ঢাকা ০৫:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

৪০-এর পর হার্ট সুস্থ রাখতে যে নিয়মগুলো মানা জরুরি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:১০:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮৩ বার পড়া হয়েছে

৪০ বছর বয়স পেরোলে শরীরের ভেতরে ধীরে ধীরে বার্ধক্যের ইঙ্গিত দেখা দিতে শুরু করে। বাইরে থেকে শক্তিশালী দেখালেও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাওয়ায় অনিয়ম বা অতিরিক্ত চাপ সহজে সহ্য করতে পারে না শরীর। বিশেষ করে হৃদ্‌যন্ত্রের ক্ষেত্রে এই বয়স থেকে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি।

৪০-এর পর বিপাকক্রিয়া কিছুটা ধীর হয়ে যায়। ফলে হার্ট অস্বাস্থ্যকর চর্বি, অতিরিক্ত চিনি ও লবণের প্রভাবের প্রতি আরও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। তাই স্যাচুরেটেড ফ্যাট কমানো, লবণ–চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং কোলেস্টেরল, রক্তচাপ ও শরীরের প্রদাহের সমস্যা না-এড়ানোই উত্তম।

ওজন নিয়ন্ত্রণ ও ব্যায়াম

হার্ট ভালো রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায় ব্যায়াম।
প্রতিদিন অন্তত ২০ মিনিট ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ুন।

সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি বা তীব্র অ্যারোবিক ব্যায়াম কিংবা নিয়মিত স্ট্রেন্থ ট্রেনিং করলে হার্ট শক্তিশালী হয় এবং সার্বিক ফিটনেস বাড়ে।

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ

দীর্ঘ সময় মানসিক চাপে থাকলে কর্টিসলের মাত্রা বেড়ে যায়, যা হৃদ্‌স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। তাই মন ভালো রাখা এবং মানসিক চাপ সামলানো হার্ট ভালো রাখার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা

শরীরে দৃশ্যমান কোনো সমস্যা না থাকলেও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা জরুরি।

উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নীরবে বৃদ্ধি পায়—তাই প্রতি ৪–৬ মাসে লিপিড প্রোফাইল

প্রতি ১–২ মাসে রক্তচাপ পরীক্ষা

ধূমপান, ডায়াবেটিস বা স্থূলতা থাকলে আরও ঘন ঘন চেকআপ প্রয়োজন

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

৪০-এর পর হার্ট সুস্থ রাখতে যে নিয়মগুলো মানা জরুরি

আপডেট সময় ০৩:১০:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

৪০ বছর বয়স পেরোলে শরীরের ভেতরে ধীরে ধীরে বার্ধক্যের ইঙ্গিত দেখা দিতে শুরু করে। বাইরে থেকে শক্তিশালী দেখালেও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাওয়ায় অনিয়ম বা অতিরিক্ত চাপ সহজে সহ্য করতে পারে না শরীর। বিশেষ করে হৃদ্‌যন্ত্রের ক্ষেত্রে এই বয়স থেকে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি।

৪০-এর পর বিপাকক্রিয়া কিছুটা ধীর হয়ে যায়। ফলে হার্ট অস্বাস্থ্যকর চর্বি, অতিরিক্ত চিনি ও লবণের প্রভাবের প্রতি আরও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। তাই স্যাচুরেটেড ফ্যাট কমানো, লবণ–চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং কোলেস্টেরল, রক্তচাপ ও শরীরের প্রদাহের সমস্যা না-এড়ানোই উত্তম।

ওজন নিয়ন্ত্রণ ও ব্যায়াম

হার্ট ভালো রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায় ব্যায়াম।
প্রতিদিন অন্তত ২০ মিনিট ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ুন।

সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি বা তীব্র অ্যারোবিক ব্যায়াম কিংবা নিয়মিত স্ট্রেন্থ ট্রেনিং করলে হার্ট শক্তিশালী হয় এবং সার্বিক ফিটনেস বাড়ে।

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ

দীর্ঘ সময় মানসিক চাপে থাকলে কর্টিসলের মাত্রা বেড়ে যায়, যা হৃদ্‌স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। তাই মন ভালো রাখা এবং মানসিক চাপ সামলানো হার্ট ভালো রাখার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা

শরীরে দৃশ্যমান কোনো সমস্যা না থাকলেও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা জরুরি।

উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নীরবে বৃদ্ধি পায়—তাই প্রতি ৪–৬ মাসে লিপিড প্রোফাইল

প্রতি ১–২ মাসে রক্তচাপ পরীক্ষা

ধূমপান, ডায়াবেটিস বা স্থূলতা থাকলে আরও ঘন ঘন চেকআপ প্রয়োজন