ঢাকা ০৮:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সালাহউদ্দিনের নির্বাচনী জনসভায় দুই ‘খুদে খালেদা জিয়া’ Logo ৩ জেলার ভোটের ফল সংগ্রহে ওয়্যারলেস সিস্টেম ব্যবহার করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: ইসি Logo বিএনপি ক্ষমতায় এলে জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা দেওয়া হবে : মির্জা ফখরুল Logo যথেষ্ট প্রমাণ থাকাতেই গ্রেফতার বঙ্গভবনের সেই কর্মকর্তা: ডিবি Logo বিএনপি, বঙ্গভবন মিলে জামায়াতের ওপর সাইবার অ্যাটাক চালাচ্ছে: গোলাম পরওয়ার Logo শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচনের তফসিল নিয়ে যা জানালেন ইসি Logo মাটির ব্যাংকে আগামীর স্বপ্ন, আবেগাপ্লুত ফখরুল Logo ইইউ চুক্তির পর পর্তুগালে ভারতীয় পণ্যের আগ্রাসনের আশঙ্কা Logo ‘সুশাসন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপির বিকল্প নেই’ Logo সংখ্যালঘু ভোটেই জয়-পরাজয়!

এপস্টেইন ফাইলে নাম জড়ানো নিয়ে মুখ খুললেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৩৯:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (ডিওজে) প্রকাশিত জেফ্রি এপস্টেইন সংক্রান্ত নথিতে নিজের নাম উঠে আসা নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম। তিনি জানিয়েছেন, এপস্টেইন বা সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের সঙ্গে তার কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, আজই জানতে পেরেছি, একজন বহিরাগত ব্যক্তি এপস্টেইন–সংক্রান্ত একটি ইমেইলে আমার নাম উল্লেখ করে আমার সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, ওই ইমেইলটি ১৪ বছরেরও বেশি আগের। ওই ইমেইল আদান–প্রদানে যুক্ত কোনো ব্যক্তির সঙ্গেই—বিশেষ করে এপস্টিনের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।

ডিওজে শুক্রবার যে নথিগুলো প্রকাশ করে, সেখানে বিশ্বখ্যাত কয়েকজন ব্যক্তির নাম উঠে আসে। এ তালিকায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ছাড়াও রয়েছেন ধনকুবের বিল গেটস এবং যুক্তরাজ্যের বিতর্কিত সাবেক প্রিন্স অ্যান্ড্রু।

ভাইরাল হওয়া একটি ইমেইলের স্ক্রিনশটে দেখা যায়, ২০১২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির তারিখে এপস্টিনের এক অজ্ঞাত সহযোগী প্রশ্ন তুলেছিলেন আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে ‘জেস’-এর একটি বৈঠক আয়োজন করা হবে কিনা। এখানে ‘জেস’ বলতে বোঝানো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ ব্যাংক জেপি মরগানের তৎকালীন ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং প্রধান নির্বাহী জেস স্ট্যানলিকে।

ওই ইমেইলে উল্লেখ করা হয়, যদি আনোয়ার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে তিনি দেশটিকে ‘পরিষ্কার’ করবেন এবং সেটি জেপি মরগানের জন্য এক বড় সুযোগ হয়ে উঠতে পারে। ইমেইল লেখকের নাম বিচার বিভাগ প্রকাশিত নথিতে গোপন রাখা হয়েছে।

নথিতে আরও বলা হয়, এপস্টেইন ওই ইমেইলের জবাবে সম্ভাব্য বৈঠকের সময় হিসেবে মে মাসের প্রস্তাব দেন এবং জানতে চান, আনোয়ার যুক্তরাষ্ট্র না ইউরোপে সফরে আসবেন কিনা। এমনকি মালয়েশিয়ায় হলিউড সিনেমা নির্মাণের সম্ভাবনার কথাও ‘প্রলোভন’ হিসেবে উল্লেখ করতে বলেন তিনি।

এদিকে, এই নথি প্রকাশের পর বিরোধী দল পার্টি প্রিবুমি বারসাতু মালয়েশিয়া (বারসাতু)-এর যুব শাখা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ব্যাখ্যা দাবি করে তিনি এপস্টেইন বা সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যোগাযোগ করেছিলেন কিনা।

