ঢাকা ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ Logo ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে স্কুলছাত্রের মৃত্যু Logo মাদক ব্যবসা ছাড়ুন, না হলে এলাকা ছাড়ুন : এমপি আবু তালিব Logo ইরান সংঘাতে না জড়াতে চীনকে অনুরোধ করেছিলেন ট্রাম্প Logo প্রথমার্ধ শেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র Logo পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার Logo শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাবিতে নবীনবরণ, ‘পাইলট প্রকল্প’ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার ইঙ্গিত Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

গাজাগামী ফ্লোটিলায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রুহি লোরেন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:১৭:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫
  • ৮১ বার পড়া হয়েছে

গাজার জনগণের জন্য ত্রাণ সহায়তা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ নৌবহরে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ মানবাধিকারকর্মী ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ রুহি লোরেন আখতার অংশ নিয়েছেন। তার সংস্থাটির পূর্ণ নাম ‘রিফিউজি বিরিয়ানি অ্যান্ড ব্যানানাস’ (আরবিবি)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে জানা গেছে, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই ব্রিটিশ মানবাধিকারকর্মী বর্তমানে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার একজন সহযাত্রী। এই যাত্রা নিয়ে তিনি ভিডিও পোস্ট করেছেন যেখানে তাদের অবস্থান ও গাজা নিয়ে বার্তা দিয়েছেন।

১ অক্টোবর (বুধবার) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে রুহি লোরেন লেখেন, গাজাবাসীর জন্য ত্রাণ নিয়ে এগিয়ে যাওয়া ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’-র অন্যান্য নৌযানের ঠিক পেছনে ‘সামারটাইম জং’ নামের একটি জাহাজে তিনি অবস্থান করছেন।

তিনি আরও লেখেন, ‘আমরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যেও দৃঢ়প্রতিজ্ঞা এবং আশা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। নৌবহরের এই দলটি মানবিক সহায়তা নিয়ে ইসরায়েলি বাধা উপেক্ষা করে গাজায় পৌঁছানোর শেষ চেষ্টা করছে।’

বর্তমানে তার সংস্থাটির কার্যক্রম গাজা ও গ্রিসে চালু রয়েছে। বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর পাশে থাকার অঙ্গীকারের স্বীকৃতিস্বরূপ রুহি ইতোমধ্যে যুক্তরাজ্যের নর্থ ইস্ট বাংলাদেশি অ্যাওয়ার্ডসে ‘পার্সন অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারেও ভূষিত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ গাজার মানুষের জন্য সমুদ্রপথে ত্রাণ পৌঁছে দেয়ার একটি বৈশ্বিক উদ্যোগ। বহরটিতে প্রায় ৪৪ দেশের ৫০০ মানুষ রয়েছেন— যাদের মধ্যে আছেন যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, আয়ারল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়ামের নাগরিকসহ ইউরোপীয় পার্লামেন্টের নির্বাচিত প্রতিনিধি, আইনজীবী, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

গাজাগামী ফ্লোটিলায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রুহি লোরেন

আপডেট সময় ১০:১৭:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫

গাজার জনগণের জন্য ত্রাণ সহায়তা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ নৌবহরে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ মানবাধিকারকর্মী ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ রুহি লোরেন আখতার অংশ নিয়েছেন। তার সংস্থাটির পূর্ণ নাম ‘রিফিউজি বিরিয়ানি অ্যান্ড ব্যানানাস’ (আরবিবি)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে জানা গেছে, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই ব্রিটিশ মানবাধিকারকর্মী বর্তমানে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার একজন সহযাত্রী। এই যাত্রা নিয়ে তিনি ভিডিও পোস্ট করেছেন যেখানে তাদের অবস্থান ও গাজা নিয়ে বার্তা দিয়েছেন।

১ অক্টোবর (বুধবার) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে রুহি লোরেন লেখেন, গাজাবাসীর জন্য ত্রাণ নিয়ে এগিয়ে যাওয়া ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’-র অন্যান্য নৌযানের ঠিক পেছনে ‘সামারটাইম জং’ নামের একটি জাহাজে তিনি অবস্থান করছেন।

তিনি আরও লেখেন, ‘আমরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যেও দৃঢ়প্রতিজ্ঞা এবং আশা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। নৌবহরের এই দলটি মানবিক সহায়তা নিয়ে ইসরায়েলি বাধা উপেক্ষা করে গাজায় পৌঁছানোর শেষ চেষ্টা করছে।’

বর্তমানে তার সংস্থাটির কার্যক্রম গাজা ও গ্রিসে চালু রয়েছে। বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর পাশে থাকার অঙ্গীকারের স্বীকৃতিস্বরূপ রুহি ইতোমধ্যে যুক্তরাজ্যের নর্থ ইস্ট বাংলাদেশি অ্যাওয়ার্ডসে ‘পার্সন অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারেও ভূষিত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ গাজার মানুষের জন্য সমুদ্রপথে ত্রাণ পৌঁছে দেয়ার একটি বৈশ্বিক উদ্যোগ। বহরটিতে প্রায় ৪৪ দেশের ৫০০ মানুষ রয়েছেন— যাদের মধ্যে আছেন যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, আয়ারল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়ামের নাগরিকসহ ইউরোপীয় পার্লামেন্টের নির্বাচিত প্রতিনিধি, আইনজীবী, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীরা।