ঢাকা ১২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

শত্রুপক্ষের ১৬০ ড্রোন ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে: ইরান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:১৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর থেকে শত্রুপক্ষের ১৬০টিরও বেশি ড্রোন, পাশাপাশি উন্নত যুদ্ধবিমান ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে দাবি করেছে ইরান।

শনিবার (৪ এপ্রিল) ইরানের সেনাবাহিনী ও আইআরজিসির আকাশ প্রতিরক্ষা অবস্থানগুলো পরিদর্শনের সময় দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর ডেপুটি কমান্ডার (উপ-প্রধান) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী রেজা এলহামি এই তথ্য জানান। আলী রেজা এলহামি বলেন, ‘ইরানি ইউনিটগুলো সফলভাবে শত্রুপক্ষের বেশ কয়েকটি উন্নত যুদ্ধবিমান, ১৬০টিরও বেশি ড্রোন ও কয়েক ডজন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে। ভূপাতিত করা ড্রোনের মধ্যে এমকিউ-৯, হার্মিস ও লুকাস মডেলের ড্রোনও রয়েছে।’

এলহামি উল্লেখ করেন, ‘এই ব্যবস্থা আক্রমণকারীদের ‘কাল্পনিক প্রোপাগান্ডা’ভেঙে দিয়েছে।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘ইরানি বাহিনী শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান ও ড্রোনের জন্য ওত পেতে আছে।’

এলহামি জানান, সেনাবাহিনী ও আইআরজিসির ইউনিটগুলোর মাধ্যমে চতুর্থ ও পঞ্চম প্রজন্মের একাধিক শত্রু যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার বিষয়টি তাদের কৌশলগত দক্ষতা, আধুনিক সরঞ্জামের উদ্ভাবনী ব্যবহার এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নিপুণতার ফল। তিনি দাবি করেন, এটি শত্রু বাহিনীকে বিভ্রান্ত করেছে।

এলহামি আরও জানান, সেনাবাহিনী ও আইআরজিসির আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক ঐক্যবদ্ধ এবং যেকোনো মূল্যে ইরানের আকাশ সুরক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানজুড়ে ব্যাপক সামরিক অভিযান চালায়। এই হামলায় ইরানের সামরিক ও বেসামরিক এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটে এবং বহু মানুষ হতাহত হন। জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী মধ্যপ্রাচ্য এবং আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোতে থাকা মার্কিন ও ইসরায়েলি অবস্থান লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

শত্রুপক্ষের ১৬০ ড্রোন ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে: ইরান

আপডেট সময় ০১:১৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর থেকে শত্রুপক্ষের ১৬০টিরও বেশি ড্রোন, পাশাপাশি উন্নত যুদ্ধবিমান ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে দাবি করেছে ইরান।

শনিবার (৪ এপ্রিল) ইরানের সেনাবাহিনী ও আইআরজিসির আকাশ প্রতিরক্ষা অবস্থানগুলো পরিদর্শনের সময় দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর ডেপুটি কমান্ডার (উপ-প্রধান) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী রেজা এলহামি এই তথ্য জানান। আলী রেজা এলহামি বলেন, ‘ইরানি ইউনিটগুলো সফলভাবে শত্রুপক্ষের বেশ কয়েকটি উন্নত যুদ্ধবিমান, ১৬০টিরও বেশি ড্রোন ও কয়েক ডজন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে। ভূপাতিত করা ড্রোনের মধ্যে এমকিউ-৯, হার্মিস ও লুকাস মডেলের ড্রোনও রয়েছে।’

এলহামি উল্লেখ করেন, ‘এই ব্যবস্থা আক্রমণকারীদের ‘কাল্পনিক প্রোপাগান্ডা’ভেঙে দিয়েছে।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘ইরানি বাহিনী শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান ও ড্রোনের জন্য ওত পেতে আছে।’

এলহামি জানান, সেনাবাহিনী ও আইআরজিসির ইউনিটগুলোর মাধ্যমে চতুর্থ ও পঞ্চম প্রজন্মের একাধিক শত্রু যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার বিষয়টি তাদের কৌশলগত দক্ষতা, আধুনিক সরঞ্জামের উদ্ভাবনী ব্যবহার এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নিপুণতার ফল। তিনি দাবি করেন, এটি শত্রু বাহিনীকে বিভ্রান্ত করেছে।

এলহামি আরও জানান, সেনাবাহিনী ও আইআরজিসির আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক ঐক্যবদ্ধ এবং যেকোনো মূল্যে ইরানের আকাশ সুরক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানজুড়ে ব্যাপক সামরিক অভিযান চালায়। এই হামলায় ইরানের সামরিক ও বেসামরিক এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটে এবং বহু মানুষ হতাহত হন। জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী মধ্যপ্রাচ্য এবং আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোতে থাকা মার্কিন ও ইসরায়েলি অবস্থান লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে।