ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার Logo শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাবিতে নবীনবরণ, ‘পাইলট প্রকল্প’ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার ইঙ্গিত Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের Logo আগস্টে সারা দেশে শোডাউনের চিন্তা আ.লীগের, ২ ডজন কমিটি গঠন Logo ইরানে হিজাববিহীন গান গাওয়ার অপরাধে গায়িকাকে ৭৪ দোররা মারার নির্দেশ Logo মেসির বাবার মৃত্যুর খবর প্রচার করে চাকরি হারালেন উপস্থাপিকাসহ পুরো টিম Logo ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১০ Logo ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ চেয়ে নিজেই হার মানলেন ট্রাম্প

ভারতের আসামে বিমানবাহিনীর এএন-৩২ বিধ্বস্ত, ঘাঁটির ভেতরেই আগুন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৩৪:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
আসামের যোরহাটে আজ শনিবার সকালে ভারতীয় বিমান বাহিনীর একটি এএন-৩২ (AN-32) পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। বিমানঘাঁটিতে অবতরণের সময় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে এবং বিধ্বস্ত হওয়ার পরপরই বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। বিমানবাহিনী ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে।

প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, অবতরণের সময় বিমানটি এয়ার ফোর্স স্টেশনের ভেতরেই ভেঙে পড়ে এবং পরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার পরপরই জরুরি সাড়া দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

এ ঘটনায় হতাহতের কোনো তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। দুর্ঘটনার কারণও এখনো জানা যায়নি। ভারতীয় বিমানবাহিনী জানিয়েছে, পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, ‘যোরহাটে বিমানবাহিনীর পরিবহন বিমানের দুর্ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত আছি। বিস্তারিত তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছি।’

এএন-৩২ একটি দ্বৈত ইঞ্জিনবিশিষ্ট টার্বোপ্রপ সামরিক পরিবহন বিমান, যা দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বহরে রয়েছে। সোভিয়েত ইউনিয়নে ভারতের প্রয়োজন অনুযায়ী নির্মিত এই মডেলের প্রায় ১০০টি বিমান বর্তমানে তাদের বহরে রয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়া ও উচ্চভূমির ঘাঁটিতে পরিচালনার উপযোগী এই বিমান একসঙ্গে প্রায় ৭ দশমিক ৫ টন মালামাল, ৫০ জন যাত্রী বা ৪২ জন প্যারাট্রুপার বহনে সক্ষম। দুর্গম অঞ্চলে রসদ সরবরাহে এটি নিয়মিত ব্যবহৃত হয়।

এর আগে গত ৫ মার্চ আসামের কারবি আংলং জেলায় ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি সুখোই সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হলে দুই পাইলট নিহত হন। সেদিন সন্ধ্যা ৭টা ৪২ মিনিটের দিকে যোরহাট এয়ার ফোর্স স্টেশন থেকে নিয়মিত উড্ডয়নের পর বিমানটির সঙ্গে স্থল নিয়ন্ত্রণ কক্ষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। পরে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সেটি বিধ্বস্ত হয় বলে জানানো হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার

ভারতের আসামে বিমানবাহিনীর এএন-৩২ বিধ্বস্ত, ঘাঁটির ভেতরেই আগুন

আপডেট সময় ০৪:৩৪:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
আসামের যোরহাটে আজ শনিবার সকালে ভারতীয় বিমান বাহিনীর একটি এএন-৩২ (AN-32) পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। বিমানঘাঁটিতে অবতরণের সময় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে এবং বিধ্বস্ত হওয়ার পরপরই বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। বিমানবাহিনী ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে।

প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, অবতরণের সময় বিমানটি এয়ার ফোর্স স্টেশনের ভেতরেই ভেঙে পড়ে এবং পরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার পরপরই জরুরি সাড়া দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

এ ঘটনায় হতাহতের কোনো তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। দুর্ঘটনার কারণও এখনো জানা যায়নি। ভারতীয় বিমানবাহিনী জানিয়েছে, পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, ‘যোরহাটে বিমানবাহিনীর পরিবহন বিমানের দুর্ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত আছি। বিস্তারিত তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছি।’

এএন-৩২ একটি দ্বৈত ইঞ্জিনবিশিষ্ট টার্বোপ্রপ সামরিক পরিবহন বিমান, যা দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বহরে রয়েছে। সোভিয়েত ইউনিয়নে ভারতের প্রয়োজন অনুযায়ী নির্মিত এই মডেলের প্রায় ১০০টি বিমান বর্তমানে তাদের বহরে রয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়া ও উচ্চভূমির ঘাঁটিতে পরিচালনার উপযোগী এই বিমান একসঙ্গে প্রায় ৭ দশমিক ৫ টন মালামাল, ৫০ জন যাত্রী বা ৪২ জন প্যারাট্রুপার বহনে সক্ষম। দুর্গম অঞ্চলে রসদ সরবরাহে এটি নিয়মিত ব্যবহৃত হয়।

এর আগে গত ৫ মার্চ আসামের কারবি আংলং জেলায় ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি সুখোই সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হলে দুই পাইলট নিহত হন। সেদিন সন্ধ্যা ৭টা ৪২ মিনিটের দিকে যোরহাট এয়ার ফোর্স স্টেশন থেকে নিয়মিত উড্ডয়নের পর বিমানটির সঙ্গে স্থল নিয়ন্ত্রণ কক্ষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। পরে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সেটি বিধ্বস্ত হয় বলে জানানো হয়।