ঢাকা ০২:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ Logo ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে স্কুলছাত্রের মৃত্যু Logo মাদক ব্যবসা ছাড়ুন, না হলে এলাকা ছাড়ুন : এমপি আবু তালিব Logo ইরান সংঘাতে না জড়াতে চীনকে অনুরোধ করেছিলেন ট্রাম্প Logo প্রথমার্ধ শেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র Logo পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার Logo শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাবিতে নবীনবরণ, ‘পাইলট প্রকল্প’ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার ইঙ্গিত Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

হাজারো নেতাকর্মী নিয়ে ছাত্রলীগের মিছিল, সরে গেল পুলিশ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালী সদর উপজেলায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা একটি বড় ধরনের মিছিল বের করেছেন।মিছিলকারীদের বিপুল উপস্থিতি দেখে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা সুধারাম থানা পুলিশ সদস্যরা সেখান থেকে সরে যান বলে অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (৫ জুন) জুমার নামাজের পর সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধের হাট বাজারে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান সরকারের ‘সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির’ বিরুদ্ধে এবং আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সমর্থনে এই মিছিলের আয়োজন করা হয়। জুমার নামাজ শেষ হওয়ার পরপরই সদর উপজেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের এক হাজারেরও বেশি কর্মী-সমর্থক বাঁধের হাট বাজারে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিছিলের শুরুতে পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও নেতাকর্মীদের বিশাল জনস্রোতের মুখে তারা টিকতে পারেননি। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা ও তীব্রতা দেখে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা সেখান থেকে সরে যান।

এই বিক্ষোভ মিছিলে সভাপতিত্ব করেন নোয়ান্নই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল করিম চৌধুরী বাবু। মিছিল পরবর্তী সমাবেশে তিনি বলেন, “আমরা এখানে যারা রাজপথে নেমেছি, তারা প্রত্যেকেই অন্যায় ও সব ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এসেছি। আমাদের এই প্রতিবাদী আন্দোলন ইনশাআল্লাহ অব্যাহত থাকবে। যতদিন পর্যন্ত শেখ হাসিনা ফিরে না আসবেন, ততদিন আমরা শান্ত হবো না। আমরা রাজপথ ছাড়বো না।” দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে অন্যায় ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে নৈতিক দায়িত্ব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিপুল সংখ্যক আন্দোলনকারীর মুখে পুলিশ সদস্যদের সরে যাওয়ার বিষয়টি সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম নিজেই স্বীকার করেছেন। ঘটনার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, মিছিলের খবর আগে থেকেই টের পেয়ে পুলিশের ছয় সদস্যের একটি দল সেখানে উপস্থিত ছিল। তবে বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা অতিরিক্ত বেশি হওয়ায় তাদের পক্ষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। ওসির দাবি, তারা শুরুতে মিছিলটি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু পরে নেতাকর্মীদের সংখ্যা ও উপস্থিতি ক্রমাগত বাড়তে থাকায় পুলিশ সদস্যরা সেখান থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরে পড়তে বাধ্য হন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

হাজারো নেতাকর্মী নিয়ে ছাত্রলীগের মিছিল, সরে গেল পুলিশ

আপডেট সময় ১২:০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

নোয়াখালী সদর উপজেলায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা একটি বড় ধরনের মিছিল বের করেছেন।মিছিলকারীদের বিপুল উপস্থিতি দেখে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা সুধারাম থানা পুলিশ সদস্যরা সেখান থেকে সরে যান বলে অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (৫ জুন) জুমার নামাজের পর সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধের হাট বাজারে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান সরকারের ‘সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির’ বিরুদ্ধে এবং আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সমর্থনে এই মিছিলের আয়োজন করা হয়। জুমার নামাজ শেষ হওয়ার পরপরই সদর উপজেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের এক হাজারেরও বেশি কর্মী-সমর্থক বাঁধের হাট বাজারে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিছিলের শুরুতে পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও নেতাকর্মীদের বিশাল জনস্রোতের মুখে তারা টিকতে পারেননি। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা ও তীব্রতা দেখে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা সেখান থেকে সরে যান।

এই বিক্ষোভ মিছিলে সভাপতিত্ব করেন নোয়ান্নই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল করিম চৌধুরী বাবু। মিছিল পরবর্তী সমাবেশে তিনি বলেন, “আমরা এখানে যারা রাজপথে নেমেছি, তারা প্রত্যেকেই অন্যায় ও সব ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এসেছি। আমাদের এই প্রতিবাদী আন্দোলন ইনশাআল্লাহ অব্যাহত থাকবে। যতদিন পর্যন্ত শেখ হাসিনা ফিরে না আসবেন, ততদিন আমরা শান্ত হবো না। আমরা রাজপথ ছাড়বো না।” দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে অন্যায় ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে নৈতিক দায়িত্ব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিপুল সংখ্যক আন্দোলনকারীর মুখে পুলিশ সদস্যদের সরে যাওয়ার বিষয়টি সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম নিজেই স্বীকার করেছেন। ঘটনার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, মিছিলের খবর আগে থেকেই টের পেয়ে পুলিশের ছয় সদস্যের একটি দল সেখানে উপস্থিত ছিল। তবে বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা অতিরিক্ত বেশি হওয়ায় তাদের পক্ষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। ওসির দাবি, তারা শুরুতে মিছিলটি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু পরে নেতাকর্মীদের সংখ্যা ও উপস্থিতি ক্রমাগত বাড়তে থাকায় পুলিশ সদস্যরা সেখান থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরে পড়তে বাধ্য হন।