পহেলা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে দেশ-বিদেশে কর্মরত সকল শ্রমজীবী মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
১৮৮৬ সালের পহেলা মে শিকাগোর হে মার্কেট স্কয়ারে ‘দিনে আট ঘণ্টার বেশি শ্রম নয়’ এই একটি মানবিক দাবিতে রাস্তায় নেমেছিল আমেরিকার শ্রমিকরা। তাদের মিছিলে নির্বিচারে গুলি চালায় মার্কিন পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনী। শ্রমিকদের রক্তে ভিজেছিলো শিকাগোর রাজপথ। সেই রক্তের উপর দাঁড়িয়ে আজ সমগ্র বিশ্ব মে দিবস পালন করে। সেদিনের সব শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।
স্বাধীনতার পর থেকেই মে দিবস পালন করছে বাংলাদেশ। তবে তা কেবলই আনুষ্ঠানিকতা নির্ভর; ব্যানার, বক্তব্য ও আলোচনায় সীমাবদ্ধ। কার্যত শ্রমজীবী মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেছে সামান্য।
আওয়ামী ফ্যাসিবাদী আমলে ন্যায্য মজুরির দাবিতে রাস্তায় নামা শ্রমিকদের ওপর নেমে এসেছে নজিরবিহীন দমন পীড়ন। শ্রমিক নেতাদের রাতের অন্ধকারে তুলে নেওয়া হয়েছে বহুবার। ১৩ বছর পরও রানা প্লাজা ট্র্যাজিডির বিচার আমরা পাইনি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও এই দেশের শ্রমজীবী মানুষ রক্ত দিয়েছে। পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশেও বৈষম্যের অবসান ঘটেনি। শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য মজুরি এখনো নিশ্চিত হয়নি।
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে আমাদের প্রত্যয়, একটি শ্রমিক বান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলা যেখানে শ্রমজীবী মানুষের মর্যাদা, অধিকার ও ন্যায্য প্রাপ্য নিশ্চিত থাকবে।

নিজস্ব সংবাদ : 
























