ঢাকা ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘ইসলামপন্থিদের রাজনৈতিক বিজয়ে শক্তিশালী মিডিয়া কাঠামো গড়ে তুলতে হবে’ Logo আজ মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী Logo যুক্তরাজ্যে আইনি ঝামেলায় পড়তে পারেন হাসনাত আবদুল্লাহ! Logo মেসির সতীর্থ হচ্ছেন ব্রাজিলের তারকা মিডফিল্ডার Logo শীর্ষস্থান দখলের লড়াইয়ে মুখোমুখি জার্মানি-আইভরি কোস্ট Logo তথ্য ফাঁস করলে ইন্সপেক্টরকে গাছে ঝুলাইয়া পে/টাব: পুলিশ কমিশনারের ভিডিও ভাইরাল Logo হরমুজ বন্ধের ঘোষণায় লেবাননে হামলা বন্ধের নির্দেশ নেতানিয়াহুর Logo পানিসম্পদমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে ‘কটূক্তি’, ২০ দিন ধরে কারাগারে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা Logo মহাশূন্যে বিশ্বকাপের বল পাঠিয়ে নতুন বার্তা দিল নাসা Logo জার্মানি-আইভরি কোস্টের গ্রুপসেরার লড়াইয়ে জিতবে কে, যা বলছে পরিসংখ্যান

গাজার যুদ্ধবিরতি চুক্তি চূড়ান্তে আজ বসছেন ট্রাম্পসহ বিশ্বনেতারা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে

সোমবার (১৩ অক্টোবর) মিসরের পর্যটন শহর শারম আল শেখে বিশ্বনেতারা মিলিত হবেন এ সম্মেলনে। তবে, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস কিংবা ইসরায়েল সরকারের কোনো প্রতিনিধি সম্মেলনে থাকছেন না।

এরই মাঝে মিসরের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছেন ট্রাম্প। শার্ম আল শেখ-এ পৌঁছেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেইর স্টারমার। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মিসরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসি’র সভাপতিত্বে আয়োজিত হবে সম্মেলন।

এতে আরও অংশ নেবেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস, ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরন, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ-এর মতো প্রভাবশালী নেতারা।

ধারণা করা হচ্ছে, গাজায় স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে কার্যকর ঘোষণাপত্র আসতে পারে এ সম্মেলনে। যুদ্ধবিরতির মূল শর্ত অনুযায়ী, হামাস এবং ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির মধ্যে বন্দিবিনিময়ে তোড়জোড় শুরু করেছে। গতকাল নেতানিয়াহু নিশ্চিত করেছেন যে, তাঁরা ইসরায়েলি জিম্মিদের ফেরত নিতে প্রস্তুত। তাঁর মুখপাত্র শোশ বেদরোসিয়ান জানান, সোমবার ভোরে হামাস ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া শুরু করবে। জীবিতদের রেডক্রসের মাধ্যমে ইসরায়েলের রেইম সেনাঘাঁটিতে এবং মৃতদেহগুলো ইসরায়েলের পতাকাযুক্ত কফিনে করে ফেরত আনা হবে।

উল্লেখ্য, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দুই বছরের যুদ্ধে গাজায় ৬৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজার ৯২ শতাংশ আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছে। ১৫ লাখ বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনির জন্য অবিলম্বে প্রায় ৩ লাখ তাঁবু বা অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রের প্রয়োজন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইসলামপন্থিদের রাজনৈতিক বিজয়ে শক্তিশালী মিডিয়া কাঠামো গড়ে তুলতে হবে’

গাজার যুদ্ধবিরতি চুক্তি চূড়ান্তে আজ বসছেন ট্রাম্পসহ বিশ্বনেতারা

আপডেট সময় ১০:০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

সোমবার (১৩ অক্টোবর) মিসরের পর্যটন শহর শারম আল শেখে বিশ্বনেতারা মিলিত হবেন এ সম্মেলনে। তবে, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস কিংবা ইসরায়েল সরকারের কোনো প্রতিনিধি সম্মেলনে থাকছেন না।

এরই মাঝে মিসরের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছেন ট্রাম্প। শার্ম আল শেখ-এ পৌঁছেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেইর স্টারমার। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মিসরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসি’র সভাপতিত্বে আয়োজিত হবে সম্মেলন।

এতে আরও অংশ নেবেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস, ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরন, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ-এর মতো প্রভাবশালী নেতারা।

ধারণা করা হচ্ছে, গাজায় স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে কার্যকর ঘোষণাপত্র আসতে পারে এ সম্মেলনে। যুদ্ধবিরতির মূল শর্ত অনুযায়ী, হামাস এবং ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির মধ্যে বন্দিবিনিময়ে তোড়জোড় শুরু করেছে। গতকাল নেতানিয়াহু নিশ্চিত করেছেন যে, তাঁরা ইসরায়েলি জিম্মিদের ফেরত নিতে প্রস্তুত। তাঁর মুখপাত্র শোশ বেদরোসিয়ান জানান, সোমবার ভোরে হামাস ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া শুরু করবে। জীবিতদের রেডক্রসের মাধ্যমে ইসরায়েলের রেইম সেনাঘাঁটিতে এবং মৃতদেহগুলো ইসরায়েলের পতাকাযুক্ত কফিনে করে ফেরত আনা হবে।

উল্লেখ্য, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দুই বছরের যুদ্ধে গাজায় ৬৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজার ৯২ শতাংশ আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছে। ১৫ লাখ বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনির জন্য অবিলম্বে প্রায় ৩ লাখ তাঁবু বা অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রের প্রয়োজন।