ঢাকা ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

পাল্টা পদক্ষেপে ইউরোপীয় সেনাবাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ ঘোষণা ইরানের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:১৯:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭৭ বার পড়া হয়েছে

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোর সেনাবাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ ঘোষণা করেছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পসকে (আইআরজিসি) ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ ঘোষণার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ এ ঘোষণা দেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, আইআরজিসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে তৈরি হওয়া যেকোনো পরিস্থিতির দায়ও ইইউকে নিতে হবে। খবর আনাদোলু এজেন্সি ও ফারস নিউজের।

এদিন সংহতি প্রকাশের অংশ হিসেবে বিপ্লবী গার্ডদের পোশাক পরে সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দেন স্পিকার গালিবাফ। তিনি জানান, আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণার পাল্টা আইনে নির্ধারিত ব্যবস্থার ৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ইউরোপীয় দেশগুলোর সেনাবাহিনীকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ইরানি জাতি ও স্বাধীন দেশগুলোকে ভয় দেখানোর জন্যজায়নবাদীরা গণমাধ্যম ব্যবহার করে মানসিক যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি করতে চাচ্ছে। তবে ইরানিরা আইআরজিসিকে নিজেদের অংশ মনে করে।

এর আগে বৃহস্পতিবার ইরানের বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে নিষ্ঠুর দমন-পীড়নের জবাবে আইআরজিসিকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে ইইউ। ইউরোপীয় জোটের এই সিদ্ধান্তে এখন চাপ বাড়ছে যুক্তরাজ্যের ওপর, যারা এখনও আইআরজিসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ করেনি। তবে ভবিষ্যতে এমন পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত রেখেছে দেশটি।

ইউরোপের এই সিদ্ধান্তকে ‘বড় কৌশলগত ভুল’ বলে আখ্যা দিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এক্সে লেখেন, এই মুহূর্তে বহু দেশ সর্বাত্মক যুদ্ধ এড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে, অথচ ইউরোপ আগুনে ঘি ঢালছে।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর প্রতিষ্ঠিত আইআরজিসি দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি আনুগত্যশীল একটি অভিজাত প্যারামিলিটারি বাহিনী। পৃথক নৌ ও বিমান বাহিনীসহ এর স্থলবাহিনীর সদস্য সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার। যুক্তরাষ্ট্র ২০১৯ সালে, কানাডা ২০২৪ সালে এবং অস্ট্রেলিয়া ২০২৫ সালে আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

পাল্টা পদক্ষেপে ইউরোপীয় সেনাবাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ ঘোষণা ইরানের

আপডেট সময় ১২:১৯:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোর সেনাবাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ ঘোষণা করেছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পসকে (আইআরজিসি) ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ ঘোষণার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ এ ঘোষণা দেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, আইআরজিসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে তৈরি হওয়া যেকোনো পরিস্থিতির দায়ও ইইউকে নিতে হবে। খবর আনাদোলু এজেন্সি ও ফারস নিউজের।

এদিন সংহতি প্রকাশের অংশ হিসেবে বিপ্লবী গার্ডদের পোশাক পরে সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দেন স্পিকার গালিবাফ। তিনি জানান, আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণার পাল্টা আইনে নির্ধারিত ব্যবস্থার ৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ইউরোপীয় দেশগুলোর সেনাবাহিনীকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ইরানি জাতি ও স্বাধীন দেশগুলোকে ভয় দেখানোর জন্যজায়নবাদীরা গণমাধ্যম ব্যবহার করে মানসিক যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি করতে চাচ্ছে। তবে ইরানিরা আইআরজিসিকে নিজেদের অংশ মনে করে।

এর আগে বৃহস্পতিবার ইরানের বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে নিষ্ঠুর দমন-পীড়নের জবাবে আইআরজিসিকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে ইইউ। ইউরোপীয় জোটের এই সিদ্ধান্তে এখন চাপ বাড়ছে যুক্তরাজ্যের ওপর, যারা এখনও আইআরজিসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ করেনি। তবে ভবিষ্যতে এমন পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত রেখেছে দেশটি।

ইউরোপের এই সিদ্ধান্তকে ‘বড় কৌশলগত ভুল’ বলে আখ্যা দিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এক্সে লেখেন, এই মুহূর্তে বহু দেশ সর্বাত্মক যুদ্ধ এড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে, অথচ ইউরোপ আগুনে ঘি ঢালছে।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর প্রতিষ্ঠিত আইআরজিসি দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি আনুগত্যশীল একটি অভিজাত প্যারামিলিটারি বাহিনী। পৃথক নৌ ও বিমান বাহিনীসহ এর স্থলবাহিনীর সদস্য সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার। যুক্তরাষ্ট্র ২০১৯ সালে, কানাডা ২০২৪ সালে এবং অস্ট্রেলিয়া ২০২৫ সালে আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।