ঢাকা ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘স্থানীয় সরকার বিল পাস না হলে আ. লীগের মেয়রদের চেয়ারে বসার সুযোগ দিতে হবে’: প্রতিমন্ত্রী Logo বিএনপি ফ্যাসিজমের পথে: বিরোধীদলীয় নেতা Logo অতীতের চেয়ে এবারের হজ ব্যবস্থাপনা আরো সুষ্ঠু করতে হবে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ Logo আমরা কি সরকারি দলকে জিজ্ঞাসা করে ওয়াকআউট করব: তিনবার ওয়াকআউটের পর বিরোধীদলীয় নেতা Logo পয়লা বৈশাখে ভিন্নধর্মী সংস্কৃতি কাম্য নয়: শায়খ আহমাদুল্লাহ Logo যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের বিক্ষোভ Logo ১ ডলারের বিয়ার কক্সবাজারে ১৪০০ টাকা, কেন আসবেন বিদেশি পর্যটক Logo হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায়ে চীনা মুদ্রা নিচ্ছে ইরান Logo স্টুডেন্ট ভিসায় ধাক্কা, অর্ধেকের বেশি প্রত্যাখ্যান বাংলাদেশি আবেদন Logo আমার রায় অবৈধ হলে অন্তর্বর্তী সরকারের সবকিছুই অবৈধ: ইশরাক

বিএনপি ফ্যাসিজমের পথে: বিরোধীদলীয় নেতা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৪১:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

অধ্যাদেশ বাতিল করে আওয়ামী লীগের আমলের মানবাধিকার কমিশন আইন ফিরিয়ে আনা, বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতা আবারও প্রধানমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলোপে বিল পাস করায় সরকারি দল বিএনপির কড়া সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।

বৃহস্পতিবার সংসদের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, ‘বিএনপির সমস্ত বুলি মানুষক ধোঁকা দিতে, প্রতারণা করতে, তারা একই ফ্যাসিজমের পথে আসছে।’

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘কিছু বিলে জনস্বার্থে বিরোধীদল সমর্থন দিয়েছে। জনগণের অধিকার হরণ, সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার খর্ব এবং নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার আশঙ্কা ছিল। এসব বিলে আপত্তি জানাতে গিয়ে বিরোধীদল সময়সীমার বাধার মুখে পড়ে, যেখানে মন্ত্রীরা অসীম সময় পেয়েছেন- এটা সুবিচার হয়নি।’

শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিচারক নিয়োগ ও স্বতন্ত্র সচিবালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপ তৈরি করছে, যা সংবিধান ও সাম্প্রতিক রায়ের পরিপন্থী। এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে তা আরেকটি ফ্যাসিজমে রূপ নিতে পারে।’

স্থানীয় সরকার সম্পর্কিত আইন নিয়েও আপত্তি তুলে জামায়াত আমির বলেন, ‘নির্বাচিত প্রতিনিধির অনুপস্থিতি ছাড়া প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করা হচ্ছে, যা অতীতে ঘোষিত নীতির বিরোধী।’

শেরপুর ও বগুড়ার নির্বাচনের সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি অতীতের বিতর্কিত নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি মনে করিয়ে দেয়।

সংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ৯৮টি অধ্যাদেশের মধ্যে মানবাধিকার, বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা ও বিচারক নিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ। যা উদ্বেগজনক।’

গণতন্ত্রবিরোধী ও গণবিরোধী আইন পাসের মাধ্যমে সংসদকে কলুষিত করা হয়েছে- এ কারণেই বিরোধীদল ওয়াকআউট করতে বাধ্য হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

‘স্থানীয় সরকার বিল পাস না হলে আ. লীগের মেয়রদের চেয়ারে বসার সুযোগ দিতে হবে’: প্রতিমন্ত্রী

বিএনপি ফ্যাসিজমের পথে: বিরোধীদলীয় নেতা

আপডেট সময় ০১:৪১:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

অধ্যাদেশ বাতিল করে আওয়ামী লীগের আমলের মানবাধিকার কমিশন আইন ফিরিয়ে আনা, বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতা আবারও প্রধানমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলোপে বিল পাস করায় সরকারি দল বিএনপির কড়া সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।

বৃহস্পতিবার সংসদের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, ‘বিএনপির সমস্ত বুলি মানুষক ধোঁকা দিতে, প্রতারণা করতে, তারা একই ফ্যাসিজমের পথে আসছে।’

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘কিছু বিলে জনস্বার্থে বিরোধীদল সমর্থন দিয়েছে। জনগণের অধিকার হরণ, সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার খর্ব এবং নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার আশঙ্কা ছিল। এসব বিলে আপত্তি জানাতে গিয়ে বিরোধীদল সময়সীমার বাধার মুখে পড়ে, যেখানে মন্ত্রীরা অসীম সময় পেয়েছেন- এটা সুবিচার হয়নি।’

শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিচারক নিয়োগ ও স্বতন্ত্র সচিবালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপ তৈরি করছে, যা সংবিধান ও সাম্প্রতিক রায়ের পরিপন্থী। এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে তা আরেকটি ফ্যাসিজমে রূপ নিতে পারে।’

স্থানীয় সরকার সম্পর্কিত আইন নিয়েও আপত্তি তুলে জামায়াত আমির বলেন, ‘নির্বাচিত প্রতিনিধির অনুপস্থিতি ছাড়া প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করা হচ্ছে, যা অতীতে ঘোষিত নীতির বিরোধী।’

শেরপুর ও বগুড়ার নির্বাচনের সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি অতীতের বিতর্কিত নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি মনে করিয়ে দেয়।

সংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ৯৮টি অধ্যাদেশের মধ্যে মানবাধিকার, বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা ও বিচারক নিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ। যা উদ্বেগজনক।’

গণতন্ত্রবিরোধী ও গণবিরোধী আইন পাসের মাধ্যমে সংসদকে কলুষিত করা হয়েছে- এ কারণেই বিরোধীদল ওয়াকআউট করতে বাধ্য হয়েছে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481