ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মধ্যপ্রাচ্যে জুনের মধ্যে ৪৫ মিলিয়ন মানুষ খাদ্য সংকটে পড়তে পারে Logo বিশ্বকাপে খেলতে না পারার কারণ খুঁজতে তদন্ত হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী Logo ইসরায়েল কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে না: ট্রাম্প Logo সেকেন্ডের ব্যবধানে বেঁচে যান মোজতবা খামেনি Logo যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন মোজতবা খামেনি: ইরানি কর্মকর্তা Logo ইসরাইলের মধ্যাঞ্চলে ইরানের ক্লাস্টার বোমা হামলা Logo ইরান কিছুতেই আত্মসমর্পণ করবে না: পেজেশকিয়ান Logo ইসরায়েলের অস্ত্র উৎপাদন স্থাপনায় ইরানের হামলা Logo চীনের উপহার হাইজ্যাক করে বাপের নাম বসানো হয়েছিল: জামায়াত আমির Logo ইরানকে ‘সন্ত্রাসবাদে সমর্থনকারী রাষ্ট্র’ ঘোষণা আলবেনিয়ার

৪০-এর পর হার্ট সুস্থ রাখতে যে নিয়মগুলো মানা জরুরি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:১০:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

৪০ বছর বয়স পেরোলে শরীরের ভেতরে ধীরে ধীরে বার্ধক্যের ইঙ্গিত দেখা দিতে শুরু করে। বাইরে থেকে শক্তিশালী দেখালেও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাওয়ায় অনিয়ম বা অতিরিক্ত চাপ সহজে সহ্য করতে পারে না শরীর। বিশেষ করে হৃদ্‌যন্ত্রের ক্ষেত্রে এই বয়স থেকে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি।

৪০-এর পর বিপাকক্রিয়া কিছুটা ধীর হয়ে যায়। ফলে হার্ট অস্বাস্থ্যকর চর্বি, অতিরিক্ত চিনি ও লবণের প্রভাবের প্রতি আরও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। তাই স্যাচুরেটেড ফ্যাট কমানো, লবণ–চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং কোলেস্টেরল, রক্তচাপ ও শরীরের প্রদাহের সমস্যা না-এড়ানোই উত্তম।

ওজন নিয়ন্ত্রণ ও ব্যায়াম

হার্ট ভালো রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায় ব্যায়াম।
প্রতিদিন অন্তত ২০ মিনিট ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ুন।

সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি বা তীব্র অ্যারোবিক ব্যায়াম কিংবা নিয়মিত স্ট্রেন্থ ট্রেনিং করলে হার্ট শক্তিশালী হয় এবং সার্বিক ফিটনেস বাড়ে।

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ

দীর্ঘ সময় মানসিক চাপে থাকলে কর্টিসলের মাত্রা বেড়ে যায়, যা হৃদ্‌স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। তাই মন ভালো রাখা এবং মানসিক চাপ সামলানো হার্ট ভালো রাখার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা

শরীরে দৃশ্যমান কোনো সমস্যা না থাকলেও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা জরুরি।

উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নীরবে বৃদ্ধি পায়—তাই প্রতি ৪–৬ মাসে লিপিড প্রোফাইল

প্রতি ১–২ মাসে রক্তচাপ পরীক্ষা

ধূমপান, ডায়াবেটিস বা স্থূলতা থাকলে আরও ঘন ঘন চেকআপ প্রয়োজন

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে জুনের মধ্যে ৪৫ মিলিয়ন মানুষ খাদ্য সংকটে পড়তে পারে

৪০-এর পর হার্ট সুস্থ রাখতে যে নিয়মগুলো মানা জরুরি

আপডেট সময় ০৩:১০:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

৪০ বছর বয়স পেরোলে শরীরের ভেতরে ধীরে ধীরে বার্ধক্যের ইঙ্গিত দেখা দিতে শুরু করে। বাইরে থেকে শক্তিশালী দেখালেও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাওয়ায় অনিয়ম বা অতিরিক্ত চাপ সহজে সহ্য করতে পারে না শরীর। বিশেষ করে হৃদ্‌যন্ত্রের ক্ষেত্রে এই বয়স থেকে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি।

৪০-এর পর বিপাকক্রিয়া কিছুটা ধীর হয়ে যায়। ফলে হার্ট অস্বাস্থ্যকর চর্বি, অতিরিক্ত চিনি ও লবণের প্রভাবের প্রতি আরও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। তাই স্যাচুরেটেড ফ্যাট কমানো, লবণ–চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং কোলেস্টেরল, রক্তচাপ ও শরীরের প্রদাহের সমস্যা না-এড়ানোই উত্তম।

ওজন নিয়ন্ত্রণ ও ব্যায়াম

হার্ট ভালো রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায় ব্যায়াম।
প্রতিদিন অন্তত ২০ মিনিট ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ুন।

সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি বা তীব্র অ্যারোবিক ব্যায়াম কিংবা নিয়মিত স্ট্রেন্থ ট্রেনিং করলে হার্ট শক্তিশালী হয় এবং সার্বিক ফিটনেস বাড়ে।

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ

দীর্ঘ সময় মানসিক চাপে থাকলে কর্টিসলের মাত্রা বেড়ে যায়, যা হৃদ্‌স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। তাই মন ভালো রাখা এবং মানসিক চাপ সামলানো হার্ট ভালো রাখার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা

শরীরে দৃশ্যমান কোনো সমস্যা না থাকলেও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা জরুরি।

উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নীরবে বৃদ্ধি পায়—তাই প্রতি ৪–৬ মাসে লিপিড প্রোফাইল

প্রতি ১–২ মাসে রক্তচাপ পরীক্ষা

ধূমপান, ডায়াবেটিস বা স্থূলতা থাকলে আরও ঘন ঘন চেকআপ প্রয়োজন


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481