ঢাকা ০২:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ Logo ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে স্কুলছাত্রের মৃত্যু Logo মাদক ব্যবসা ছাড়ুন, না হলে এলাকা ছাড়ুন : এমপি আবু তালিব Logo ইরান সংঘাতে না জড়াতে চীনকে অনুরোধ করেছিলেন ট্রাম্প Logo প্রথমার্ধ শেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র Logo পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার Logo শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাবিতে নবীনবরণ, ‘পাইলট প্রকল্প’ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার ইঙ্গিত Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে উজ্জীবিত করেছে: রাষ্ট্রপতি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:৫০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

২৫ মার্চের ভয়াল কালরাত ও ‘গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ১৯৭১ সালের সেই সংকটময় মুহূর্তে মহান স্বাধীনতার ঘোষণা বিভ্রান্ত ও দ্বিধাগ্রস্ত জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে এবং সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনন্য প্রেরণা জুগিয়েছিল।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী যখন ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত বাঙালির ওপর ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞ চালায়, তখন পুরো জাতি এক স্তব্ধ ও বাকরুদ্ধ অবস্থায় পড়েছিল। সেই বিভীষিকাময় পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের আনুষ্ঠানিক বিদ্রোহ এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা মুক্তিকামী মানুষকে অসীম সাহসী করে তোলে। এই ঘোষণা জাতিকে সুসংগঠিত করে প্রাণ উৎসর্গ করার মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছিল, যার চূড়ান্ত পরিণতি ছিল ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অর্জিত গৌরবময় বিজয়।

বাণীতে ২৫ মার্চের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, তৎকালীন ইপিআর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ওই রাতে ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ যেভাবে নির্মম গণহত্যার শিকার হয়েছিলেন, তা জাতীয় জীবনের সবচেয়ে বেদনাবিধুর অধ্যায়।

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর একটি অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে জনগণের ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হয়েছে। একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, শহীদদের স্বপ্ন ছিল একটি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা, যেখানে দুর্নীতি, দুঃশাসন ও বৈষম্যের কোনো স্থান থাকবে না। ধর্ম-বর্ণ ও রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে সেই কাঙ্ক্ষিত দেশ গঠনে সবাইকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

পরিশেষে, তিনি ২৫ মার্চসহ স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে উজ্জীবিত করেছে: রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০৯:৫০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

২৫ মার্চের ভয়াল কালরাত ও ‘গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ১৯৭১ সালের সেই সংকটময় মুহূর্তে মহান স্বাধীনতার ঘোষণা বিভ্রান্ত ও দ্বিধাগ্রস্ত জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে এবং সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনন্য প্রেরণা জুগিয়েছিল।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী যখন ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত বাঙালির ওপর ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞ চালায়, তখন পুরো জাতি এক স্তব্ধ ও বাকরুদ্ধ অবস্থায় পড়েছিল। সেই বিভীষিকাময় পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের আনুষ্ঠানিক বিদ্রোহ এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা মুক্তিকামী মানুষকে অসীম সাহসী করে তোলে। এই ঘোষণা জাতিকে সুসংগঠিত করে প্রাণ উৎসর্গ করার মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছিল, যার চূড়ান্ত পরিণতি ছিল ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অর্জিত গৌরবময় বিজয়।

বাণীতে ২৫ মার্চের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, তৎকালীন ইপিআর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ওই রাতে ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ যেভাবে নির্মম গণহত্যার শিকার হয়েছিলেন, তা জাতীয় জীবনের সবচেয়ে বেদনাবিধুর অধ্যায়।

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর একটি অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে জনগণের ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হয়েছে। একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, শহীদদের স্বপ্ন ছিল একটি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা, যেখানে দুর্নীতি, দুঃশাসন ও বৈষম্যের কোনো স্থান থাকবে না। ধর্ম-বর্ণ ও রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে সেই কাঙ্ক্ষিত দেশ গঠনে সবাইকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

পরিশেষে, তিনি ২৫ মার্চসহ স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।