ঢাকা ০৯:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo অসুস্থ সারজিস আলমকে দেখতে গেলেন বিরোধীদলীয় নেতা Logo আগামী মে দিবসে ৯ লাখ শ্রমিক নিয়ে সমাবেশ করতে চান নজরুল ইসলাম খান Logo ‘সব ফসল শেষ, পুরো বছর কেমনে চলবাম’ Logo আসিফ মাহমুদকে কটাক্ষ করে নীলার পোস্ট Logo তারেক রহমান দেশকে ধ্বংসস্তূপ থেকে রক্ষা করেছেন: মির্জা ফখরুল Logo প্রবাসীদের স্বার্থ রাখতে না পারলে দূতাবাস বন্ধ করা উচিত : জামায়াত আমির Logo খেলাধুলা বিকাশে সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে : এমপি জালাল উদ্দিন Logo বাংলাদেশকে বন্ধুহীন করতে অতীতের মতো ষড়যন্ত্র চলছে : প্রধানমন্ত্রী Logo ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কোনো ‘গুপ্ত রাজনীতি’ করে না: ফয়জুল করীম Logo স্বৈরাচাররা শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল: তারেক রহমান

বসুন্ধরা এলাকায় ‘মব’ সৃষ্টি করে আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:১৭:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৪১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নাঈম কিবরিয়া (৩৫) নামের এক আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, ‘মব’ সৃষ্টি করে নাঈম কিবরিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি পাবনা জেলা জজকোর্টের আইনজীবী ছিলেন। তার বাড়ি জেলার সদর উপজেলায়।

জানা গেছে, ঘটনার সময় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় মোটরসাইকেলে প্রাইভেট কারের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে তাকে মারধর করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রাতেই মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

নিহতের খালাতো ভাই রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, নাঈম কিবরিয়া ‘মব’ সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন। তিনি যে প্রাইভেট কারটি চালাচ্ছিলেন, সেটিও ভাঙচুর করেছে সন্ত্রাসীরা।

তিনি বলেন, নাঈম তার এক বন্ধুর প্রাইভেট কার নিয়ে বের হয়েছিলেন। রাতে তার মুঠোফোনে কল দিলে বসুন্ধরা এলাকার এক নিরাপত্তাকর্মী ধরেন। নিরাপত্তাকর্মী বলেন, নাঈমকে মারধর করে ফেলে রাখা হয়েছে। এরপর তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে নাঈমকে উদ্ধার করে হাসপাতাল নিয়ে যান।

তিনি আরও বলেন, নাঈম পাবনা জজ কোর্টের আইনজীবী ছিলেন। ১০ দিন আগে তিনি পাবনা থেকে এসে ঢাকার পূর্বাচলে তার বাসায় ওঠেন। পাবনায় নাঈমের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় মামলা রয়েছে। এই মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন নিতে তিনি ঢাকায় এসেছিলেন।

আজ ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুল ইসলাম জানান, রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নাঈমের প্রাইভেট কারটির একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের আরোহীরা নাঈমকে প্রাইভেট কার থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লকের ১০ নম্বর রোডে ওয়ালটন বাড়ির সামনে তাকে ফেলে রেখে যান তাঁরা। খবর পেয়ে নাঈমকে তাঁর স্বজনেরা উদ্ধার করেন। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।

এসআই আরিফুল ইসলাম আরও জানান, নিহত নাঈম কিবরিয়ার গলা, হাত, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখমের চিহ্ন রয়েছে। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

অসুস্থ সারজিস আলমকে দেখতে গেলেন বিরোধীদলীয় নেতা

বসুন্ধরা এলাকায় ‘মব’ সৃষ্টি করে আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ০৫:১৭:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নাঈম কিবরিয়া (৩৫) নামের এক আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, ‘মব’ সৃষ্টি করে নাঈম কিবরিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি পাবনা জেলা জজকোর্টের আইনজীবী ছিলেন। তার বাড়ি জেলার সদর উপজেলায়।

জানা গেছে, ঘটনার সময় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় মোটরসাইকেলে প্রাইভেট কারের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে তাকে মারধর করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রাতেই মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

নিহতের খালাতো ভাই রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, নাঈম কিবরিয়া ‘মব’ সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন। তিনি যে প্রাইভেট কারটি চালাচ্ছিলেন, সেটিও ভাঙচুর করেছে সন্ত্রাসীরা।

তিনি বলেন, নাঈম তার এক বন্ধুর প্রাইভেট কার নিয়ে বের হয়েছিলেন। রাতে তার মুঠোফোনে কল দিলে বসুন্ধরা এলাকার এক নিরাপত্তাকর্মী ধরেন। নিরাপত্তাকর্মী বলেন, নাঈমকে মারধর করে ফেলে রাখা হয়েছে। এরপর তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে নাঈমকে উদ্ধার করে হাসপাতাল নিয়ে যান।

তিনি আরও বলেন, নাঈম পাবনা জজ কোর্টের আইনজীবী ছিলেন। ১০ দিন আগে তিনি পাবনা থেকে এসে ঢাকার পূর্বাচলে তার বাসায় ওঠেন। পাবনায় নাঈমের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় মামলা রয়েছে। এই মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন নিতে তিনি ঢাকায় এসেছিলেন।

আজ ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুল ইসলাম জানান, রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নাঈমের প্রাইভেট কারটির একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের আরোহীরা নাঈমকে প্রাইভেট কার থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লকের ১০ নম্বর রোডে ওয়ালটন বাড়ির সামনে তাকে ফেলে রেখে যান তাঁরা। খবর পেয়ে নাঈমকে তাঁর স্বজনেরা উদ্ধার করেন। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।

এসআই আরিফুল ইসলাম আরও জানান, নিহত নাঈম কিবরিয়ার গলা, হাত, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখমের চিহ্ন রয়েছে। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481