ঢাকা ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

সেকেন্ডের ব্যবধানে বেঁচে যান মোজতবা খামেনি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৪৬:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমান হামলা থেকে রক্ষা পেয়েছেন অনেকটা ভাগ্যের জোরে। তাঁর বাসভবনে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার মাত্র কয়েক মিনিট আগে তিনি বাগানে হাঁটতে বের হয়েছিলেন।

একটি অডিওর বরাত দিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আলি খামেনি ও অন্য শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মোজতবা খামেনিকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। সেদিন স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৩২ মিনিটে ইসরায়েলি ‘ব্লু স্প্যারো’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোজতবার বাসভবনে আঘাত হানে। ওই হামলার ঠিক কয়েক মুহূর্ত আগে তিনি কোনো এক কাজে ঘরের বাইরে বের হয়েছিলেন।

আলি খামেনির দপ্তরের প্রোটোকল প্রধান মাজহার হোসাইনি ১২ মার্চ তেহরানে শীর্ষ আলেম এবং বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডারদের এক সভায় ঘটনাটির বিস্তারিত বর্ণনা দেন। ওই সভার কথোপকথনের একটি অডিও পেয়েছে টেলিগ্রাফ। যা স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করেছে গণমাধ্যমটি।

সভায় হোসাইনি জানান, হামলায় মোজতবা খামেনির পায়ে আঘাত লাগে। তবে তাঁর স্ত্রী ও ছেলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খামেনির সামরিক দপ্তরের প্রধান মোহাম্মদ শিরাজির দেহ বিস্ফোরণে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। হোসাইনির ভাষায়, কেবল কয়েক খণ্ড মাংসপিণ্ড দেখে মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছিল।

ঘটনাস্থলটি এমন একটি জায়গা যেখানে আলি খামেনি ছাড়াও তাঁর সন্তানদের বাসভবন ছিল। ২৮ ফেব্রুয়ারির সকালে তেহরানের সেই প্রাঙ্গণে আলি খামেনি এবং নিরাপত্তা বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বৈঠকে বসেছিলেন। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সরাসরি সেখানে আঘাত হানে। এতে আলি খামেনি ছাড়াও আইআরজিসির প্রধান মোহাম্মদ পাকপুর ও ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদে নিহত হন।

ফাঁস হওয়া অডিওতে মাজহার হোসাইনি বলেন, ‘মোজতবা খামেনি বাইর থেকে সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠার সময় ভবনটিতে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। তাঁর স্ত্রী ঘটনাস্থলেই শহীদ হন।’ হোসাইনির মতে, খামেনি পরিবারের সবাইকে হত্যার উদ্দেশে দপ্তরের বিভিন্ন স্থানে একসঙ্গে হামলা চালানো হয়েছিল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

সেকেন্ডের ব্যবধানে বেঁচে যান মোজতবা খামেনি

আপডেট সময় ০৬:৪৬:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমান হামলা থেকে রক্ষা পেয়েছেন অনেকটা ভাগ্যের জোরে। তাঁর বাসভবনে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার মাত্র কয়েক মিনিট আগে তিনি বাগানে হাঁটতে বের হয়েছিলেন।

একটি অডিওর বরাত দিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আলি খামেনি ও অন্য শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মোজতবা খামেনিকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। সেদিন স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৩২ মিনিটে ইসরায়েলি ‘ব্লু স্প্যারো’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোজতবার বাসভবনে আঘাত হানে। ওই হামলার ঠিক কয়েক মুহূর্ত আগে তিনি কোনো এক কাজে ঘরের বাইরে বের হয়েছিলেন।

আলি খামেনির দপ্তরের প্রোটোকল প্রধান মাজহার হোসাইনি ১২ মার্চ তেহরানে শীর্ষ আলেম এবং বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডারদের এক সভায় ঘটনাটির বিস্তারিত বর্ণনা দেন। ওই সভার কথোপকথনের একটি অডিও পেয়েছে টেলিগ্রাফ। যা স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করেছে গণমাধ্যমটি।

সভায় হোসাইনি জানান, হামলায় মোজতবা খামেনির পায়ে আঘাত লাগে। তবে তাঁর স্ত্রী ও ছেলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খামেনির সামরিক দপ্তরের প্রধান মোহাম্মদ শিরাজির দেহ বিস্ফোরণে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। হোসাইনির ভাষায়, কেবল কয়েক খণ্ড মাংসপিণ্ড দেখে মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছিল।

ঘটনাস্থলটি এমন একটি জায়গা যেখানে আলি খামেনি ছাড়াও তাঁর সন্তানদের বাসভবন ছিল। ২৮ ফেব্রুয়ারির সকালে তেহরানের সেই প্রাঙ্গণে আলি খামেনি এবং নিরাপত্তা বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বৈঠকে বসেছিলেন। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সরাসরি সেখানে আঘাত হানে। এতে আলি খামেনি ছাড়াও আইআরজিসির প্রধান মোহাম্মদ পাকপুর ও ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদে নিহত হন।

ফাঁস হওয়া অডিওতে মাজহার হোসাইনি বলেন, ‘মোজতবা খামেনি বাইর থেকে সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠার সময় ভবনটিতে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। তাঁর স্ত্রী ঘটনাস্থলেই শহীদ হন।’ হোসাইনির মতে, খামেনি পরিবারের সবাইকে হত্যার উদ্দেশে দপ্তরের বিভিন্ন স্থানে একসঙ্গে হামলা চালানো হয়েছিল।