিণত না হলে বিএনপি কলঙ্কমুক্ত হবে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে প্যারিসে মুসলিমদের বার্ষিক সম্মেলন শুরু

ড. ইউনূসকে রাজপথে নামতে বললেন নাহিদ

আপডেট সময় ১২:৪০:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদে আন্দোলনে যোগ দিতে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, অধ্যাদেশ বাতিলের বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই পরিস্থিতিতে ড. ইউনূসের নীরব থাকা উচিত নয়। তাঁরও রাজপথে নেমে আন্দোলনে অংশ নেওয়া উচিত। তা না হলে তাদের জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।

গতকাল শনিবার ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। নাহিদ বলেন, যারা অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বে ছিলেন ড. ইউনূস, আসিফ নজরুলসহ উপদেষ্টাদের দায়িত্ব নিতে হবে। তারা এই অধ্যাদেশগুলো করেছিলেন। এখন যে বাতিল হচ্ছে, এগুলো নিয়ে তাদের কথা বলতে হবে। ড. ইউনূসকে মুখ খুলতে হবে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, উপদেষ্টারা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিএনপির হাতে ক্ষমতা দিয়ে চলে গেছেন। এখন এই অধ্যাদেশগুলো বাতিল হয়ে যাবে। কোনো সংস্কার হবে না, অথচ তারা কোনো কথা বলবেন না, ক্যারিয়ারে ফিরে যাবেন–এটা হবে না। জনগণের কাঠগড়ায় তাদের দাঁড়াতে হবে।

তিনি বলেন, মানুষের রক্তের ওপর দিয়ে আমরা তাদের (অন্তর্বর্তী সরকার) হাতে ক্ষমতা দিয়েছিলাম। তারা আমাদের নিরাশ করেছেন। কিন্তু যতটুক অর্জন হয়েছে, সেই অর্জন ধরে রাখতে তাদেরও মাঠে নামতে হবে। ড. ইউনূসকেও তিনি রাজপথে বিক্ষোভে নামার আহ্বান জানান।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, সংস্কারকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে যা কিছু হচ্ছে, এটা অপ্রত্যাশিত নয়। এই রাজনীতি ৫ আগস্টের পর থেকে ঐকমত্য কমিশন থেকেই শুরু হয়েছে। ৫ আগস্টের পর দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল। আমরা চেয়েছিলাম নতুন সংবিধান। বিএনপি বলেছিল, তারা নির্বাচন চায়। তারা পুরোনো সবকিছুকে রেখেই নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চায়। আমরা বলেছিলাম, দেশের আমূল সংস্কার প্রয়োজন। এখন দেখা যাচ্ছে নির্বাচনের পর বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ আসন পাওয়ার পর আর কিছুকে তোয়াক্কা করছে না। তিনি বিএনপিকে সংস্কারবিরোধী দল হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

তিনি বলেন, গুম প্রতিরোধ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও সচিবালয় অধ্যাদেশ তারা বাতিল করছে। অথচ তাদের অনেক নেতাই গুমের শিকার হয়েছেন। এই গুমের অধ্যাদেশও তারা বাতিল করে দিতে চাচ্ছেন। এই অধ্যাদেশ আইনে পরিণত না হলে বিএনপি কলঙ্কমুক্ত হবে না।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481