ঢাকা ০৩:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘ইসলামপন্থিদের রাজনৈতিক বিজয়ে শক্তিশালী মিডিয়া কাঠামো গড়ে তুলতে হবে’ Logo আজ মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী Logo যুক্তরাজ্যে আইনি ঝামেলায় পড়তে পারেন হাসনাত আবদুল্লাহ! Logo মেসির সতীর্থ হচ্ছেন ব্রাজিলের তারকা মিডফিল্ডার Logo শীর্ষস্থান দখলের লড়াইয়ে মুখোমুখি জার্মানি-আইভরি কোস্ট Logo তথ্য ফাঁস করলে ইন্সপেক্টরকে গাছে ঝুলাইয়া পে/টাব: পুলিশ কমিশনারের ভিডিও ভাইরাল Logo হরমুজ বন্ধের ঘোষণায় লেবাননে হামলা বন্ধের নির্দেশ নেতানিয়াহুর Logo পানিসম্পদমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে ‘কটূক্তি’, ২০ দিন ধরে কারাগারে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা Logo মহাশূন্যে বিশ্বকাপের বল পাঠিয়ে নতুন বার্তা দিল নাসা Logo জার্মানি-আইভরি কোস্টের গ্রুপসেরার লড়াইয়ে জিতবে কে, যা বলছে পরিসংখ্যান

তথ্য ফাঁস করলে ইন্সপেক্টরকে গাছে ঝুলাইয়া পে/টাব: পুলিশ কমিশনারের ভিডিও ভাইরাল

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:০১:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা চেয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপির) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তার দেয়া বক্তব্যের একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুক) ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান বর্তমানে কেএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন অ্যান্ড ফিন্যান্স এবং ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ভাইরাল হওয়া ২৫ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘দারোগা বা ইন্সপেক্টরকে বলার পর কোনো ইনফরমেশন যদি ফাঁস হয়, আমি মুসলমান হিসেবে কথা দিচ্ছি আমি ইন্সপেক্টরকে ঝুলায় দেব, আপনারা পিটায় মারবেন। আপনারা গোপন তথ্য দেবেন, আল্লাহ ছাড়া কেউ জানলে, আমি কথা দিচ্ছি গাছের সঙ্গে ঝুলাইয়া পেটাব।’

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) নগরীর লবণচরা থানার মহিরবাড়ি খালপাড় এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে পুলিশের এক মতবিনিময় সভায় এ বক্তব্য দেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটি সন্ত্রাস, অস্ত্রধারী গ্রুপের তৎপরতা এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে আলোচিত। স্থানীয়দের অভিযোগ, অপরাধীদের ভয়ে অনেকেই পুলিশের কাছে তথ্য দিতে বা অভিযোগ জানাতে সাহস পান না।

সভায় উপস্থিত কয়েকজন বাসিন্দা পুলিশের কাছে তথ্য দেয়ার পর তা গোপন না থাকার আশঙ্কার কথা তুলে ধরেন। তাদের মতে, তথ্যদাতার পরিচয় প্রকাশ হয়ে যাওয়ার ভয় অনেককে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতা করতে নিরুৎসাহিত করে।

এ সময় পুলিশ কর্মকর্তারা স্থানীয়দের অপরাধ দমনে সহযোগিতার আহ্বান জানান। আলোচনার একপর্যায়ে তথ্য ফাঁসের অভিযোগ প্রসঙ্গে ক্ষোভ ও উদ্বেগের কথা উঠে আসে। এর জবাবে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রাশিদুল হাসান খান তথ্যদাতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে দৃঢ় আশ্বাস দেন এবং কোনো কর্মকর্তা তথ্য ফাঁসের সঙ্গে জড়িত প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান।

এ বিষয়ে রাশিদুল হাসান খান বলেন, ‘খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে অনেক মানুষের মধ্যে তথ্য গোপন থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। সেই উদ্বেগ দূর করতে তিনি বক্তব্য দিয়েছেন।

তার ভাষ্য, বক্তব্যের একটি সংক্ষিপ্ত অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে, ফলে পুরো প্রেক্ষাপট অনেকের কাছে স্পষ্ট হয়নি। তিনি মূলত বোঝাতে চেয়েছেন, কোনো পুলিশ সদস্য যদি তথ্যদাতার পরিচয় প্রকাশ করে বা দায়িত্বে অবহেলা করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইসলামপন্থিদের রাজনৈতিক বিজয়ে শক্তিশালী মিডিয়া কাঠামো গড়ে তুলতে হবে’

তথ্য ফাঁস করলে ইন্সপেক্টরকে গাছে ঝুলাইয়া পে/টাব: পুলিশ কমিশনারের ভিডিও ভাইরাল

আপডেট সময় ০২:০১:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা চেয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপির) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তার দেয়া বক্তব্যের একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুক) ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান বর্তমানে কেএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন অ্যান্ড ফিন্যান্স এবং ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ভাইরাল হওয়া ২৫ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘দারোগা বা ইন্সপেক্টরকে বলার পর কোনো ইনফরমেশন যদি ফাঁস হয়, আমি মুসলমান হিসেবে কথা দিচ্ছি আমি ইন্সপেক্টরকে ঝুলায় দেব, আপনারা পিটায় মারবেন। আপনারা গোপন তথ্য দেবেন, আল্লাহ ছাড়া কেউ জানলে, আমি কথা দিচ্ছি গাছের সঙ্গে ঝুলাইয়া পেটাব।’

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) নগরীর লবণচরা থানার মহিরবাড়ি খালপাড় এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে পুলিশের এক মতবিনিময় সভায় এ বক্তব্য দেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটি সন্ত্রাস, অস্ত্রধারী গ্রুপের তৎপরতা এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে আলোচিত। স্থানীয়দের অভিযোগ, অপরাধীদের ভয়ে অনেকেই পুলিশের কাছে তথ্য দিতে বা অভিযোগ জানাতে সাহস পান না।

সভায় উপস্থিত কয়েকজন বাসিন্দা পুলিশের কাছে তথ্য দেয়ার পর তা গোপন না থাকার আশঙ্কার কথা তুলে ধরেন। তাদের মতে, তথ্যদাতার পরিচয় প্রকাশ হয়ে যাওয়ার ভয় অনেককে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতা করতে নিরুৎসাহিত করে।

এ সময় পুলিশ কর্মকর্তারা স্থানীয়দের অপরাধ দমনে সহযোগিতার আহ্বান জানান। আলোচনার একপর্যায়ে তথ্য ফাঁসের অভিযোগ প্রসঙ্গে ক্ষোভ ও উদ্বেগের কথা উঠে আসে। এর জবাবে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রাশিদুল হাসান খান তথ্যদাতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে দৃঢ় আশ্বাস দেন এবং কোনো কর্মকর্তা তথ্য ফাঁসের সঙ্গে জড়িত প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান।

এ বিষয়ে রাশিদুল হাসান খান বলেন, ‘খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে অনেক মানুষের মধ্যে তথ্য গোপন থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। সেই উদ্বেগ দূর করতে তিনি বক্তব্য দিয়েছেন।

তার ভাষ্য, বক্তব্যের একটি সংক্ষিপ্ত অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে, ফলে পুরো প্রেক্ষাপট অনেকের কাছে স্পষ্ট হয়নি। তিনি মূলত বোঝাতে চেয়েছেন, কোনো পুলিশ সদস্য যদি তথ্যদাতার পরিচয় প্রকাশ করে বা দায়িত্বে অবহেলা করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।