ঢাকা ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘ইসলামপন্থিদের রাজনৈতিক বিজয়ে শক্তিশালী মিডিয়া কাঠামো গড়ে তুলতে হবে’ Logo আজ মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী Logo যুক্তরাজ্যে আইনি ঝামেলায় পড়তে পারেন হাসনাত আবদুল্লাহ! Logo মেসির সতীর্থ হচ্ছেন ব্রাজিলের তারকা মিডফিল্ডার Logo শীর্ষস্থান দখলের লড়াইয়ে মুখোমুখি জার্মানি-আইভরি কোস্ট Logo তথ্য ফাঁস করলে ইন্সপেক্টরকে গাছে ঝুলাইয়া পে/টাব: পুলিশ কমিশনারের ভিডিও ভাইরাল Logo হরমুজ বন্ধের ঘোষণায় লেবাননে হামলা বন্ধের নির্দেশ নেতানিয়াহুর Logo পানিসম্পদমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে ‘কটূক্তি’, ২০ দিন ধরে কারাগারে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা Logo মহাশূন্যে বিশ্বকাপের বল পাঠিয়ে নতুন বার্তা দিল নাসা Logo জার্মানি-আইভরি কোস্টের গ্রুপসেরার লড়াইয়ে জিতবে কে, যা বলছে পরিসংখ্যান

বাবা-মেয়ের সামনে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল মা-ছেলের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:১৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে
ঈদুল আজহা সামনে রেখে নতুন জামা-কাপড় কিনে বাড়ি ফেরার পথে নরসিংদীতে ট্রেনের ধাক্কায় মা ও ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৭ মে) রাতে নরসিংদী রেলস্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহতরা হলেন শিবপুর উপজেলার কারারচর এলাকার সুজন মিয়ার স্ত্রী সাথী বেগম (২৭) ও তাদের ১৮ মাস বয়সী ছেলে সাফওয়ান ওরফে হাসেন।

স্বজনরা জানান, সুজন মিয়া দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন।

কখনো ইজিবাইক চালিয়ে, আবার কখনো রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সংসার চালান তিনি। ঈদ উপলক্ষে বুধবার বিকেলে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে নরসিংদী শহরে কেনাকাটা করতে আসেন।

 

দুই সন্তানের জন্য নতুন জামা-কাপড় কেনার পর সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরছিল পরিবারটি। ফেরার পথে নরসিংদী রেলস্টেশনের প্লাটফর্ম অতিক্রম করার সময় দ্রুতগতির কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় সাথী বেগম ও তার শিশু সন্তান গুরুতর আহত হয়।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মা ও ছেলেকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর স্বজনদের আহাজারিতে হাসপাতাল ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।

 

অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে নিহতের স্বামী সুজন মিয়া বলেন, আমার চোখের সামনে স্ত্রী আর অবুঝ সন্তানকে হারালাম। ট্রেন আসতে দেখে অনেক চিৎকার করেছি, আটকানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু বাঁচাতে পারিনি। এবার ঈদ আমি কী নিয়ে করব?

নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক দিলীপ চন্দ্র সরকার জানায়, স্টেশনের এক নম্বর লাইনে একটি ট্রেন দাঁড়িয়ে ছিল। এসময় কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী কক্সবাজার এক্সপ্রেস স্টেশন অতিক্রম করছিল। ওই পরিবারটি রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে।

এতে ঘটনাস্থলেই মা ও ছেলের মৃত্যু হয়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইসলামপন্থিদের রাজনৈতিক বিজয়ে শক্তিশালী মিডিয়া কাঠামো গড়ে তুলতে হবে’

বাবা-মেয়ের সামনে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল মা-ছেলের

আপডেট সময় ০১:১৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬
ঈদুল আজহা সামনে রেখে নতুন জামা-কাপড় কিনে বাড়ি ফেরার পথে নরসিংদীতে ট্রেনের ধাক্কায় মা ও ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৭ মে) রাতে নরসিংদী রেলস্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহতরা হলেন শিবপুর উপজেলার কারারচর এলাকার সুজন মিয়ার স্ত্রী সাথী বেগম (২৭) ও তাদের ১৮ মাস বয়সী ছেলে সাফওয়ান ওরফে হাসেন।

স্বজনরা জানান, সুজন মিয়া দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন।

কখনো ইজিবাইক চালিয়ে, আবার কখনো রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সংসার চালান তিনি। ঈদ উপলক্ষে বুধবার বিকেলে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে নরসিংদী শহরে কেনাকাটা করতে আসেন।

 

দুই সন্তানের জন্য নতুন জামা-কাপড় কেনার পর সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরছিল পরিবারটি। ফেরার পথে নরসিংদী রেলস্টেশনের প্লাটফর্ম অতিক্রম করার সময় দ্রুতগতির কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় সাথী বেগম ও তার শিশু সন্তান গুরুতর আহত হয়।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মা ও ছেলেকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর স্বজনদের আহাজারিতে হাসপাতাল ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।

 

অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে নিহতের স্বামী সুজন মিয়া বলেন, আমার চোখের সামনে স্ত্রী আর অবুঝ সন্তানকে হারালাম। ট্রেন আসতে দেখে অনেক চিৎকার করেছি, আটকানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু বাঁচাতে পারিনি। এবার ঈদ আমি কী নিয়ে করব?

নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক দিলীপ চন্দ্র সরকার জানায়, স্টেশনের এক নম্বর লাইনে একটি ট্রেন দাঁড়িয়ে ছিল। এসময় কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী কক্সবাজার এক্সপ্রেস স্টেশন অতিক্রম করছিল। ওই পরিবারটি রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে।

এতে ঘটনাস্থলেই মা ও ছেলের মৃত্যু হয়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।