ঢাকা ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘ইসলামপন্থিদের রাজনৈতিক বিজয়ে শক্তিশালী মিডিয়া কাঠামো গড়ে তুলতে হবে’ Logo আজ মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী Logo যুক্তরাজ্যে আইনি ঝামেলায় পড়তে পারেন হাসনাত আবদুল্লাহ! Logo মেসির সতীর্থ হচ্ছেন ব্রাজিলের তারকা মিডফিল্ডার Logo শীর্ষস্থান দখলের লড়াইয়ে মুখোমুখি জার্মানি-আইভরি কোস্ট Logo তথ্য ফাঁস করলে ইন্সপেক্টরকে গাছে ঝুলাইয়া পে/টাব: পুলিশ কমিশনারের ভিডিও ভাইরাল Logo হরমুজ বন্ধের ঘোষণায় লেবাননে হামলা বন্ধের নির্দেশ নেতানিয়াহুর Logo পানিসম্পদমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে ‘কটূক্তি’, ২০ দিন ধরে কারাগারে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা Logo মহাশূন্যে বিশ্বকাপের বল পাঠিয়ে নতুন বার্তা দিল নাসা Logo জার্মানি-আইভরি কোস্টের গ্রুপসেরার লড়াইয়ে জিতবে কে, যা বলছে পরিসংখ্যান

সাড়ে ৩ বছরের শাসনামলে প্রেসিডেন্ট জিয়া স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়েছেন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৪৫:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, জীবদ্দশায় প্রেসিডেন্ট জিয়ার সঙ্গে সাধারণ মানুষের ঘনিষ্ঠতা ছিল। গ্রামের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সৃষ্টি করেছিলেন। তার রাজনৈতিক জীবন ছিল খুব অল্প সময়ের। সাড়ে ৩ বছর এ দেশ শাসন করেছেন। এই শাসনামলে তিনি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলেছেন।

শনিবার (৩০ মে) রাতে লক্ষ্মীপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীতে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা বিএনপির ব্যানারে টাউন হল ও পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়। এর আগে অসহায় মানুষের মাঝে শাড়ি-লুঙ্গি ও খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়া যখন টগবগে যুবক ছিলেন, তখন দেশের মানুষের সঙ্গে যে সম্পর্ক স্থাপন করেছেন, তা এখন ভেসে উঠছে। যদি প্রেসিডেন্ট জিয়ার জন্ম না হতো, তাহলে পাক হানাদার বাহিনী থেকে যুদ্ধ করে বাংলাদেশটাকে স্বাধীন এবং সার্বভৌম দেশ হিসেবে পাওয়া দূরহ ও কষ্টকর ছিল। এর নেতৃত্ব দিয়েছেন জিয়াউর রহমান।

তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যদি যুদ্ধের নেতৃত্ব না দিতেন, স্বাধীনতার ঘোষণা যদি না করতেন, না ডাক দিতেন, তাহলে রণাঙ্গনে অস্ত্র হাতে বাংলার দামাল ছেলেরা যুদ্ধে অবতীর্ণ হতেন না। এবং স্বাধীন বাংলাদেশ পাওয়া দূরহ ছিল, কষ্টকর ছিল। প্রেসিডেন্ট জিয়া থেকে আজকে পর্যন্ত যে ক্রাইসিস টাইম আমরা মোকাবেলা করেছি, প্রত্যেকটা ক্রাইসিসে জিয়া পরিবারের অংশগ্রহণ, অবদান, অর্জন ও দেশের মানুষের পাশে থাকা দৃশ্যমান।  দেশ স্বাধীন থেকে এখন পর্যন্ত জিয়া পরিবারের অবদান যদি ব্যাখ্যায় যান সারা বছরেও শেষ হবে না। স্বাধীনতার পর বিভক্তি-বিভাজন, দুর্বৃত্তায়ন, দুর্নীতি-দুঃশাসন ছিল। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর প্রেসিডেন্ট জিয়া সিপাহী জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশটাকে নতুনভাবে গড়ার স্বপ্ন দেখালেন।

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমানের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু ও বাফুফের সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি প্রমুখ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইসলামপন্থিদের রাজনৈতিক বিজয়ে শক্তিশালী মিডিয়া কাঠামো গড়ে তুলতে হবে’

সাড়ে ৩ বছরের শাসনামলে প্রেসিডেন্ট জিয়া স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়েছেন

আপডেট সময় ০২:৪৫:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, জীবদ্দশায় প্রেসিডেন্ট জিয়ার সঙ্গে সাধারণ মানুষের ঘনিষ্ঠতা ছিল। গ্রামের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সৃষ্টি করেছিলেন। তার রাজনৈতিক জীবন ছিল খুব অল্প সময়ের। সাড়ে ৩ বছর এ দেশ শাসন করেছেন। এই শাসনামলে তিনি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলেছেন।

শনিবার (৩০ মে) রাতে লক্ষ্মীপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীতে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা বিএনপির ব্যানারে টাউন হল ও পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়। এর আগে অসহায় মানুষের মাঝে শাড়ি-লুঙ্গি ও খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়া যখন টগবগে যুবক ছিলেন, তখন দেশের মানুষের সঙ্গে যে সম্পর্ক স্থাপন করেছেন, তা এখন ভেসে উঠছে। যদি প্রেসিডেন্ট জিয়ার জন্ম না হতো, তাহলে পাক হানাদার বাহিনী থেকে যুদ্ধ করে বাংলাদেশটাকে স্বাধীন এবং সার্বভৌম দেশ হিসেবে পাওয়া দূরহ ও কষ্টকর ছিল। এর নেতৃত্ব দিয়েছেন জিয়াউর রহমান।

তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যদি যুদ্ধের নেতৃত্ব না দিতেন, স্বাধীনতার ঘোষণা যদি না করতেন, না ডাক দিতেন, তাহলে রণাঙ্গনে অস্ত্র হাতে বাংলার দামাল ছেলেরা যুদ্ধে অবতীর্ণ হতেন না। এবং স্বাধীন বাংলাদেশ পাওয়া দূরহ ছিল, কষ্টকর ছিল। প্রেসিডেন্ট জিয়া থেকে আজকে পর্যন্ত যে ক্রাইসিস টাইম আমরা মোকাবেলা করেছি, প্রত্যেকটা ক্রাইসিসে জিয়া পরিবারের অংশগ্রহণ, অবদান, অর্জন ও দেশের মানুষের পাশে থাকা দৃশ্যমান।  দেশ স্বাধীন থেকে এখন পর্যন্ত জিয়া পরিবারের অবদান যদি ব্যাখ্যায় যান সারা বছরেও শেষ হবে না। স্বাধীনতার পর বিভক্তি-বিভাজন, দুর্বৃত্তায়ন, দুর্নীতি-দুঃশাসন ছিল। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর প্রেসিডেন্ট জিয়া সিপাহী জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশটাকে নতুনভাবে গড়ার স্বপ্ন দেখালেন।

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমানের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু ও বাফুফের সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি প্রমুখ।