ঢাকা ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ড. ইউনূসকে রাজপথে নামতে বললেন নাহিদ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৪০:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদে আন্দোলনে যোগ দিতে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, অধ্যাদেশ বাতিলের বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই পরিস্থিতিতে ড. ইউনূসের নীরব থাকা উচিত নয়। তাঁরও রাজপথে নেমে আন্দোলনে অংশ নেওয়া উচিত। তা না হলে তাদের জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।

গতকাল শনিবার ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। নাহিদ বলেন, যারা অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বে ছিলেন ড. ইউনূস, আসিফ নজরুলসহ উপদেষ্টাদের দায়িত্ব নিতে হবে। তারা এই অধ্যাদেশগুলো করেছিলেন। এখন যে বাতিল হচ্ছে, এগুলো নিয়ে তাদের কথা বলতে হবে। ড. ইউনূসকে মুখ খুলতে হবে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, উপদেষ্টারা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিএনপির হাতে ক্ষমতা দিয়ে চলে গেছেন। এখন এই অধ্যাদেশগুলো বাতিল হয়ে যাবে। কোনো সংস্কার হবে না, অথচ তারা কোনো কথা বলবেন না, ক্যারিয়ারে ফিরে যাবেন–এটা হবে না। জনগণের কাঠগড়ায় তাদের দাঁড়াতে হবে।

তিনি বলেন, মানুষের রক্তের ওপর দিয়ে আমরা তাদের (অন্তর্বর্তী সরকার) হাতে ক্ষমতা দিয়েছিলাম। তারা আমাদের নিরাশ করেছেন। কিন্তু যতটুক অর্জন হয়েছে, সেই অর্জন ধরে রাখতে তাদেরও মাঠে নামতে হবে। ড. ইউনূসকেও তিনি রাজপথে বিক্ষোভে নামার আহ্বান জানান।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, সংস্কারকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে যা কিছু হচ্ছে, এটা অপ্রত্যাশিত নয়। এই রাজনীতি ৫ আগস্টের পর থেকে ঐকমত্য কমিশন থেকেই শুরু হয়েছে। ৫ আগস্টের পর দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল। আমরা চেয়েছিলাম নতুন সংবিধান। বিএনপি বলেছিল, তারা নির্বাচন চায়। তারা পুরোনো সবকিছুকে রেখেই নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চায়। আমরা বলেছিলাম, দেশের আমূল সংস্কার প্রয়োজন। এখন দেখা যাচ্ছে নির্বাচনের পর বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ আসন পাওয়ার পর আর কিছুকে তোয়াক্কা করছে না। তিনি বিএনপিকে সংস্কারবিরোধী দল হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

তিনি বলেন, গুম প্রতিরোধ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও সচিবালয় অধ্যাদেশ তারা বাতিল করছে। অথচ তাদের অনেক নেতাই গুমের শিকার হয়েছেন। এই গুমের অধ্যাদেশও তারা বাতিল করে দিতে চাচ্ছেন। এই অধ্যাদেশ আইনে পরিণত না হলে বিএনপি কলঙ্কমুক্ত হবে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ড. ইউনূসকে রাজপথে নামতে বললেন নাহিদ

আপডেট সময় ১২:৪০:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদে আন্দোলনে যোগ দিতে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, অধ্যাদেশ বাতিলের বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই পরিস্থিতিতে ড. ইউনূসের নীরব থাকা উচিত নয়। তাঁরও রাজপথে নেমে আন্দোলনে অংশ নেওয়া উচিত। তা না হলে তাদের জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।

গতকাল শনিবার ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। নাহিদ বলেন, যারা অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বে ছিলেন ড. ইউনূস, আসিফ নজরুলসহ উপদেষ্টাদের দায়িত্ব নিতে হবে। তারা এই অধ্যাদেশগুলো করেছিলেন। এখন যে বাতিল হচ্ছে, এগুলো নিয়ে তাদের কথা বলতে হবে। ড. ইউনূসকে মুখ খুলতে হবে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, উপদেষ্টারা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিএনপির হাতে ক্ষমতা দিয়ে চলে গেছেন। এখন এই অধ্যাদেশগুলো বাতিল হয়ে যাবে। কোনো সংস্কার হবে না, অথচ তারা কোনো কথা বলবেন না, ক্যারিয়ারে ফিরে যাবেন–এটা হবে না। জনগণের কাঠগড়ায় তাদের দাঁড়াতে হবে।

তিনি বলেন, মানুষের রক্তের ওপর দিয়ে আমরা তাদের (অন্তর্বর্তী সরকার) হাতে ক্ষমতা দিয়েছিলাম। তারা আমাদের নিরাশ করেছেন। কিন্তু যতটুক অর্জন হয়েছে, সেই অর্জন ধরে রাখতে তাদেরও মাঠে নামতে হবে। ড. ইউনূসকেও তিনি রাজপথে বিক্ষোভে নামার আহ্বান জানান।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, সংস্কারকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে যা কিছু হচ্ছে, এটা অপ্রত্যাশিত নয়। এই রাজনীতি ৫ আগস্টের পর থেকে ঐকমত্য কমিশন থেকেই শুরু হয়েছে। ৫ আগস্টের পর দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল। আমরা চেয়েছিলাম নতুন সংবিধান। বিএনপি বলেছিল, তারা নির্বাচন চায়। তারা পুরোনো সবকিছুকে রেখেই নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চায়। আমরা বলেছিলাম, দেশের আমূল সংস্কার প্রয়োজন। এখন দেখা যাচ্ছে নির্বাচনের পর বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ আসন পাওয়ার পর আর কিছুকে তোয়াক্কা করছে না। তিনি বিএনপিকে সংস্কারবিরোধী দল হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

তিনি বলেন, গুম প্রতিরোধ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও সচিবালয় অধ্যাদেশ তারা বাতিল করছে। অথচ তাদের অনেক নেতাই গুমের শিকার হয়েছেন। এই গুমের অধ্যাদেশও তারা বাতিল করে দিতে চাচ্ছেন। এই অধ্যাদেশ আইনে পরিণত না হলে বিএনপি কলঙ্কমুক্ত হবে না।