ঢাকা ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘ইসলামপন্থিদের রাজনৈতিক বিজয়ে শক্তিশালী মিডিয়া কাঠামো গড়ে তুলতে হবে’ Logo আজ মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী Logo যুক্তরাজ্যে আইনি ঝামেলায় পড়তে পারেন হাসনাত আবদুল্লাহ! Logo মেসির সতীর্থ হচ্ছেন ব্রাজিলের তারকা মিডফিল্ডার Logo শীর্ষস্থান দখলের লড়াইয়ে মুখোমুখি জার্মানি-আইভরি কোস্ট Logo তথ্য ফাঁস করলে ইন্সপেক্টরকে গাছে ঝুলাইয়া পে/টাব: পুলিশ কমিশনারের ভিডিও ভাইরাল Logo হরমুজ বন্ধের ঘোষণায় লেবাননে হামলা বন্ধের নির্দেশ নেতানিয়াহুর Logo পানিসম্পদমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে ‘কটূক্তি’, ২০ দিন ধরে কারাগারে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা Logo মহাশূন্যে বিশ্বকাপের বল পাঠিয়ে নতুন বার্তা দিল নাসা Logo জার্মানি-আইভরি কোস্টের গ্রুপসেরার লড়াইয়ে জিতবে কে, যা বলছে পরিসংখ্যান

সংসদীয় ক্যু করে আমাকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল: কর্নেল অলি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট:
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (বীর বিক্রম) বলেছেন, সংসদীয় ক্যু করে আমাকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল কিন্তু আমি রাজি হয়নি।

পাবলিক ইনভেস্টিগেশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

কর্নেল অলি আহমদ বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের ১৪৩ এমপি, বিএনপির ৪০ জন মিলে মোট ১৮৩ জন একটি সংসদীয় ক্যু করতে চেয়েছিল। তারা আমাকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। আমি প্রথম দুই দিন রাজি হয়েছিলাম কিন্তু তৃতীয় দিনে আর রাজি হয়নি। সেই দিন আমি বলেছিলাম, এমন বেইমানি, মুনাফেকি আমি বেগম জিয়ার সাথে করতে পারবো না।

কর্নেল অলি আহমদ ৬ বার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। ৩ বার মন্ত্রী হয়েছেন। তিনি বলেন, সেই সময় ঐ এমপিরা সংসদে একটি বিল আনতে চেয়েছিল। সেই বিলের মাধ্যমে মূলত ক্যু করতে চেয়েছিল।

এলডিপির চেয়ারম্যান বলেন, জিয়াউর রহমান আমাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বানাতে চেয়েছিলেন। তিনি বলে ছিলেন, নির্বাচন করে ক্ষমতায় আসলে আমাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বানাবেন। কিন্তু অনেক মন্ত্রী তার কান ভারী করেছিলেন তাই আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীকে তার এমপিদের সামাল দেওয়ার অনুরোধ করবো। তিনি যদি সামাল দিতে না পারেন তাহলে প্রধানমন্ত্রীই বিপদে পড়বেন। এমপিদের কাজ হচ্ছে আইন প্রণয়ন করা। কিন্তু এখন এমপিদের সাথে ডিসি-এসপিদের থাকতে হয়। রাজনৈতিক মিটিংয়ে তাদেরকে রাখা কোনোভাবেই ঠিক না। প্রশাসনকে সব সময়ই এমপিদের কাছ থেকে দূরে রাখতে হবে। তাহলেই মানুষ ন্যায় বিচার পাবে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে একাধিক সোর্স আছে। সেইগুলোকে কাজে লাগিয়ে তার রিপোর্ট নেওয়া উচিত। স্বশিক্ষিত লোকেরা এলাকায় কী ধরনের অত্যাচার করছেন। কী ধরনের চাঁদাবাজি করছে। এটাতো প্রধানমন্ত্রীরই দায়িত্ব। তারই এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। এ ধরনের ৫-১০টা এমপিকে জেলে দিলে বিএনপির কোনো ক্ষতি হবে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইসলামপন্থিদের রাজনৈতিক বিজয়ে শক্তিশালী মিডিয়া কাঠামো গড়ে তুলতে হবে’

সংসদীয় ক্যু করে আমাকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল: কর্নেল অলি

আপডেট সময় ০৬:১৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট:
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (বীর বিক্রম) বলেছেন, সংসদীয় ক্যু করে আমাকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল কিন্তু আমি রাজি হয়নি।

পাবলিক ইনভেস্টিগেশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

কর্নেল অলি আহমদ বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের ১৪৩ এমপি, বিএনপির ৪০ জন মিলে মোট ১৮৩ জন একটি সংসদীয় ক্যু করতে চেয়েছিল। তারা আমাকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। আমি প্রথম দুই দিন রাজি হয়েছিলাম কিন্তু তৃতীয় দিনে আর রাজি হয়নি। সেই দিন আমি বলেছিলাম, এমন বেইমানি, মুনাফেকি আমি বেগম জিয়ার সাথে করতে পারবো না।

কর্নেল অলি আহমদ ৬ বার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। ৩ বার মন্ত্রী হয়েছেন। তিনি বলেন, সেই সময় ঐ এমপিরা সংসদে একটি বিল আনতে চেয়েছিল। সেই বিলের মাধ্যমে মূলত ক্যু করতে চেয়েছিল।

এলডিপির চেয়ারম্যান বলেন, জিয়াউর রহমান আমাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বানাতে চেয়েছিলেন। তিনি বলে ছিলেন, নির্বাচন করে ক্ষমতায় আসলে আমাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বানাবেন। কিন্তু অনেক মন্ত্রী তার কান ভারী করেছিলেন তাই আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীকে তার এমপিদের সামাল দেওয়ার অনুরোধ করবো। তিনি যদি সামাল দিতে না পারেন তাহলে প্রধানমন্ত্রীই বিপদে পড়বেন। এমপিদের কাজ হচ্ছে আইন প্রণয়ন করা। কিন্তু এখন এমপিদের সাথে ডিসি-এসপিদের থাকতে হয়। রাজনৈতিক মিটিংয়ে তাদেরকে রাখা কোনোভাবেই ঠিক না। প্রশাসনকে সব সময়ই এমপিদের কাছ থেকে দূরে রাখতে হবে। তাহলেই মানুষ ন্যায় বিচার পাবে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে একাধিক সোর্স আছে। সেইগুলোকে কাজে লাগিয়ে তার রিপোর্ট নেওয়া উচিত। স্বশিক্ষিত লোকেরা এলাকায় কী ধরনের অত্যাচার করছেন। কী ধরনের চাঁদাবাজি করছে। এটাতো প্রধানমন্ত্রীরই দায়িত্ব। তারই এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। এ ধরনের ৫-১০টা এমপিকে জেলে দিলে বিএনপির কোনো ক্ষতি হবে না।