এর জবাবে আনোয়ার ইব্রাহিম তার ফেসবুক পোস্টে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে জানান, বিষয়টি নিয়ে তার অবস্থান পরিষ্কার। পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, এখন আমি জোহর বাহরুতে ঘোরাঘুরি চালিয়ে যাব। এ সময় এপস্টিনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বিরক্তি প্রকাশের ইমোজিও যুক্ত করেন তিনি।

উল্লেখ্য, এপস্টেইন তদন্ত সংক্রান্ত স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এসব নথি প্রকাশ করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সালাহউদ্দিনের নির্বাচনী জনসভায় দুই ‘খুদে খালেদা জিয়া’

এপস্টেইন ফাইলে নাম জড়ানো নিয়ে মুখ খুললেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:৩৯:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (ডিওজে) প্রকাশিত জেফ্রি এপস্টেইন সংক্রান্ত নথিতে নিজের নাম উঠে আসা নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম। তিনি জানিয়েছেন, এপস্টেইন বা সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের সঙ্গে তার কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, আজই জানতে পেরেছি, একজন বহিরাগত ব্যক্তি এপস্টেইন–সংক্রান্ত একটি ইমেইলে আমার নাম উল্লেখ করে আমার সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, ওই ইমেইলটি ১৪ বছরেরও বেশি আগের। ওই ইমেইল আদান–প্রদানে যুক্ত কোনো ব্যক্তির সঙ্গেই—বিশেষ করে এপস্টিনের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।

ডিওজে শুক্রবার যে নথিগুলো প্রকাশ করে, সেখানে বিশ্বখ্যাত কয়েকজন ব্যক্তির নাম উঠে আসে। এ তালিকায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ছাড়াও রয়েছেন ধনকুবের বিল গেটস এবং যুক্তরাজ্যের বিতর্কিত সাবেক প্রিন্স অ্যান্ড্রু।

ভাইরাল হওয়া একটি ইমেইলের স্ক্রিনশটে দেখা যায়, ২০১২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির তারিখে এপস্টিনের এক অজ্ঞাত সহযোগী প্রশ্ন তুলেছিলেন আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে ‘জেস’-এর একটি বৈঠক আয়োজন করা হবে কিনা। এখানে ‘জেস’ বলতে বোঝানো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ ব্যাংক জেপি মরগানের তৎকালীন ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং প্রধান নির্বাহী জেস স্ট্যানলিকে।

ওই ইমেইলে উল্লেখ করা হয়, যদি আনোয়ার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে তিনি দেশটিকে ‘পরিষ্কার’ করবেন এবং সেটি জেপি মরগানের জন্য এক বড় সুযোগ হয়ে উঠতে পারে। ইমেইল লেখকের নাম বিচার বিভাগ প্রকাশিত নথিতে গোপন রাখা হয়েছে।

নথিতে আরও বলা হয়, এপস্টেইন ওই ইমেইলের জবাবে সম্ভাব্য বৈঠকের সময় হিসেবে মে মাসের প্রস্তাব দেন এবং জানতে চান, আনোয়ার যুক্তরাষ্ট্র না ইউরোপে সফরে আসবেন কিনা। এমনকি মালয়েশিয়ায় হলিউড সিনেমা নির্মাণের সম্ভাবনার কথাও ‘প্রলোভন’ হিসেবে উল্লেখ করতে বলেন তিনি।

এদিকে, এই নথি প্রকাশের পর বিরোধী দল পার্টি প্রিবুমি বারসাতু মালয়েশিয়া (বারসাতু)-এর যুব শাখা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ব্যাখ্যা দাবি করে তিনি এপস্টেইন বা সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যোগাযোগ করেছিলেন কিনা।

এর জবাবে আনোয়ার ইব্রাহিম তার ফেসবুক পোস্টে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে জানান, বিষয়টি নিয়ে তার অবস্থান পরিষ্কার। পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, এখন আমি জোহর বাহরুতে ঘোরাঘুরি চালিয়ে যাব। এ সময় এপস্টিনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বিরক্তি প্রকাশের ইমোজিও যুক্ত করেন তিনি।

উল্লেখ্য, এপস্টেইন তদন্ত সংক্রান্ত স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এসব নথি প্রকাশ করেছে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481