ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ Logo ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে স্কুলছাত্রের মৃত্যু Logo মাদক ব্যবসা ছাড়ুন, না হলে এলাকা ছাড়ুন : এমপি আবু তালিব Logo ইরান সংঘাতে না জড়াতে চীনকে অনুরোধ করেছিলেন ট্রাম্প Logo প্রথমার্ধ শেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র Logo পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার Logo শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাবিতে নবীনবরণ, ‘পাইলট প্রকল্প’ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার ইঙ্গিত Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

তারেক রহমানের কাছে খালেদা জিয়ার মৃত্যুশোক প্রস্তাবের অনুলিপি পৌঁছানোর অনুরোধ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:১০:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় গৃহীত শোকপ্রস্তাবের অনুলিপি তার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা। এ বিষয়ে কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

গত ২ জুন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার প্রধান সচিব সৌমেন্দ্র নাথ দাস স্বাক্ষরিত এক চিঠি কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনারের কাছে পাঠানো হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি বিধানসভার অধিবেশনে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। ওই অধিবেশনের কার্যবিবরণীর সংশ্লিষ্ট অংশের অনুলিপি চিঠির সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।

চিঠিতে অনুরোধ জানানো হয়, শোকপ্রস্তাবসংবলিত ওই অনুলিপি যেন বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।

কার্যবিবরণীতে উল্লেখ রয়েছে, অধিবেশনে স্পিকার খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও অবদান স্মরণ করেন। এরপর তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন বিধানসভার সদস্যরা।

প্রায় চার মাস পর, ২ জুন ওই শোকপ্রস্তাবের অনুলিপি পৌঁছে দেওয়ার জন্য কূটনৈতিক সহায়তা চেয়ে বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানানো হয়।

শোকপ্রস্তাবে খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, তিনি দীর্ঘদিন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

এছাড়া নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক উন্নয়নে তার অবদান তুলে ধরা হয়। শোকপ্রস্তাবে তাকে দক্ষিণ এশিয়ার সমকালীন রাজনীতির এক প্রভাবশালী নেতা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয় এবং তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

তারেক রহমানের কাছে খালেদা জিয়ার মৃত্যুশোক প্রস্তাবের অনুলিপি পৌঁছানোর অনুরোধ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার

আপডেট সময় ০৯:১০:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় গৃহীত শোকপ্রস্তাবের অনুলিপি তার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা। এ বিষয়ে কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

গত ২ জুন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার প্রধান সচিব সৌমেন্দ্র নাথ দাস স্বাক্ষরিত এক চিঠি কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনারের কাছে পাঠানো হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি বিধানসভার অধিবেশনে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। ওই অধিবেশনের কার্যবিবরণীর সংশ্লিষ্ট অংশের অনুলিপি চিঠির সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।

চিঠিতে অনুরোধ জানানো হয়, শোকপ্রস্তাবসংবলিত ওই অনুলিপি যেন বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।

কার্যবিবরণীতে উল্লেখ রয়েছে, অধিবেশনে স্পিকার খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও অবদান স্মরণ করেন। এরপর তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন বিধানসভার সদস্যরা।

প্রায় চার মাস পর, ২ জুন ওই শোকপ্রস্তাবের অনুলিপি পৌঁছে দেওয়ার জন্য কূটনৈতিক সহায়তা চেয়ে বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানানো হয়।

শোকপ্রস্তাবে খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, তিনি দীর্ঘদিন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

এছাড়া নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক উন্নয়নে তার অবদান তুলে ধরা হয়। শোকপ্রস্তাবে তাকে দক্ষিণ এশিয়ার সমকালীন রাজনীতির এক প্রভাবশালী নেতা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয় এবং তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।