ঢাকা ১২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ Logo ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে স্কুলছাত্রের মৃত্যু Logo মাদক ব্যবসা ছাড়ুন, না হলে এলাকা ছাড়ুন : এমপি আবু তালিব Logo ইরান সংঘাতে না জড়াতে চীনকে অনুরোধ করেছিলেন ট্রাম্প Logo প্রথমার্ধ শেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র Logo পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার Logo শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাবিতে নবীনবরণ, ‘পাইলট প্রকল্প’ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার ইঙ্গিত Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

‘ইরানের বিশ্বাস অর্জনের পরীক্ষা হিসেবে ২৪ বিলিয়ন ডলার জব্দকৃত অর্থ ফেরত দিতে ট্রাম্পকে’

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১২:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক আলোচনা যখন কার্যত অচলাবস্থায়, তখন ২৪ বিলিয়ন ডলার জব্দকৃত ইরানি সম্পদ ছাড়ের দাবি তুলেছে তেহরান। এ দাবিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য একটি ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির উপদেষ্টা মোহসেন রেজাই।

গতকাল শুক্রবার (৫ জুন) সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রেজাই বলেন, দুই দেশের মধ্যে চলমান আলোচনা এখন সম্পূর্ণ অচলাবস্থায় পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, ট্রাম্পকে এই অচলাবস্থা ভাঙতে হবে। বল এখন যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টে। একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা সিএনএনকে জানান, বর্তমানে আলোচনা এগোচ্ছে মূলত যুক্তরাষ্ট্র কত দ্রুত ২৪ বিলিয়ন ডলার জব্দকৃত ইরানি সম্পদ ছাড়ে—এই শর্তের ওপর ভিত্তি করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, চুক্তি সই হলে ১২ বিলিয়ন ডলার এবং পরবর্তীতে বাকি অর্থ ছাড়ের কথা রয়েছে।

রেজাই এই দাবিকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য পরীক্ষা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘এটি এমন একটি পরীক্ষা, যা আমেরিকাকে পাস করতে হবে। এটা আমাদের নিজেদের টাকা, আমেরিকার নয়।’

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, যদি উত্তেজনা আবারও বাড়ে, তাহলে ইরান পারস্য উপসাগরের বাইরে যুদ্ধ সম্প্রসারণ করবে। তবে তিনি একইসঙ্গে জানান, পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের সম্ভাবনা কম। তার ভাষ্য, আমরা অন্যান্য মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালিয়ে যুদ্ধকে নতুন মাত্রা দেবো।

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল অভিযান নিয়েও সতর্ক বার্তা দেন রেজাই। তিনি বলেন, বিশ্ব তখন বুঝবে ইরানের প্রকৃত সক্ষমতা। আমাদের স্থলশক্তি ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী।

তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরান বিজয়ী হয়েছে এবং এটিকে তিনি ‘ইরানের ইতিহাসে প্রথম বিজয়’ হিসেবে উল্লেখ করেন। এছাড়া তিনি জানান, ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতে আগ্রহী নয় ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে আলোচনাকে অচল করে দেওয়ার অভিযোগ করেন।

পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, ট্রাম্পের ‘অস্পষ্ট কৌশল’ এবং ২০১৫ সালের চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার কারণে নতুন কোনো সমঝোতা করা বেশ কঠিন।

তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ইরান ও ওমানের সার্বভৌমত্বের অধীনে রয়েছে এবং সেখানে জাহাজ চলাচলের জন্য যে অর্থ নেওয়া হয়, তা তিনি হরমুজের ‘রক্ষণাবেক্ষণ ফি’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

‘ইরানের বিশ্বাস অর্জনের পরীক্ষা হিসেবে ২৪ বিলিয়ন ডলার জব্দকৃত অর্থ ফেরত দিতে ট্রাম্পকে’

আপডেট সময় ০৬:১২:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক আলোচনা যখন কার্যত অচলাবস্থায়, তখন ২৪ বিলিয়ন ডলার জব্দকৃত ইরানি সম্পদ ছাড়ের দাবি তুলেছে তেহরান। এ দাবিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য একটি ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির উপদেষ্টা মোহসেন রেজাই।

গতকাল শুক্রবার (৫ জুন) সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রেজাই বলেন, দুই দেশের মধ্যে চলমান আলোচনা এখন সম্পূর্ণ অচলাবস্থায় পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, ট্রাম্পকে এই অচলাবস্থা ভাঙতে হবে। বল এখন যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টে। একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা সিএনএনকে জানান, বর্তমানে আলোচনা এগোচ্ছে মূলত যুক্তরাষ্ট্র কত দ্রুত ২৪ বিলিয়ন ডলার জব্দকৃত ইরানি সম্পদ ছাড়ে—এই শর্তের ওপর ভিত্তি করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, চুক্তি সই হলে ১২ বিলিয়ন ডলার এবং পরবর্তীতে বাকি অর্থ ছাড়ের কথা রয়েছে।

রেজাই এই দাবিকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য পরীক্ষা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘এটি এমন একটি পরীক্ষা, যা আমেরিকাকে পাস করতে হবে। এটা আমাদের নিজেদের টাকা, আমেরিকার নয়।’

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, যদি উত্তেজনা আবারও বাড়ে, তাহলে ইরান পারস্য উপসাগরের বাইরে যুদ্ধ সম্প্রসারণ করবে। তবে তিনি একইসঙ্গে জানান, পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের সম্ভাবনা কম। তার ভাষ্য, আমরা অন্যান্য মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালিয়ে যুদ্ধকে নতুন মাত্রা দেবো।

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল অভিযান নিয়েও সতর্ক বার্তা দেন রেজাই। তিনি বলেন, বিশ্ব তখন বুঝবে ইরানের প্রকৃত সক্ষমতা। আমাদের স্থলশক্তি ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী।

তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরান বিজয়ী হয়েছে এবং এটিকে তিনি ‘ইরানের ইতিহাসে প্রথম বিজয়’ হিসেবে উল্লেখ করেন। এছাড়া তিনি জানান, ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতে আগ্রহী নয় ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে আলোচনাকে অচল করে দেওয়ার অভিযোগ করেন।

পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, ট্রাম্পের ‘অস্পষ্ট কৌশল’ এবং ২০১৫ সালের চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার কারণে নতুন কোনো সমঝোতা করা বেশ কঠিন।

তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ইরান ও ওমানের সার্বভৌমত্বের অধীনে রয়েছে এবং সেখানে জাহাজ চলাচলের জন্য যে অর্থ নেওয়া হয়, তা তিনি হরমুজের ‘রক্ষণাবেক্ষণ ফি’ হিসেবে উল্লেখ করেন।