ঢাকা ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ঢাকা আইনজীবী সমিতি নির্বাচন : ভোট পড়েনি ৬৬ শতাংশ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে
ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২৭ কার্যকরী কমিটির নির্বাচনে দুই দিনব্যাপী ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এ নির্বাচনে মোট ভোটারের ৩৪ শতাংশ আইনজীবী ভোট দিয়েছেন। ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন ৬৬ শতাংশ ভোটারই।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভোটগ্রহণ শেষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অ্যাড. মো. বোরহান উদ্দিন জানান, প্রথম দিনে ভোট দেন ২ হাজার ৭৫৯ জন।

আর দ্বিতীয় দিনে ভোট দেন ৪ হাজার ৩১০ জন আইনজীবী। 

তিনি বলেন, সবমিলিয়ে ২ দিনে ৭ হাজার ৬৯ জন আইনজীবী নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। মোট ভোটার ২০ হাজার ৭৮৫ জন আইনজীবী।

অ্যাড. মো. বোরহান উদ্দিন আরো বলেন, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

নির্বাচন হয়েছে খুবই উৎসবমুখরভাবে। ভোটাররা যেন ভালোভাবে ভোট দিতে পারে তার জন্য বুথ বাড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। 

ফলাফলের বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরো বলেন, আগামীকাল জুমার নামাজের পর ভোট গণনা শুরু হবে।

ভোটার স্লিপগুলো ঠিকভাবে সিরিয়াল করে গণনা শুরু হবে। সেক্ষেত্রে শুক্রবার রাত অথবা শনিবার সকালে ফলাফল ঘোষণা হতে পারে। 

এদিকে, ঢাকা আইনজীবী সমিতির ভবনে গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) ও বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত হয় ভোটগ্রহণ হয়। দুই দিনেই বৃষ্টির মাঝেই আইনজীবীরা ভোট দিতে আসেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ২৩টি পদে ভোটগ্রহণ হয়।

বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদ সমর্থিত আইনজীবীরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল (নীল প্যানেল) এবং জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ (সবুজ প্যানেলে) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। 

উভয় প্যানেলে ২৩ জন করে মোট ৪৬ জন ছাড়াও স্বতন্ত্র ৮ জন প্রার্থী বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

তবে নির্বাচনে মাঠে নেই আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সমর্থিত সাদা প্যানেল। প্যানেল না থাকলেও আওয়ামী সমর্থিত কয়েকজন আইনজীবী স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করতে চাইলে মনোনয়ন নিতে বাধার সম্মুখীন হন বলে গণমাধ্যমে অভিযোগ করেন কয়েকজন আইনজীবী।

নির্বাচনে বিএনপি জোট নীল প্যানেল থেকে সভাপতি পদে মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আবুল কালাম খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অপর দিকে জামায়াত-এনসিপি সমর্থিত ১১ জোটের সবুজ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে এস এম কামাল উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আবু বাক্কার সিদ্দিক লড়ছেন।

এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২৪ সালের ২৮ ও ২৯ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ২১টি পদে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীরা।

তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচিতরা আদালতে আসা বন্ধ করে দেন। এতে সমিতির সব কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। এই পরিস্থিতিতে ওই বছরের ১৩ আগস্ট অ্যাডহক কমিটি গঠন করেন বিএনপি ও জামায়াতপন্থী আইনজীবীরা। এরপর থেকেই তারা দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ঢাকা আইনজীবী সমিতি নির্বাচন : ভোট পড়েনি ৬৬ শতাংশ

আপডেট সময় ০১:১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২৭ কার্যকরী কমিটির নির্বাচনে দুই দিনব্যাপী ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এ নির্বাচনে মোট ভোটারের ৩৪ শতাংশ আইনজীবী ভোট দিয়েছেন। ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন ৬৬ শতাংশ ভোটারই।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভোটগ্রহণ শেষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অ্যাড. মো. বোরহান উদ্দিন জানান, প্রথম দিনে ভোট দেন ২ হাজার ৭৫৯ জন।

আর দ্বিতীয় দিনে ভোট দেন ৪ হাজার ৩১০ জন আইনজীবী। 

তিনি বলেন, সবমিলিয়ে ২ দিনে ৭ হাজার ৬৯ জন আইনজীবী নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। মোট ভোটার ২০ হাজার ৭৮৫ জন আইনজীবী।

অ্যাড. মো. বোরহান উদ্দিন আরো বলেন, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

নির্বাচন হয়েছে খুবই উৎসবমুখরভাবে। ভোটাররা যেন ভালোভাবে ভোট দিতে পারে তার জন্য বুথ বাড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। 

ফলাফলের বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরো বলেন, আগামীকাল জুমার নামাজের পর ভোট গণনা শুরু হবে।

ভোটার স্লিপগুলো ঠিকভাবে সিরিয়াল করে গণনা শুরু হবে। সেক্ষেত্রে শুক্রবার রাত অথবা শনিবার সকালে ফলাফল ঘোষণা হতে পারে। 

এদিকে, ঢাকা আইনজীবী সমিতির ভবনে গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) ও বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত হয় ভোটগ্রহণ হয়। দুই দিনেই বৃষ্টির মাঝেই আইনজীবীরা ভোট দিতে আসেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ২৩টি পদে ভোটগ্রহণ হয়।

বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদ সমর্থিত আইনজীবীরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল (নীল প্যানেল) এবং জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ (সবুজ প্যানেলে) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। 

উভয় প্যানেলে ২৩ জন করে মোট ৪৬ জন ছাড়াও স্বতন্ত্র ৮ জন প্রার্থী বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

তবে নির্বাচনে মাঠে নেই আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সমর্থিত সাদা প্যানেল। প্যানেল না থাকলেও আওয়ামী সমর্থিত কয়েকজন আইনজীবী স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করতে চাইলে মনোনয়ন নিতে বাধার সম্মুখীন হন বলে গণমাধ্যমে অভিযোগ করেন কয়েকজন আইনজীবী।

নির্বাচনে বিএনপি জোট নীল প্যানেল থেকে সভাপতি পদে মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আবুল কালাম খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অপর দিকে জামায়াত-এনসিপি সমর্থিত ১১ জোটের সবুজ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে এস এম কামাল উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আবু বাক্কার সিদ্দিক লড়ছেন।

এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২৪ সালের ২৮ ও ২৯ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ২১টি পদে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীরা।

তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচিতরা আদালতে আসা বন্ধ করে দেন। এতে সমিতির সব কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। এই পরিস্থিতিতে ওই বছরের ১৩ আগস্ট অ্যাডহক কমিটি গঠন করেন বিএনপি ও জামায়াতপন্থী আইনজীবীরা। এরপর থেকেই তারা দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।