ঢাকা ০৪:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের Logo আগস্টে সারা দেশে শোডাউনের চিন্তা আ.লীগের, ২ ডজন কমিটি গঠন Logo ইরানে হিজাববিহীন গান গাওয়ার অপরাধে গায়িকাকে ৭৪ দোররা মারার নির্দেশ Logo মেসির বাবার মৃত্যুর খবর প্রচার করে চাকরি হারালেন উপস্থাপিকাসহ পুরো টিম Logo ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১০ Logo ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ চেয়ে নিজেই হার মানলেন ট্রাম্প Logo জোট ছাড়াই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি এনসিপির Logo জামায়াত এমপি শাহজাহান চৌধুরীকে গুলির পরিকল্পনা, পিএসের কলরেকর্ড ফাঁস

যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসা কী, কাদের জন্য ফি বাড়ালেন ট্রাম্প

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:১১:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরিত নতুন এক নির্বাহী আদেশে দক্ষ বিদেশি কর্মীদের জন্য জনপ্রিয় এইচ-১বি ভিসা প্রোগ্রামের আবেদন ফি বেড়ে দাঁড়ালো এক লাখ ডলার। এ অর্থ জমা না দিলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশাধিকার সীমিত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে এই ভিসা কর্মসূচির অপব্যবহার হচ্ছে এবং তা মার্কিন নাগরিকদের কর্মসংস্থানে প্রভাব ফেলছে। তবে ইলন মাস্কসহ প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ উদ্যোক্তারা বলছেন, এই কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বসেরা মেধাবীদের আকর্ষণে সহায়তা করছে।

একইসঙ্গে ট্রাম্প নতুন ‘গোল্ড কার্ড’ ব্যবস্থা চালু করেছেন, যেখানে নির্দিষ্ট অভিবাসীরা ১০ লাখ পাউন্ড থেকে শুরু হওয়া ফির বিনিময়ে দ্রুত ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

শুক্রবার ওভাল অফিসে ট্রাম্পের পাশে থেকে মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক বলেন, ‘এইচ-১বি ভিসার জন্য বছরে এক লাখ ডলার দিতে হবে। বড় বড় কোম্পানি এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে। এখন আমাদের উচিত নিজেদের তরুণদের প্রশিক্ষণ দেওয়া।’

২০০৪ সাল থেকে প্রতি বছর সর্বোচ্চ ৮৫ হাজার এইচ-১বি ভিসা প্রদান করা হচ্ছে। এতদিন পর্যন্ত এ ভিসার প্রশাসনিক ফি ছিল গড়ে দেড় হাজার ডলার।

ইউএসসিআইএস-এর তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন অর্থবছরে এইচ-১বি ভিসার আবেদন সংখ্যা নেমে এসেছে ৩ লাখ ৫৯ হাজারে, যা চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। গত বছর সবচেয়ে বেশি ভিসা পেয়েছে অ্যামাজন, এর পরের অবস্থানে টাটা, মাইক্রোসফট, মেটা, অ্যাপল ও গুগল।

এইচ-১বি ভিসা কী?

এইচ-১বি এক ধরনের অ-অভিবাসী ভিসা। এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের দক্ষ কর্মীরা সাময়িকভাবে আমেরিকায় থেকে সেখানকার সংস্থাগুলোর হয়ে কাজ করতে পারেন। প্রাথমিকভাবে এইচ-১বি ভিসার মেয়াদ থাকে তিন বছর। সর্বোচ্চ ৬ বছর পর্যন্ত তা বৃদ্ধি করা যায়।

এই সময়ের মধ্যে আমেরিকার গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন কর্মীরা। গ্রিন কার্ড বা স্থায়ী নাগরিকত্ব পেয়ে গেলে এইচ-১বি ভিসার মেয়াদ ইচ্ছামতো বৃদ্ধি করা যায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ

যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসা কী, কাদের জন্য ফি বাড়ালেন ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৩:১১:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরিত নতুন এক নির্বাহী আদেশে দক্ষ বিদেশি কর্মীদের জন্য জনপ্রিয় এইচ-১বি ভিসা প্রোগ্রামের আবেদন ফি বেড়ে দাঁড়ালো এক লাখ ডলার। এ অর্থ জমা না দিলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশাধিকার সীমিত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে এই ভিসা কর্মসূচির অপব্যবহার হচ্ছে এবং তা মার্কিন নাগরিকদের কর্মসংস্থানে প্রভাব ফেলছে। তবে ইলন মাস্কসহ প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ উদ্যোক্তারা বলছেন, এই কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বসেরা মেধাবীদের আকর্ষণে সহায়তা করছে।

একইসঙ্গে ট্রাম্প নতুন ‘গোল্ড কার্ড’ ব্যবস্থা চালু করেছেন, যেখানে নির্দিষ্ট অভিবাসীরা ১০ লাখ পাউন্ড থেকে শুরু হওয়া ফির বিনিময়ে দ্রুত ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

শুক্রবার ওভাল অফিসে ট্রাম্পের পাশে থেকে মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক বলেন, ‘এইচ-১বি ভিসার জন্য বছরে এক লাখ ডলার দিতে হবে। বড় বড় কোম্পানি এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে। এখন আমাদের উচিত নিজেদের তরুণদের প্রশিক্ষণ দেওয়া।’

২০০৪ সাল থেকে প্রতি বছর সর্বোচ্চ ৮৫ হাজার এইচ-১বি ভিসা প্রদান করা হচ্ছে। এতদিন পর্যন্ত এ ভিসার প্রশাসনিক ফি ছিল গড়ে দেড় হাজার ডলার।

ইউএসসিআইএস-এর তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন অর্থবছরে এইচ-১বি ভিসার আবেদন সংখ্যা নেমে এসেছে ৩ লাখ ৫৯ হাজারে, যা চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। গত বছর সবচেয়ে বেশি ভিসা পেয়েছে অ্যামাজন, এর পরের অবস্থানে টাটা, মাইক্রোসফট, মেটা, অ্যাপল ও গুগল।

এইচ-১বি ভিসা কী?

এইচ-১বি এক ধরনের অ-অভিবাসী ভিসা। এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের দক্ষ কর্মীরা সাময়িকভাবে আমেরিকায় থেকে সেখানকার সংস্থাগুলোর হয়ে কাজ করতে পারেন। প্রাথমিকভাবে এইচ-১বি ভিসার মেয়াদ থাকে তিন বছর। সর্বোচ্চ ৬ বছর পর্যন্ত তা বৃদ্ধি করা যায়।

এই সময়ের মধ্যে আমেরিকার গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন কর্মীরা। গ্রিন কার্ড বা স্থায়ী নাগরিকত্ব পেয়ে গেলে এইচ-১বি ভিসার মেয়াদ ইচ্ছামতো বৃদ্ধি করা যায়।