ঢাকা ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ Logo ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে স্কুলছাত্রের মৃত্যু Logo মাদক ব্যবসা ছাড়ুন, না হলে এলাকা ছাড়ুন : এমপি আবু তালিব Logo ইরান সংঘাতে না জড়াতে চীনকে অনুরোধ করেছিলেন ট্রাম্প Logo প্রথমার্ধ শেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র Logo পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার Logo শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাবিতে নবীনবরণ, ‘পাইলট প্রকল্প’ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার ইঙ্গিত Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

২০৩০ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে বে-টার্মিনাল চালু হবে: মন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১৭:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে বে-টার্মিনাল চালু হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বে-টার্মিনাল চালু হলে বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বাড়বে এবং মাদার ভেসেল প্রবেশে জোয়ার-ভাটার নির্ভরতা ও নাব্য সংকট দূর হবে। এতে বন্দরের সামগ্রিক জট পুরোপুরি নিরসন সম্ভব হবে।

মন্ত্রী জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে জাহাজের গড় টার্নঅ্যারাউন্ড সময় ছিল ২ দশমিক ৫৮ দিন। শাহজাহান চৌধুরী কলম্বো ও সিঙ্গাপুরের তুলনায় এ সময় তিনগুণ বেশি কেন জানতে চান।

জবাবে শেখ রবিউল আলম বলেন, কলম্বো ও সিঙ্গাপুর মূলত ট্রান্সশিপমেন্ট পোর্ট। সেখানে কেবল বড় জাহাজ থেকে কনটেইনার নামিয়ে ছোট জাহাজে তোলা হয় এবং কাস্টমস পরীক্ষা বা ক্লিয়ারেন্সের প্রয়োজন পড়ে না। অন্যদিকে চট্টগ্রাম বন্দর মূলত ফিডার পোর্ট। এখানে কাস্টমস এক্সামিন ও ক্লিয়ারেন্সসহ বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হয় বলে টার্নঅ্যারাউন্ড সময় কিছুটা বেশি হয়। তিনি আরও জানান, চট্টগ্রাম বন্দরে ট্রান্সশিপমেন্ট কনটেইনারের পরিমাণ খুবই কম এবং আমদানি-রপ্তানি কনটেইনারের প্রায় শতভাগই দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও রপ্তানির জন্য ব্যবহৃত হয়।

মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জাহাজ ও কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন এবং বন্দর ব্যবস্থাপনা আরও গতিশীল করার উদ্যোগ নিয়েছে। এতে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের গড় সময় ইতোমধ্যে কমেছে এবং ভবিষ্যতে আরও কমবে বলে আশা করা যায়।

তিনি আরও জানান, পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের পাশাপাশি বে-টার্মিনাল চালুর মাধ্যমে বন্দরের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

২০৩০ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে বে-টার্মিনাল চালু হবে: মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:১৭:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে বে-টার্মিনাল চালু হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বে-টার্মিনাল চালু হলে বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বাড়বে এবং মাদার ভেসেল প্রবেশে জোয়ার-ভাটার নির্ভরতা ও নাব্য সংকট দূর হবে। এতে বন্দরের সামগ্রিক জট পুরোপুরি নিরসন সম্ভব হবে।

মন্ত্রী জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে জাহাজের গড় টার্নঅ্যারাউন্ড সময় ছিল ২ দশমিক ৫৮ দিন। শাহজাহান চৌধুরী কলম্বো ও সিঙ্গাপুরের তুলনায় এ সময় তিনগুণ বেশি কেন জানতে চান।

জবাবে শেখ রবিউল আলম বলেন, কলম্বো ও সিঙ্গাপুর মূলত ট্রান্সশিপমেন্ট পোর্ট। সেখানে কেবল বড় জাহাজ থেকে কনটেইনার নামিয়ে ছোট জাহাজে তোলা হয় এবং কাস্টমস পরীক্ষা বা ক্লিয়ারেন্সের প্রয়োজন পড়ে না। অন্যদিকে চট্টগ্রাম বন্দর মূলত ফিডার পোর্ট। এখানে কাস্টমস এক্সামিন ও ক্লিয়ারেন্সসহ বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হয় বলে টার্নঅ্যারাউন্ড সময় কিছুটা বেশি হয়। তিনি আরও জানান, চট্টগ্রাম বন্দরে ট্রান্সশিপমেন্ট কনটেইনারের পরিমাণ খুবই কম এবং আমদানি-রপ্তানি কনটেইনারের প্রায় শতভাগই দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও রপ্তানির জন্য ব্যবহৃত হয়।

মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জাহাজ ও কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন এবং বন্দর ব্যবস্থাপনা আরও গতিশীল করার উদ্যোগ নিয়েছে। এতে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের গড় সময় ইতোমধ্যে কমেছে এবং ভবিষ্যতে আরও কমবে বলে আশা করা যায়।

তিনি আরও জানান, পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের পাশাপাশি বে-টার্মিনাল চালুর মাধ্যমে বন্দরের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।